ISF-এর প্রতীকচিহ্ন ঋতব্রত-তৃণমূলকে কেন দেওয়া হল? কমিশনের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ আদালত

কলকাতা: এতদিনের প্রতীকচিহ্ন হঠাৎ হাতছাড়া। সেই নিয়ে আদালতে গিয়েছিল ISF. সেই নিয়ে এবার তীব্র প্রতিক্রিয়া কলকাতা হাইকোর্টের। ‘নির্বাচন এলেই বিভিন্ন রকম খেলা শুরু হয়ে যায়’ বলে মন্তব্য করলেন বিচারপতি কৃষ্ণ রাও। এত রকমের প্রতীকচিহ্ন থাকতে বেছে বেছে ISF-এর প্রতীকচিহ্নই কেন দেওয়া হল গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে, প্রশ্ন তোলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপে বিরক্তি প্রকাশ করলেন বিচারপতি রাও। (ISF Symbol Case)

২০২১ সালে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ISF. হাতে বেশি সময় না থাকায় সেই সময় খামচিহ্নে ভোটে লড়েছিল তারা। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও তাদের প্রতীকচিহ্ন ছিল খাম।  কিন্তু সম্প্রতি সেই খামচিহ্নই ঋতব্রতর গণতান্ত্রিক তৃণমূলকে দিয়ে দেওয়া হয়। ISF-কে ধরানো হয় নতুন প্রতীকচিহ্ন আলমারি। ISF কমিশনের ওই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করে। বিষয়টি নিয়ে সরাসরি আদালতের দ্বারস্থ হন দলের বিধায়ক নৌশাদ সিদ্দিকি। (Calcutta High Court)

আরও পড়ুন: ভোটে এত টাকা খরচ করেছে বিজেপি? পাঁচ রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গেই

বৃহস্পতিবার সেই নিয়ে শুনানি চলাকালীন কমিশনের ভূমিকায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন বিচারপতি রাও। নির্বাচন কমিশন-সহ প্রশাসনিক এবং বিধিবদ্ধ সংস্থার ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। তিনি বলেন, “বিভিন্ন প্রশাসনিক এবং বিধিবদ্ধ সংস্থার ভূমিকা অত্যন্ত দুঃখজনক। নির্বাচন এলেই বিভিন্ন রকমের খেলা শুরু হয়ে যায়।” ঋতব্রতদের কেন খাম দেওয়া হল, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। বলেন, “১৮৩টি ফ্রি প্রতীকচিহ্ন রয়েছে। গণতান্ত্রিক তৃণমূল কংগ্রেসকে খাম চিহ্ন দেওয়ার কী প্রয়োজন ছিল? আর কোনও চিহ্ন ছিল না?”

বিচারপতি রাও আরও বলেন, “মাত্র চার মাস আগে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। সেখানে যে প্রতীকচিহ্ন ব্যবহৃত হয়েছে, আপাতত কেন ফ্রিজ় করা হল না? এ নিয়ে যখন বিতর্ক রয়েছে, সেক্ষেত্রে সমস্ত পক্ষকে ডেকে

আরও পড়ুন: ভোটে এত টাকা খরচ করেছে বিজেপি? পাঁচ রাজ্যের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পশ্চিমবঙ্গেই

ISF-এৎ তরফে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা যথেষ্ট যুক্তিসঙ্গত বলে জানান বিচারপতি রাও। ISF জানিয়েছে, প্রত্যেক নির্বাচনের আগে কার কী প্রতীকচিহ্ন হবে, তা নিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয় ১০(বি) ধারায়য অথচ উপনির্বাচনের আগে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়নি কোনও রকম। বিজ্ঞপ্তি আদৌ দেওয়া হয়েছিল কি না, আগামী কালকের মধ্যে তার উত্তর দিতে হবে কমিশনকে। বিচারপতি রাওয়ের এই পর্যবেক্ষণ নির্বাচন কমিশনের জন্য স্বস্তিজনক নয় বলেই মনে করা হচ্ছে।

Post Comment

You May Have Missed