Garlic Storage Process: দাম কি ৩০ হাজারে পৌঁছবে? রসুনে নতুন করে আশার আলো দেখছেন ব্যবসায়ীরা, যেভাবে সংরক্ষণে ব্যস্ত সকলে
Last Updated:
Nadia Garlic Storage Process: করিমপুরের মাঠে মাঠে এখন শুধু রসুন শুকনোর কাজে ব্যস্ত চাষি-ব্যবসায়ীরা। গত বছর দাম কম থাকায় লাভের মুখ দেখেননি চাষিরা, তবে এবার পরিস্থিতি বদলাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
করিমপুর, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: নদিয়ার করিমপুর ও সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকায় এখন চোখে পড়ছে রসুন শুকানোর ব্যস্ত ছবি। মাঠে মাঠে, বাড়ির ছাদে কিংবা উঠোনে সারি সারি করে শুকোতে দেওয়া হয়েছে রসুন। কোথাও আবার মাসখানেকের জন্য চুক্তিতে নেওয়া জমিতে বিঘার পর বিঘা জুড়ে চলছে রসুন শুকানোর কাজ। ব্যবসায়ীরা টানা প্রায় ২০ দিন ধরে সেই সব জমিতে রসুন শুকোচ্ছেন। এমনকি জমির এক কোণে ছোট্ট কুঁড়ে ঘর বানিয়ে সেখানেই রাত কাটাচ্ছেন অনেকে।
করিমপুর, থানারপাড়া, হোগলবেড়িয়া ও মুরুটিয়া এলাকায় প্রতিবছরই রসুনের চাষ হয়ে থাকে। তবে গোয়াস, রহমতপুর, বারবাকপুর ও থানারপাড়া এলাকায় উন্নতমানের রসুন উৎপাদনের জন্য বিশেষ পরিচিতি রয়েছে। স্থানীয় চাষিদের দাবি, এবছর উৎপাদন মোটামুটি ভাল হলেও বাজারদর নিয়ে এখনও অনিশ্চয়তা রয়েছে।
২০২৫-এ রসুনের বাজার কুইন্টাল প্রতি প্রায় তিন হাজার থেকে ছ’হাজার টাকার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকায় চাষিদের অনেকেই আশানুরূপ লাভ পাননি। ক্ষতির মুখে পড়তে হয়েছিল ব্যবসায়ীদেরও। তবে তার আগের বছর পরিস্থিতি ছিল একেবারেই ভিন্ন। সেই সময় কুইন্টাল প্রতি রসুনের দাম উঠেছিল প্রায় ২৮ থেকে ৩০ হাজার টাকা পর্যন্ত। ফলে অনেক চাষি লাভবান হলেও সবচেয়ে বেশি মুনাফা করেছিলেন রসুন মজুত করে রাখা ব্যবসায়ীরা। এবারও বাজারদর বাড়ার আশায় রসুন শুকিয়ে সংরক্ষণের প্রস্তুতি নিচ্ছেন কৃষক ও ব্যবসায়ীরা।
Nadia,West Bengal



Post Comment