Eastern Railway: AI-এর ব্যবহার বাড়াচ্ছে পূর্ব রেল, নিরবচ্ছিন্ন যাত্রী পরিষেবার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ
Last Updated:
যেখানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও অন্তরের কথা মিলিত হয়: নিরবচ্ছিন্ন যাত্রী পরিষেবার লক্ষ্যে উচ্চ-প্রযুক্তি এবং নৈতিক ভবিষ্যৎ গড়ছে ইস্টার্ন রেলওয়ে।
আবীর ঘোষাল, কলকাতা: ইন্ডিয়ান রেলওয়ে ইনস্টিটিউট অফ লজিস্টিকস অ্যান্ড মেটেরিয়ালস ম্যানেজমেন্ট (IRILMM)-এর কলকাতা চ্যাপ্টার সম্প্রতি ইস্টার্ন রেলওয়ের সদর দফতর, ফেয়ারলি প্লেসে একটি গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারের আয়োজন করে। সেমিনারের মূল আলোচ্য বিষয় ছিল ‘এআই (AI) যুগে সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের ভবিষ্যৎ’। এই অনুষ্ঠানে ইস্টার্ন রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার তথা IRILMM-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক মিলিন্দ দেউস্কর মূল বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ইস্টার্ন রেলওয়ের অ্যাডিশনাল জেনারেল ম্যানেজার এবং শিয়ালদহের ডিআরএম। অনুষ্ঠানে ইসিআর (ECR), এসইআর (SER), ইআর (ER), ইকোআর (ECoR), এনএফআর (NFR), মেট্রো রেলওয়ে এবং সিএলডব্লিউ (CLW)-এর অন্যান্য আধিকারিকরা।
ইস্টার্ন রেলওয়ের প্রিন্সিপাল চিফ মেটেরিয়ালস ম্যানেজার তথা IRILMM-এর চেয়ারম্যান সন্দীপ শুক্লা সকলকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। তিনি রেলওয়ে কার্যক্রমে আধুনিক প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটানোর ক্ষেত্রে এই প্রতিষ্ঠানের নিরন্তর প্রচেষ্টার কথা তুলে ধরেন। বরণ অনুষ্ঠানে মিলিন্দ দেউস্কর এবং সম্মানিত অতিথি স্বামী সর্বোত্তমানন্দ জি-কে শাল ও উত্তরীয় দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। জেনারেল ম্যানেজার স্বামীজিকে একটি স্মারক রেল ইঞ্জিনও উপহার দেন।
মূল বক্তব্যে ইস্টার্ন রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার মিলিন্দ দেউস্কর বলেন যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) গ্রহণ করা রেলওয়ের জন্য একটি বড় পদক্ষেপ, বিশেষ করে সরবরাহ এবং সরঞ্জাম ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে। এর মাধ্যমে অপচয় কমানো যাবে এবং প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম ঠিক সময়ে সঠিক স্থানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হবে। এই উচ্চ-প্রযুক্তিগত ব্যবস্থাপনার ফলে সরাসরি যাত্রীরা উপকৃত হবেন; ট্রেন রক্ষণাবেক্ষণ আরও দক্ষ হবে এবং সরঞ্জামের অভাবে ট্রেন চলাচলে দেরি হওয়ার সম্ভাবনা কমবে। যখন নেপথ্যের এই সরবরাহ ব্যবস্থা বা ‘সাপ্লাই চেইন’ নিখুঁতভাবে কাজ করে, তখন ট্রেনের কোচগুলো আরও পরিচ্ছন্ন থাকে, মেরামত দ্রুত হয় এবং যাত্রী পরিষেবার সামগ্রিক নির্ভরযোগ্যতা বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
কারিগরি আলোচনার পাশাপাশি রামকৃষ্ণ মিশন বিবেকানন্দ শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের উপাচার্য স্বামী সর্বোত্তমানন্দজি একটি অত্যন্ত অনুপ্রেরণামূলক বক্তব্য রাখেন। মহারাজ এআই-এর প্রাথমিক ধারণা এবং এর দ্রুত বিকাশ ও প্রোগ্রামিং-এর জটিলতা তুলে ধরে তাঁর বক্তব্য শুরু করেন ৷ স্বামী সর্বোত্তমানন্দজি জোর দিয়ে বলেন যে, উন্নত যন্ত্র ব্যবহারের সময়ও মানুষকে নৈতিক ও সচেতন থাকা উচিত। তিনি ‘দায়িত্বশীল শাসন’-এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেন, যাতে অটোমেশন বা স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থা কখনওই মানবিক মূল্যবোধ এবং জনসেবাকে ছাপিয়ে না যায়।
Kolkata,West Bengal
Apr 25, 2026 10:24 AM IST




Post Comment