‘তৃণমূলে এসে লুটেপুটে খেল, যেই ED পিছনে লাগল, অমনি BJP হয়ে গেল…!’ ভবানীপুরে নাম না করে শুভেন্দুকে কটাক্ষ মমতার
Last Updated:
নাম না করেই মমতার কটাক্ষ, ‘‘খুব ভাষণ দিচ্ছেন। যত কম বলি, তত ভাল। বলে আমি গুরুত্ব দিতে চাই না। অনেক বাজে কথা বলছে। আমি পুষে দেখেছি। তার আগে তিন বার হেরেছিল মেদিনীপুরে। কংগ্রেস করত, তৃণমূল করত। যখন তৃণমূল জন্মেছিল, ওরা ছিল না। তার পরে তৃণমূলের বাজার দেখে এল। সব লুটেপুটে খেল। যেই ইডি পিছনে লাগল, অমনি বিজেপি হয়ে গেল।’’
কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে শুক্রবার ভবানীপুরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ পায়ে হেঁটে ঘুরলেন অলিগলি সর্বত্র ৷ এদিন মমতা বলেন, ‘‘৪ তারিখে রেজাল্ট বেরোবে তো দেখবেন। জ্বলবেন আর লুচির মতো ফুলবেন। দেখে রাখুন। আমাদের যা মাইনাস জায়গাগুলো ছিল, কালকে আমরা এগিয়ে গিয়েছি। আমায় রোজ পাড়ায় দেখতে পান। আমি এখানেই থাকি। এটাই আমার ঘর, বাড়ি, কর্ম, শিক্ষা। যাঁরা বহিরাগতরা এসেছেন, খুব ভাষণ দিচ্ছেন। যত কম বলি, সেটাই ভাল।’’
নাম না করেই মমতার কটাক্ষ, ‘‘খুব ভাষণ দিচ্ছেন। যত কম বলি, তত ভাল। বলে আমি গুরুত্ব দিতে চাই না। অনেক বাজে কথা বলছে। আমি পুষে দেখেছি। তার আগে তিন বার হেরেছিল মেদিনীপুরে। কংগ্রেস করত, তৃণমূল করত। যখন তৃণমূল জন্মেছিল, ওরা ছিল না। তখন ওই আসনে প্রার্থী ছিলেন অখিল গিরি। পিতাজি তখন তিন নম্বরে গিয়েছিল। তার পরে তৃণমূলের বাজার দেখে এল। সব লুটেপুটে খেল। যেই ইডি পিছনে লাগল, অমনি বিজেপি হয়ে গেল।’’
কলকাতায় এসে প্রধানমন্ত্রীর নৌকাবিহার নিয়েও কটাক্ষ করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ তিনি বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী চলে গেলেন নৌকা বিহার। ছবি তুলতে হবে। না তুললে পাগল হয়ে যায়। আমি খুশি, গঙ্গা দেখে গিয়েছে, কতটা পরিষ্কার। অনুরোধ করব, দিল্লিতে যমুনায় ডুবে আসুন। দূষিত। বলেছিলেন ব্যাঙ্কে ১৫ লক্ষ টাকা দেবেন। কেউ পেয়েছেন? নোটবন্দি করে বলেছিলেন, কালো টাকা ফেরাবেন! পারেননি। উল্টে মা-বোনদের ভাণ্ডার চলে গেল। তাঁরা টাকা সঞ্চয় করে রাখেন। নোটবন্দির জন্য সব গেল। ওরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার কেড়ে নিয়েছে। তাই করে দিয়েছি। আড়াই-তিন কোটি মেয়েরা পায়। আজীবন পাবেন।’’
Kolkata,West Bengal




Post Comment