Bankura Clay Doll: ছাঁচ ছাড়া হাতের চাপে তৈরি রঙিন সংসার, প্রাচীন এই শিল্প দেখাতে পারে নয়া কর্মসংস্থানের দিশা! টিপস দিলেন শিল্পী

Bankura Clay Doll: ছাঁচ ছাড়া হাতের চাপে তৈরি রঙিন সংসার, প্রাচীন এই শিল্প দেখাতে পারে নয়া কর্মসংস্থানের দিশা! টিপস দিলেন শিল্পী

Last Updated:

Bankura Clay Doll: বাঁকুড়া ঐতিহ্য টেপা পুতুল। যা কোনও ছাঁচ ছাড়া সম্পূর্ণ হাত দিয়ে মাটি চেপে তৈরি করা হয়। একসময় বাঁকুড়ার মেলাগুলিতে গ্রামীণ জীবনযাত্রার ছবি ফুটিয়ে তোলা এই রঙিন পুতুল ও তার সংসারের নানা সরঞ্জামের ব্যাপক চাহিদা ছিল। কিন্তু আধুনিকতা, প্লাস্টিকের রমরমায় আজ এই প্রাচীন শিল্প বাঁকুড়ার বুক থেকে ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে।

+

টেপা পুতুল তৈরির বিশেষ কর্মশালার আয়োজন শহরে

বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দোপাধ্যায়: রাঢ় বাংলার মাটির গন্ধে ভরা ঐতিহ্যের মধ্যে অন্যতম হল টেরাকোটা শিল্প, আর সেই ধারারই এক অনন্য সৃষ্টি টেপা পুতুল। একসময় বাঁকুড়ার গ্রামেগঞ্জে মেলা মানেই ছিল এই পোড়ামাটির পুতুলের রঙিন সম্ভার। হাতি-ঘোড়ার পাশাপাশি টেপা পুতুল ও তার সংসারের নানা উপকরণ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন বহু শিল্পী পরিবার। কিন্তু সময়ের পরিবর্তন ও আধুনিকতার চাপে আজ এই প্রাচীন শিল্প ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে।

“টেপা পুতুল” মূলত হাত দিয়ে মাটি চেপে তৈরি করা ছোট ছোট পুতুল, যেখানে ফুটে ওঠে গ্রামীণ জীবনের সহজ সরল ছবি। কখনও দেখা যায় মা-বাবা, কখনও রান্নাঘরের দৃশ্য, আবার কখনও গৃহস্থালির নানা উপকরণ। সম্পূর্ণ হাতে গড়া এই পুতুলে নেই কোনও ছাঁচের ব্যবহার, ফলে প্রতিটি সৃষ্টি আলাদা ও স্বতন্ত্র। এই শিল্প শুধু বিনোদনের উপকরণ নয়, বরং গ্রামীণ সংস্কৃতি ও জীবনযাত্রার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিফলন।

আরও পড়ুন: থানায় ঢুকতে কালঘাম ছুটছে খোদ পুলিশকর্মীদের, দুর্ভোগ সাধারণ মানুষেরও! যন্ত্রণার কারণ জানলে অবাক হবেন

এই হারিয়ে যেতে বসা শিল্পকে নতুন করে বাঁচিয়ে তুলতে গোটা বাঁকুড়া জেলা জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় উদ্যোগ নেওয়া হয়। করা হয় কর্মশালা। তবে এই টেপা পুতুল নিজের পুরনো গরিমা খুঁজে পায় না। যখন ছিল না কোনও টেকনোলজি, ছিলনা প্লাস্টিকের রমরমা, তখন এই টেপা পুতুল ব্যবহার করেই খেলা করত শিশুরা। বাংলার এই ঐতিহ্য ধীরে ধীরে হারিয়ে যেতে বসেছে বাঁকুড়ার বুক থেকে। শিল্পী জানান,”এই শিক্ষা ছড়িয়ে দিতে হবে! কি করে মাটি নির্বাচন করতে হয়। কি করে খুব অনায়াসে বানিয়ে ফেলা যায়, সেসব শেখাতে হবে।”

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

স্থানীয়দের মতে, একমাত্র নতুন প্রজন্মের উদ্যোগই পারে হারিয়ে যাওয়া লোকশিল্পকে নতুন জীবন দিতে। টেপা পুতুল পুনরুদ্ধার করার কর্মশালার মাধ্যমে শুধু শিল্প রক্ষা নয়, ভবিষ্যতে নতুন কর্মসংস্থানের পথও খুলে যেতে পারে। এই পুতুল সাধারণ দোকান বা অনলাইনে খেলনা বা ঘর সাজানোর সামগ্রী হিসেবে বিক্রি করা যেতে পারে। যা স্বনির্ভর হতে সাহায্য করবে। বাঁকুড়ার মাটির সঙ্গে জড়িয়ে থাকা “টেপা পুতুল” তাই আবারও নতুন করে ফিরে আসার আশায় বুক বাঁধবে।

Previous post

বেজিংয়ে বহুতলে ধাক্কা মেরে টুকরো টুকরো হয়ে নীচে পড়ল বিমান, ক্ষয়ক্ষতি নিশ্চিত নয় এখনও

Next post

Toto Restriction: যানজট রুখতে ‘লক্ষণরেখা’ টেনে দিল পুলিশ, সকাল ১০টা বাজলেই টোটোর ‘নো এন্ট্রি’! কোন কোন রাস্তায় বিধিনিষেধ, জেনে নিন

Post Comment

You May Have Missed