Kunal Ghosh on Suvendu Adhikari: ‘বিগ ফিশ বেঁচে গেলে…,’ তারাতলা কাণ্ডে বড় দাবি! শুভেন্দু অধিকারীকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়ে বললেন কুণাল ঘোষ
Last Updated:
Kunal Ghosh on Suvendu Adhikari: এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় শুভেন্দু জানান, ‘‘ভার্চুয়ালি আজকের মিটিং-এ ছিলেন অগ্নিমিত্রা পল। তারাতলার ঘটনায় এখনও চলছে উদ্ধারকাজ। সহযোগিতা করছে এনডিআরএফ। আমার সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে। যদি আবহাওয়া ঠিক থাকে আজ রাতের মধ্যে উদ্ধারকাজ শেষ হবে। গত পরশু, গতকাল বলেছি নির্দিষ্ট জায়গায় বিল্ডিং তৈরিতে৷ ৩১ জুলাই পর্যন্ত চলবে স্পেশাল অডিট। ইতিমধ্যেই সেই নোটিস পৌঁছে যাচ্ছে।’’
কলকাতা: তারাতলা কাণ্ডে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে ফিরহাদ হাকিমের একদা আপ্তসহায়ক কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ বিধানসভায় তারাতলার গোডাউনের বিল্ডিং প্ল্যানের নথি দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, ‘‘এই দেখুন ফিরহাদ হাকিমের সই৷’’ এ বিষয়ে এখনও পর্যন্ত সর্বসমক্ষে কোনও মন্তব্য করতে দেখা যায়নি কলকাতা পুরসভার প্রাক্তন মেয়র তথা রাজ্যের প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রীকে৷ এই পরস্থিতিতে কী বলছেন তাঁর কালীঘাটের সতীর্থেরা?
বিধানসভায় বিভিন্ন প্রসঙ্গে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এদিন তারাতলার ঘটনা এবং তার পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভার বক্তব্য নিয়ে প্রতিক্রিয়া দেন বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়তক কুণাল ঘোষ৷
তারাতলা কাণ্ডে মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে কথা বলতে গিয়ে এদিন কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর বিবৃতিতে আমরা সমর্থন করছি। কিন্তু বিগ ফিশ বেঁচে গেলে হবে না। ফিরহাদ হাকিমের সই অন্যায় হলে গ্রেফতার অবিলম্বে করা উচিত। আর সই অপরাধ না হলে আপনাদের বিধানসভায় দেখানো ঠিক হয়নি।’’ তারপরেই কুণালের প্রশ্ন, ‘‘তাহলে কি চাপ দিয়ে, বিদ্রোহীদের দিকে, বালিশ চাটার দিকে পাঠানো?’’
বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী হুঁশিয়ারি দেওয়ার পরে ১২ ঘণ্টাও কাটেনি৷ বৃহস্পতিবার রাতেই তারাতলায় নির্মীয়মাণ গোডাউন ভেঙে পড়ার ঘটনায় কলকাতা পুরসভার আধিকারিক তথা প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের আপ্ত সহায়ক কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করেছে বিশেষ তদন্তকারী দল বা সিট৷ কলকাতা পুরসভায় ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন তাঁর ওএসডি পদে ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়৷ ফিরহাদ ঘনিষ্ঠ আধিকারিক হিসেবেই পরিচিত তিনি৷ এ দিন তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে লালবাজারে নিয়ে যায় তারাতলা কাণ্ডের তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্তকারী দল৷ জিজ্ঞাসাবাদের পরই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়৷ শুক্রবার আলিপুর আদালতে তোলা হয় কালীকে৷
প্রসঙ্গত, বিধানসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘‘আপনার কেএমসি-তে কী হয়েছে জানি না৷ কালীকে খুঁজলে সব বেরিয়ে যাবে৷’’ এদিন সেই কালী প্রসঙ্গে মন্তব্য করতে গিয়ে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘কালীকে কাউন্সিলররা ভয় পেতেন। কালী কিন্তু ক্যামাক স্ট্রিটের নয়। কালী পুরসভার। কালীকে ক্যামাক স্ট্রিট সহ্য করতে পারত না। ক্যামাক স্ট্রিট অভিযোগ করেছিল কালীর বিরুদ্ধে।’’
তারাতলার ঘটনার পরে রাজ্যের একাধিক পুরসভার অধীনে নির্মীয়মাণ বিল্ডিংয়ে কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী৷ অডিট প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হলে তবেই শুরু হবে পরবর্তী কাজ৷ এ প্রসঙ্গে কুণাল ঘোষ বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীকে আমি নির্মাণ শ্রমিকদের ব্যাপারে জানিয়েছিলাম। নির্মাণকাজ বন্ধে আমাদের সমর্থন আছে। কিন্তু এখানে যাঁরা কাজ করেন, তাঁদের পরিবাররা সমস্যায় পড়বেন। খাবার ব্যবস্থা করতে বলেছিলাম। আজ দেখলাম তিনি ব্যবস্থা নিতে বললেন। আমার তরফ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ।’’




Post Comment