রাজ্যের ব্যবসায়ীদের জন্য জরুরি ঘোষণা বাজেটে, কোন আইন আনার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী ?
কলকাতা: ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের বাজেট প্রস্তাব পেশ করেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত। নির্ধারিত সময় সীমার বাইরে দোকান খোলা নিয়ে বড় ঘোষণা আজকের বাজেটে। কোন আইন আনার কথা বললেন অর্থমন্ত্রী ?
আরও পড়ুন, বিনামূল্যের বিদ্যুৎ প্রকল্প নিয়ে বিরাট ঘোষণা, বাজেটে ‘পিএম সূর্যঘর’ নিয়ে কী জানালেন অর্থমন্ত্রী ?
অর্থমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে চালু ওয়েস্ট বেঙ্গল শপস অ্যান্ড এসট্যাবলিশমেন্ট অ্যাক্ট ১৯৬৩ (West Bengal Shops and Establishment Act, 1963), নির্ধারিত সময় সীমার বাইরে দোকান খুলে রাখার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। বিভিন্ন রাজ্যে সকল সংষ্কার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে, উপযুক্ত সংশোধনী ও সংষ্কার এনে শক্তিশালী শ্রমআইন সুরক্ষা নিশ্চিত করতে, দোকান, রেস্ট্রোরেন্ট, অফিস, লজিস্টিক, পরিষেবা এবং হসপিটালিটি প্রতিষ্ঠানিক ২৪ ঘণ্টা চালু করার প্রস্তাব রাখছি। সাবজেক্ট টু অ্যা নেগেটিভ লিস্ট। একটা নেগেটিভ লিস্টও এর মধ্যে থাকবে। হস্তক্ষেপ ও চাঁদাবাজি, ব্যবসাকে যা ক্ষতি করছে, …এই কারণে সামনের দিনে আমরা একটি আইন আনছি। আমাদের সরকার আইন অনুযায়ী , ব্যবসাকে সিন্ডিকেট চার্জ এবং অন্য়ান্য বেআইনি অর্থ আদায় করার থেকে রক্ষা করার, আইন আনব।’
তিনি আরও বলেন, অবৈতনিক গার্হস্থ্য শ্রমকে , প্রতিষ্ঠানিক রূপ থেকে, গৃহস্ত পরিবারের মহিলাদের বাড়ির জন্য রান্নাঘরকে ক্লাউড কিচেনে রূপান্তর করার, উৎসাহ দিলে, অর্থনৈতিকভাবে উল্লেখযোগ্য চাঙ্গা হতে পারে। আমাদের সরকার একটি নতুন, ক্লাউড কিচেন পলিসি শুরু করবে। ‘ এরপর দুর্গাপুজো নিয়ে, তিনি বলেন, দুর্গাপুজো হল বাংলার সাংষ্কৃতিক আত্মা। দুর্গাপুজো এক, বিশ্বজনিক উৎসব, বাংলার চিরন্তন আবেগ, এই মূল বিষয়কে কেন্দ্র করে, আমরা একটি লক্ষাভিত্তিক পর্যটন ব্যান্ড্রিং অভিযান শুরু করব।পশ্চিমবঙ্গ একটি সমৃদ্ধশালী ঐতিহ্যর জন্য পরিচিত। এই সব ঐতিহ্যবাদী স্থানগুলি স্থানগুলি সংরক্ষণ এবং তার প্রসার ঘটনো অত্যন্ত প্রয়োজন। রাজ্যে কালীঘাট ও তারাপীঠের বিখ্যাত, কালীমন্দির, জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি-সহ জেলার বিভিন্ন শক্তিপীঠের নাম উল্লেখ করেন তিনি। ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলির পুনরুদ্ধারের জন্য, আমি একটি সর্বাঙ্গিন পরিকল্পনা প্রস্তুত করি।’
অপরদিকে, ক্ষমতায় এসেই সপ্তম বেতন কমিশনে অনুমোদন দিয়েছে রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। রাজ্য বাজেটের অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্ত ডিএ বাড়ানোর ঘোষণা করতেই, পুজোর মাসে সেই টাকা রাজ্য সরকারি কর্মীদের অ্যাকাউন্টে পৌঁছে দেওয়ার কথা বললেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারি কর্মীদের মধ্যে ডিএ-র পার্থক্য দূর করে খুব দ্রুত সমান হারে মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার ইঙ্গিতও দেন তিনি।
Suvendu Adhikari: ‘৫০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ থাকবে, যাঁরা কর্মসংস্থান তৈরিতে কাজ করবে’,বললেন মুখ্যমন্ত্রী
Post Comment