বাংলাদেশের রাস্তায় পুলিশের মার খেলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার, পাইপ দিয়েও আঘাত করা হয় কোমরে

বাংলাদেশের রাস্তায় পুলিশের মার খেলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার, পাইপ দিয়েও আঘাত করা হয় কোমরে

চট্টগ্রাম: রাস্তায় শারীরিক নিগ্রহের শিকার হলেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের (Bangladesh Cricket Team) ক্রিকেটার নঈম হাসান (Nayeem Hasan)। রাস্তায় আটোরিকশা থেকে নামিয়ে মারধর করার অভিযোগ উঠল স্থানীয় পুলিশ আধিকারিকদের বিরুদ্ধে। বাংলাদেশের ক্রিকেটার নঈম অভিযোগ জানিয়েছেন যে, চট্টগ্রাম নগরের লালখান বাজার এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। তাঁকে খুলশি থানায় নিয়ে গিয়েও হেনস্থা করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, ‘শুক্রবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে বাংলাদেশের জাতীয় দলের ক্রিকেটার নঈম হাসানের সঙ্গে কিছু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগসংক্রান্ত ঘটনায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে।

ঠিক কী হয়েছিল?

সূত্রের খবর, ঢাকায় প্রিমিয়ার লিগের খেলা শেষ করে শুক্রবার রাত ৯টা ৪০ মিনিটের ফ্লাইটে চট্টগ্রাম আসার কথা ছিল নঈমের। কিন্তু উড়ান দেরি করায়  ১০টা ২০ মিনিটে তিনি চট্টগ্রাম পৌঁছােন। এরপর চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে অটোরিকশা করে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন। অটোরিকশাটি এক্সপ্রেসওয়ে থেকে নামার পর লালখান বাজার এলাকায় পুলিশের এক সদস্য তাঁকে আটকে দেন সেখানে। এরপরই না কি তাঁর থেকে কেড়ে কাগজপত্র নিয়ে নেওয়া হয়। কয়েক জন নঈমকে পুলিশের পরিচয় দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। এরপর পরিস্থিতি অন্য দিকে যাচ্ছে বুঝে নিজেকে জাতীয় দলের ক্রিকেটার হিসেবে পরিচয় দেন নঈম। এমনকী তাঁর বক্তব্যের স্বপক্ষে প্রমাণও দেখান। কিন্তু কোনও কিছুই শোনেননি পুলিশ আধিকারিকরা। এমনকী খুলশি থানার এসআই শফিকুল ইসলাম তাঁর হাতে থাকা লাঠি দিয়ে কোমরেও আঘাত করতে থাকেন নঈমের। পাশে থাকা অন্য়ান্য় পুলিশ আধিকারিকরা পাইপ দিয়েও মারেন নঈমকে। নঈম জানিয়েছেন যে, ‘প্রায় ১০০ থেকে ২০০ মানুষ জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদেরকে বলছিলাম যে আমি ক্রিকেটার। কিন্তু সবাই আমাকে আসামি বলতে থাকে। আমাকে চুপ করিয়ে দেয়।’

বাংলাদেশের তারকা স্পিনার আরও বলেন, ‘অটোরিকশা থেকে আমাকে নামিয়ে দেওয়া হয় টেনে-হিঁচড়ে। এরপরই আমার ফোন নিয়ে নেওয়া হয়। থানায় আসার পর ফোনটি পেয়ে আমি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সভাপতি তামিম ইকবালকে ফোন করি। তিনি বিসিবির সদস্য ইসরাফিল খসরুকে বিষয়টি জানান। এরপর তাঁরা পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন।’

Post Comment

You May Have Missed