চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত BJP-র, এই পদ্ধতিতে বাছা হতে পারে পরিষদীয় দলনেতা: সূত্র ; পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী
দীপক ঘোষ, কলকাতা : পশ্চিমবঙ্গের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী কে ? অমিত শাহকে তা বাছার দায়িত্ব দিয়েছে বিজেপি। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য আজ রাজ্যে আসছেন শাহ। বিজেপির পরিষদীয় দলনেতা নির্বাচনের জন্য পর্যবেক্ষক তিনি। সহ পর্যবেক্ষক ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহন চরণ মাঝি। বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে অমিত শাহের বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। বৈঠকেই চূড়ান্ত হতে পারে বিজেপির পরিষদীয় দলের নেতা। তারপরেই সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাজ্যপালের কাছে যাবে বিজেপি।
বিস্তারিত…
আজকেই অমিত শাহ এবং তাঁর সঙ্গে সহকারী পর্যবেক্ষক ও ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝির কলকাতায় এসে পৌঁছানোর কথা। গতকালই দলের সমস্ত জয়ী প্রতিনিধিকে কলকাতায় এসে পৌঁছাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ২০৬ জন জনপ্রতিনিধির আজ চলে আসার কথা কলকাতায়। রেজাল্ট বেরিয়েছে ৪ তারিখে। ফলাফল গড়াতে গড়াতে মধ্যরাত হয়েছে। কারো কারো ক্ষেত্রে তো ৫ তারিখ ভোর পর্যন্ত গণনা-কাজ হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আজ রাতেই বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, সরকার শপথ নেবে ৯ তারিখে এটা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি,কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য তিনজনই জানিয়েছেন। ৯ তারিখ ২৫ বৈশাখ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন। বাঙালির কাছে অত্যন্ত আনন্দের এবং পবিত্র দিন হিসাবে বিবেচিত। সেই দিনটাতেই নতুন সরকার শপথ গ্রহণ করবে বলে জানানো হয়েছে।
‘বিধানসভা দাঁড়িয়ে বলেছিলাম…’, শুভেন্দুর বিশাল সাফল্যের পরই অতীতের চ্যালেঞ্জের কথা জানালেন শিশির
এই পরিস্থিতিতে প্রথম কাজ, পরিষদীয় দলের নেতা নির্বাচন করা। যেটা আজ রাতে হতে পারে। সেটা জানা যেতে পারে আগামীকালের মধ্যেই। যে, তাঁরা পরিষদীয় নেতা কাকে নির্বাচিত করলেন। নিয়ম অনুযায়ী পরিষদীয় দল অর্থাৎ যারা বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন তাঁদের নিয়ে বসে বৈঠক করে ঐকমত্যের ভিত্তিতে একজনের নাম ঘোষণা করা হয়। সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, কে তাঁদের পরিষদীয় দলের নেতা হবেন। নিয়ম অনুযায়ী, তিনি গিয়ে রাজ্যপালের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নতুন সরকার গঠনের দাবি জানান। এক্ষেত্রে সেটাই হবে। এখন যেটা সূত্রের খবর, ভোটাভুটি করে নেতা নির্বাচন সম্ভবত হচ্ছে না। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব এবং তাঁরা যাদের সঙ্গে কথা বলার দরকার তাঁদের সঙ্গে কথা বলে একটা সিদ্ধান্তে পৌঁছেছেন। সেই সিদ্ধান্তের কথা পর্যবেক্ষক হিসাবে যিনি আসছেন তিনি বিধায়কদের জানাবেন। জানানোর পরে তিনি এই আর্জি জানাবেন, ভোটাভুটি নয়, বিতর্ক নয়, একটা ঐকমত্যের ভিত্তিতে কাউকে বেছে নেওয়া হোক। সেই অনুযায়ী তিনি প্রস্তাবও রাখবেন। সেই অনুযায়ী তাঁকে নেতা নির্বাচিত করে রাজ্যপালের কাছে পাঠানো হবে। সরকার গঠনের দাবি জানানো হবে। নিয়ম অনুযায়ী, আগামীকালই শেষ হচ্ছে বর্তমান সরকারের মেয়াদ।



Post Comment