Suvendu Adhikari: শান্তিকুঞ্জের সামনে তখন থিকথিকে ভিড়, অপেক্ষায় ছিলেন এক বৃদ্ধও! বাড়ি থেকে বেরিয়েই কাকে প্রণাম করলেন শুভেন্দু?
Last Updated:
নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর থেকেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নয়া নজির তৈরি করেছেন শুভেন্দু অধিকারী৷
২০২১-এ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারালেও তৃণমূল ক্ষমতায় এসেছিল৷ কিন্তু ২০২৬-এ লক্ষ্যপূরণ হল শুভেন্দু অধিকারীর৷ এ বার তো নন্দীগ্রামে জয়ের পাশাপাশি ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন নজির তৈরি করলেন তিনি৷
গোটা রাজ্য তো বটেই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পর পর দু বার হারানোর পর গোটা দেশের রাজনীতিতেই এখন শুভেন্দু অধিকারীর নাম চর্চায়৷ এমন কি, রাজ্যের সম্ভাব্য হবু মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও জোরাল ভাবে উঠে আসছে শুভেন্দুর নাম৷
শুভেন্দু অধিকারীর এই কৃতিত্বে স্বভাবতই খুশির হাওয়া বইছে কাঁথিতে অধিকারী পরিবারের বাসভবন শান্তিকুঞ্জে৷ খুশি শুভেন্দুর প্রতিবেশীরাও৷ তবে শুভেন্দুও যে তাঁর প্রতিবেশীদের ভোলেননি, তার প্রমাণ মিলল মঙ্গলবার সকালে৷
সোমবার রাতে ভবানীপুরে জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর রাতে হলদিয়া পৌঁছন শুভেন্দু৷ নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের জয়ী প্রার্থী হিসেবে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে কাঁথিতে নিজের বাড়িতে পৌঁছন তিনি৷ বুধবার সকালে ফের কলকাতায় ফেরেন শুভেন্দু৷
এ দিন সকাল থেকেই শান্তিকুঞ্জের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন বিজেপি-র উৎসাহী কর্মী সমর্থকরা৷ ভিড় জমিয়েছিলেন বহু সাধারণ মানুষও৷ শুভেন্দুর অপেক্ষায় ছিল সংবাদমাধ্যমও৷ ভিড়ের মধ্যেই শুভেন্দুকে দেখতে একপাশে দাঁড়িয়েছিলেন কয়েকজন প্রতিবেশীও৷ শুভেন্দুর জন্য অপেক্ষায় ছিলেন শুভেন্দুরই প্রতিবেশী ঝাড়েশ্বর মণ্ডল নামে এক বৃদ্ধ৷ শান্তিকুঞ্জের পাশের বাড়ি রেণুকা নিবাসের বাসিন্দা তিনি৷
বাড়ি থেকে বেরোতেই শুভেন্দুকে ছেঁকে ধরে সংবাদমাধ্যম৷ ভিড় করেন অনুগামীরাও৷ তার মধ্যেও দাঁড়িয়ে থাকা প্রতিবেশীদের দিকে চোখ যায় শুভেন্দুর৷ ঝাড়েশ্বরবাবু সহ বাকি প্রতিবেশীদের দেখেই এগিয়ে যান শুভেন্দু৷ এমন কি, ঝাড়েশ্বরবাবুকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণামও করতে দেখা যায় শুভেন্দুকে৷ বিজেপি নেতার মাথায় হাত দিয়ে আশীর্বাদ করেন ঝাড়েশ্বরবাবুও৷ প্রবীণ আরও দু একজন প্রতিবেশীর সঙ্গেও কথা বলেন শুভেন্দু৷ প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে গাড়িতে ওঠেন তিনি৷
শুভেন্দুর এই ব্যবহারে স্বভাবতই আপ্লুত পেশায় হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক ঝাড়েশ্বর বাবু৷ খোদ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে পর দু বার হারানো এবং তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত করতে বড় ভূমিকা নেওয়ার পরেও শুভেন্দুর পা যে মাটিতেই রয়েছে, তা ভেবেই আবেগতাড়িত তিনি৷
কাঁথি থেকে এ দিন কলকাতায় এসে ভবানীপুরের একটি জৈন মন্দিরে যান শুভেন্দু অধিকারী৷ তার পর সল্টলেকে বিজেপি-র দলীয় দফতরে আসেন তিনি৷
Kolkata,West Bengal




Post Comment