কালো টাকা সাদা করার কারবার! সোনা পাপ্পু কাণ্ডে ই-এম বাইপাসে ব্যবসায়ী কল্যাণ শুক্লার বাড়িতে হানা!
Last Updated:
সোনা পাপ্পু মামলার তদন্তে বড়সড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কলকাতার আনন্দপুরে ইএম বাইপাস সংলগ্ন একটি আবাসনে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালায় কেন্দ্রীয় সংস্থা। কালো টাকা সাদা করার অভিযোগে এই অভিযান ঘিরে এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
সোনা পাপ্পু মামলায় কলকাতায় দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। ভোর থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে আনন্দপুর-সহ সংলগ্ন এলাকায়। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কালো টাকা সাদা করার চক্রের সূত্র ধরেই এই তল্লাশি অভিযান।
ইডির একটি দল ভোর প্রায় ৫টা নাগাদ নিউটাউনের সিআরপিএফ ক্যাম্প থেকে কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইএম বাইপাস সংলগ্ন আরবানা আবাসনে পৌঁছায়। আবাসনের টাওয়ার থ্রি-র ১০২ নম্বর ফ্ল্যাটে ব্যবসায়ী কল্যাণ শুক্লার বাসভবনে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাশাপাশি আরও এক ব্যবসায়ীর বাড়িতেও অভিযান চলছে বলে জানা গিয়েছে। এর আগে সোনা পাপ্পু মামলায় এক ব্যবসায়ী এবং কলকাতার পুলিশের উচ্চপদস্থ আধিকারিকের বাড়িতে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট।
ইডি সূত্রে অভিযোগ, জয় কামদারের হোয়াটসঅ্যাপ অ্যাকাউন্ট চেক করে একাধিক চ্যাট সামনে এসেছে। যার সূত্র ধরেই এই দুই ব্যবসায়ী বাড়িতে অভিযান চালানো হচ্ছে।এই দুই ব্যবসায়ীর মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ কালো টাকা সাদা করা হত। তদন্তে উঠে এসেছে, জয় কামদার এবং সোনা পাপ্পুর টাকা এই চ্যানেলের মাধ্যমে বিনিয়োগ ও ঘোরানো হয়েছিল। এই দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আগে থেকেই আর্থিক অনিয়মের একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলেও জানা গিয়েছে।
তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, জয় কামদারকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই এই দুই ব্যবসায়ীর নাম সামনে আসে। সেই সূত্র ধরেই একাধিক নথি, আর্থিক লেনদেনের তথ্য এবং ডিজিটাল ডেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনায় সোনা পাপ্পু মামলার জাল আরও বিস্তৃত হতে পারে বলে মনে করছে তদন্তকারীরা। তদন্ত এগোলে আরও নাম সামনে আসার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে না। গত রবিবার, ১৯ এপ্রিল ব্যবসায়ী জয় কামবারের বাড়িতে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। জয়ের বেহালার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে নগদ অর্থও উদ্ধার করা হয় বলে ইডি সূত্রে খবর। সেদিনই জয়কে গ্রেপ্তার করে ইডি। কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের সূত্রে জানা গিয়েছে, পাপ্পুর সঙ্গে জয়ের আর্থিক লেনদেনের প্রমাণ পেয়েছেন তদন্তকারীরা। এর পাশাপাশি কালীঘাট থানার প্রাক্তন ওসি তথা কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার শান্তনু সিংহ বিশ্বাসের বাড়িতেও গত রবিবার হানা দিয়েছিল ইডি। তার পরে তাঁকে এবং তাঁর দুই পুত্রকে সিজিও কমপ্লেক্সে তলবও করা হয়েছিল।
Kolkata [Calcutta],Kolkata,West Bengal




Post Comment