দ্বিতীয় দফার আগে ডায়মন্ড হারবারে CRPF-এর ডিজি, করলেন রুট মার্চ
কলকাতা: দ্বিতীয় দফার ভোটের বাকি আর কয়েকটা দিন। তার আগেই এবার গ্রাউন্ড জিরোয় CRPF -এর ডিজি। ২৫ এপ্রিল সেখানে রুট মার্চ করেন তিনি। তাঁর সঙ্গে ছিল সিআরপিএফের বিশাল বাহিনী ও রাজ্য পুলিশের বাহিনী। ভোটারদের মনোবল বাড়াতে ঘুরলেন এলাকায়। ভোটারদের মধ্যে আস্থা তৈরি করতে ও কনফিডেন্স বিল্ড করতেই এই পদক্ষেপ করেছেন CRPF -এর ডিজি জি পি সিং, জানা গিয়েছে এমনই।
দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে তিনি কথা বললেন ডায়মন্ড হারবারের স্থানীয় মানুষের সঙ্গেও। এ ছাড়াও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ রাখতে ও হিংসা মুক্ত রাখতে প্রোটোকল অনুযায়ী কাজ করার জন্য কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান ও রাজ্য পুলিশের আধিকারিকদের নির্দেশও দেন তিনি।
অন্যদিকে, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে উদ্ধার হল প্রচুর বোমা। এক তৃণওমূল কর্মীর পরিত্যক্ত বড়ওঈতে মিলল প্রায় ১০০ বোমা। স্থানীয়দের সন্দেহ মাঝেরআট এলাকায় এই বোমা মজুত করে রাখা হয়েছিল। তৃণওমূল কর্মী মণিরুল ইসলামের বাড়িতেই বোমা রাখার সন্দেহ। খবর পেয়ে ওই এলাকায় পৌঁছে যায় পুলিশ। তারপর ঘিরে ফেল ঐ বাড়িটি। তারপর সেখানে পৌঁছে যায় বম্ব স্কোয়াড। প্রচুর তাজা বোমা উদ্ধার করে পুলিশ। সূত্রের খবর, প্রায় ১০০ টি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে।
আবার, দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে ধুন্ধুমার হাড়োয়ায়। নৌশাদ সিদ্দিকীর রোড শো থেকে ফেরার সময় ‘হামলা’র অভিযোগ ISF -এর। ISF কর্মীদের উপর হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। হাড়োয়া বিধানসভার হামাদামা বাজারে তুমুল উত্তেজনা। ISF কর্মীদের অভিযোগ, তাদের মারধর করা হয় ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানোর অভিযোগও করছে তারা। এরপরই বেড়াচাঁপা-হাড়োয়া রোড অবরোধ করেন বিক্ষোভ ISF প্রার্থীর। ঘটনায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ।
এদিকে আবার নির্বাচন হিংসা মুক্ত ও অবাধ করতে আরও বিরাট সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের। জানা গিয়েছে, এবার শুধু বুথে নয়, বুথে আসার রাস্তাতেও একাধিক জায়গায় লাগানো হবে সিসি ক্যামেরা। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যান গিয়েছে, মূলত যে সব এলাকা ঘিঞ্জি, সেই সব এলকাতেই এই ব্যবস্থা করা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, মূলত হাওড়া ও কলকাতার একাধিক বুথমূখী রাস্তায় বসবে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা।



Post Comment