Indian Railways: বর্ষার আগে উত্তর-পূর্ব রেলের জোর নজরদারি, যাত্রী-সুরক্ষায় বড় উদ্যোগ

Indian Railways: বর্ষার আগে উত্তর-পূর্ব রেলের জোর নজরদারি, যাত্রী-সুরক্ষায় বড় উদ্যোগ

Last Updated:

Indian Railways: জলাবদ্ধতা, ভূমি ক্ষয় ও রেললাইনের অস্থিতিশীলতার মতো বর্ষাকালীন প্রত্যাহ্বানগুলির বিরুদ্ধে এর সহনশীলতা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ উত্তর-পূর্ব রেলের।

আসন্ন গ্রীষ্মের ছুটিতে রেলযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং ভিড় সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রেল। ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন মরশুমের জন্য রেল কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ১৮ হাজার ২৬২টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ১৫ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাস বিশেষ পরিষেবা চালু থাকবে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।
আসন্ন গ্রীষ্মের ছুটিতে রেলযাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং ভিড় সামাল দিতে বড় পদক্ষেপ নিল ভারতীয় রেল। ২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন মরশুমের জন্য রেল কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ১৮ হাজার ২৬২টি বিশেষ ট্রেন চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মূলত ১৫ এপ্রিল থেকে ১৫ জুলাই পর্যন্ত এই তিন মাস বিশেষ পরিষেবা চালু থাকবে, যাতে সাধারণ মানুষ নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেন।

কলকাতা: উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব লামডিং ডিভিশনের অধীনস্থ ভৈরবী-বদরপুর এবং বদরপুর-পাথরখোলা সেকশনের পরিদর্শন করেন। এই পরিদর্শন চলমান সুরক্ষা অভিযান এবং পরিকাঠামোগত প্রস্তুতির পর্যালোচনার অংশ হিসেবে করা হয়েছে, বিশেষত আসন্ন বর্ষা মৌসুমের প্রতি লক্ষ্য রেখে।

পরিদর্শনের সময়, রেললাইনের উপযুক্ততা এবং বিভিন্ন অংশের কাঠামোগত অখণ্ডতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে লাইনগুলির একটি বিস্তারিত ‘উইন্ডো ট্রেইলিং’ পরিদর্শন সম্পন্ন করা হয়। এই অনুশীলনটি রেলওয়ে পরিকাঠামোর ত্রুটিসমূহ শনাক্ত করতে এবং জলাবদ্ধতা, ভূমি ক্ষয় ও রেললাইনের অস্থিতিশীলতার মতো বর্ষাকালীন প্রত্যাহ্বানগুলির বিরুদ্ধে এর সহনশীলতা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আরও পড়ুন: মোদির সভার আগেই বারুইপুরে অশান্তি, বিজেপির প্রচার গাড়িতে হামলার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

জেনারেল ম্যানেজার সুরক্ষা-সংক্রান্ত মূল মানদণ্ডগুলো পর্যালোচনা করেন এবং আধিকারিকদের তীক্ষ্ণ পর্যবেক্ষণ ও যথাসময়ে রক্ষণাবেক্ষণমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন। এই উপলক্ষে, জেনারেল ম্যানেজার বদরপুরে অবস্থিত নবনির্মিত সাব ডিভিশনাল ট্রেইনিং সেন্টার এবং আল্ট্রাসনিক ফ্লো ডিটেকশন (ইউএসএফডি) গবেষণাগার পরিদর্শন করেন। এই সুবিধাসমূহের লক্ষ্য হল রেলকর্মীদের প্রযুক্তিগত সক্ষমতা শক্তিশালী করা এবং রেললাইন পরিদর্শন ও ত্রুটি শনাক্তকরণ ব্যবস্থার কার্যকারিতা বৃদ্ধি করা।

২০২৫ সালে চালু হওয়া এই সংযোগটি আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থাকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করেছে এবং দেশের অবশিষ্ট অংশের সাথে মিজোরামের অর্থনৈতিক সংহতিতে অবদান রেখেছে। সাইরাং পর্যন্ত রেল সংযোগ চালু হওয়ার ফলে পর্যটন এবং রাজ্যের অর্থনীতিতে এক বিশাল গতি সঞ্চারিত হয়েছে। ভৈরবী পর্যন্ত বিদ্যমান অংশের সুরক্ষা ও দৃঢ়তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি এই বিস্তৃত নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ হিসেবে কাজ করে।

Post Comment

You May Have Missed