‘যে কেউ এসে খেতে পারতেন ওঁর বাড়ি’, নওয়াজুদ্দিনের কথার কী উত্তর দিলেন রাজপাল যাদব?

‘যে কেউ এসে খেতে পারতেন ওঁর বাড়ি’, নওয়াজুদ্দিনের কথার কী উত্তর দিলেন রাজপাল যাদব?

কলকাতা: রাজপাল যাদব (Rajpal Yadav) সদ্যই জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন। পরিবারের মানুষের বিয়ের কারণে তিনি জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার আবেদন করেছিলেন। কিন্তু সেই সময়ে তিনি জেল থেকে ছাড়া পাননি। ছাড়া পেয়েছিলেন কিছুটা পরে। এরপরেই তিনি পরিবারের বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দেন। আর জেল থেকে বেরনোর পরেই একাধিক সাক্ষাৎকারে নিজের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা, অভিনয়ের কথা বলেছেন রাজপাল যাদব। আর সেখানেই তিনি বলেছেন, নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি (Nawazuddin Siddiqui)-র কথা। 

রাজপাল যাদব জেলে যাওয়ার পরে, তাঁকে দেওয়া একাধিক সাক্ষাৎকার ভাইরাল হয়েছে। সেখানেই নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি তাঁকে নিয়ে একটি অজানা তথ্য দিয়েছিলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, রাজপাল যাদব নিজে লড়াই করে বলিউডে নিজের জায়গা তৈরি করে নিয়েছেন। সেই কারণে তিনি জানেন, লড়াই করে টলিউডে নিজের জায়গা করে নেওয়াটা কতটা কঠিন। সেই কারণে রাজপাল যাদব নিজের ঘরে ‘লঙ্গর’ খুলে রেখেছিলেন বলে উল্লেখ করেছেন রাজপাল। অর্থাৎ যে যখন তাঁর বাড়ি আসতেন, না খাইয়ে কাউকে ছাড়তেন না। তিনি বুঝতেন, মায়ানগরীতে খেতে পাওয়া ভীষণ জরুরি। আর এবার, সেই বিষয় নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতা রাজপাল যাদব।

তিনি সম্প্রতি দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেন, নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি বলেছিলেন, রাজপাল যাদবের বাড়িতে লঙ্গর রয়েছে, কিন্তু আদৌ সেই কথাটি সত্য না। রাজপাল যাদব যখন একটা সময়ে নিজের জায়গা তৈরি করার জন্য লড়ছিলেন, সেই সময়ে তাঁকে সাহায্য করেছিলেন নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকি। আর সেই কারণেই রাজপাল যাদব মনে করেন, এই সমস্ত কিছু তাঁর নয়। এ সমস্ত কিছু নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকির। তাঁরই খাবার, তাঁরই বাড়ি। রাজপাল যাদবের কথায়, ‘আমি আজ নিজের যে জায়গাটা তৈরি করেছি, সেটার জন্য অনেকেই আমায় সাহায্য করেছেন। তাঁদের সাহায্য ছাড়া আমি এই জায়গায় আসতে পারতাম না। আমি কাউকে খারাপ লাগাতে চাই না। আমি কেবল বলতে চাই, যাঁরা যাঁরা আমায় সাহায্য করেছেন, নিজের পায়ে দাঁড়াতে সাহায্য করেছেন, তাঁদের আমার তরফ থেকে শুধুই ধন্যবাদ।

প্রসঙ্গত, রাজপাল যাদব জেল থেকে বেরিয়ে, বন্দীদের জন্য একটি দাবি জানিয়েছেন। তাঁর দাবি, যে সমস্ত বন্দিরা জেলে থাকে, তাঁদের জন্য একটি বিশেষ সুবিধা দেওয়া উচিত। তাঁর মতে, জেলে বন্দিদের জন্য একটি স্মোকিং এরিয়া বা ধূমপান করার জায়গা থাকা উচিত। রাজপাল যাদব বলেছেন, তিনি নিজে ধূমপান ছাড়ার অনেক চেষ্টা করেছেন, তবে তিনি পারছেন না। তাঁর মতে রেলওয়ে স্টেশন থেকে শুরু করে বিমানবন্দর, সব জায়গাতেই একটি করে স্মোকিং জোন থাকা উচিত। রাজপাল যাদবের দাবি, তিনি কখনোই ধূমপানকে সমর্থন করছেন না, তবে এটি একটি ভাল ব্যবসা। দেশে এতে প্রচুর বিক্রি হয়, দেশের ব্যবসা ও হয়। সেই কারণে যে সমস্ত বন্দিরা ধূমপান করেন, তাঁদের জন্য জেলের মধ্যেই ধূমপান করার জন্য আলাদা জায়গা থাকা উচিত।

Previous post

কলকাতায় বসে বড়স়ড় নাশকতার ছক? পশ্চিমবঙ্গে সক্রিয় মডিউল ! ‘অভিযুক্ত লস্কর-ই-তৈবার হ্যান্ডলার..

Next post

Bangladesh President: ‘সংবিধান মানেননি ইউনূস, প্রাসাদবন্দি করে ফেলা হয়েছিল আমাকে’, বিস্ফোরক দাবি রাষ্ট্রপতির

Post Comment

You May Have Missed