Fire Crackers: উৎসবের মুখে পুলিশের ‘অলআউট অ্যাকশন’! গোপন ডেরায় হানা দিতে উদ্ধার বিপুল শব্দবাজি, জালে অভিযুক্তরা
Last Updated:
Fire Crackers: উৎসবের মরশুমের আগে পুলিশের বড়সড় অভিযান! উদ্ধার হল বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ শব্দবাজ। রুজু হয়েছে মামলা, তদন্তে পুলিশ। ঝটিকা অভিযানে বিপুল পরিমাণ বিপজ্জনক আতশবাজি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। অত্যন্ত গোপনে ও পরিকল্পনামাফিক অভিযানটি চালানো হয়।
সৈকত শী, তমলুক: নিষেধাজ্ঞাকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে মজুত করা হয়েছিল নিষিদ্ধ ও বিপজ্জনক সব শব্দবাজি। আর ঠিক উৎসবের মরশুমের আগে সেই বেআইনি কারবারের বিরুদ্ধে এক বড়সড় ও সফল অভিযানে নামল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পুলিশের তমলুক থানা। গোপন সূত্রের নিখুঁত খবরের ভিত্তিতে চালানো এই ঝটিকা অভিযানে পুলিশ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক এবং আতশবাজি উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে, যা স্থানীয় এলাকায় অবৈধ বাজি মজুতকারীদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
তমলুক থানার অধীনস্থ দক্ষিণ চড়া শঙ্করাড়া এলাকায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালিত হয়। সম্পূর্ণ পরিকল্পনা অনুযায়ী পরিচালিত এই অভিযানে নেতৃত্ব দেন সাব-ইন্সপেক্টর (SI) অমিত প্রামাণিক এবং লেডি সাব-ইন্সপেক্টর (LSI) আফরোজা খাতুন। পুলিশ বাহিনীর এই দল অত্যন্ত পেশাদারিত্ব ও তৎপরতার সঙ্গে নির্দিষ্ট সন্দেহভাজন জায়গাগুলিতে তল্লাশি চালায় এবং বেআইনিভাবে লুকিয়ে রাখা বিপুল বাজি বাজেয়াপ্ত করে।
পুলিশের এই অভিযানে উদ্ধার হওয়া সামগ্রীর তালিকা বেশ দীর্ঘ ও আতঙ্কজনক। এর মধ্যে রয়েছে জনপ্রিয় ও বিপজ্জনক জল ফটকা, বিভিন্ন নামী-বেনামী চকলেট বোমা, বিশালাকার গাছ বোমা, পাট ফটকা, চটপটি বোমা, লঙ্কা ফটকা এবং বর্ণময় রংমশাল। সব মিলিয়ে অভিযানে মোট ৪৭৪ প্যাকেট বিভিন্ন ধরনের বাজি এবং ২৮টি শক্তিশালী গাছ বোমা উদ্ধার করা হয়েছে, যা জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মজুত থাকলে মারাত্মক দুর্ঘটনার কারণ হতে পারত।
উদ্ধার হওয়া এই সমস্ত বেআইনি ও বিস্ফোরক সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করার পর তমলুক থানায় একটি নির্দিষ্ট মামলা রুজু করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় জড়িত বা এর নেপথ্যে থাকা চক্রের শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে এবং আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। সাধারণ মানুষের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করতে এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে পুলিশের এই ধরনের কড়া নজরদারি ও অভিযান ভবিষ্যতেও লাগাতার জারি থাকবে।

Post Comment