Eco Friendly Food Business: সপ্তাহের একদিনেই বাজিমাত, ‘এই’ সুপারহিট আইডিয়া বদলে দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের ভাগ্য! কীভাবে লাফিয়ে বাড়ছে আয়? আপনিও জানুন

Eco Friendly Food Business: সপ্তাহের একদিনেই বাজিমাত, ‘এই’ সুপারহিট আইডিয়া বদলে দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের ভাগ্য! কীভাবে লাফিয়ে বাড়ছে আয়? আপনিও জানুন

Last Updated:

Eco Friendly Food Business: জৈব চাষিদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে শিলিগুড়ির চার্চ রোডের ‘সানডে হাট’। গত আট বছর ধরে প্রতি রবিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টা পর্যন্ত আয়োজিত হয় এই হাট। সেখানে স্থানীয় জৈব চাষিরা নিজেদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফল ও শস্য সরাসরি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করছেন। এর ফলে কৃষকরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন, সাধারণ মানুষও বিষমুক্ত পণ্য কেনার সুযোগ পাচ্ছেন।

+

সাপ্তাহিক এই হাট বাড়তি লাভের মুখে দেখাচ্ছে কৃষকদের

শিলিগুড়ি, ঋত্বিক ভট্টাচার্য: রাসায়নিক সারের ভিড়ে জৈব চাষের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা আজ বড় চ্যালেঞ্জ। উৎপাদন খরচ বেশি হওয়ায় অনেক জৈব চাষিই তাঁদের পণ্যের ন্যায্য দাম পান না, আবার সঠিক বাজারের অভাবেও সমস্যায় পড়েন। সেই পরিস্থিতি বদলাতে গত আট বছর ধরে শিলিগুড়ির চার্চ রোডে প্রতি রবিবার বসছে সানডে হাট, যা আজ উত্তরবঙ্গের জৈব চাষিদের অন্যতম নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম হয়ে উঠেছে। সকাল ১০টা থেকে দুপুর ৩টে পর্যন্ত বসা এই হাটে শিলিগুড়ি, দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, কোচবিহার-সহ বিভিন্ন জেলার জৈব চাষিরা নিজেদের উৎপাদিত শাকসবজি, ফল, শস্য ও অন্যান্য সামগ্রী সরাসরি ক্রেতাদের হাতে তুলে দেন।

এর ফলে মধ্যস্বত্বভোগীর ভূমিকা কমেছে, কৃষকেরা ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন এবং ক্রেতারাও নিশ্চিত হচ্ছেন যে তাঁরা প্রকৃত জৈব পণ্য কিনছেন। এই উদ্যোগ শুধু একটি বাজার তৈরি করেনি, তৈরি করেছে কর্মসংস্থানের নতুন দিশাও। প্রতি রবিবার নতুন নতুন জৈব চাষি ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা এখানে যুক্ত হচ্ছেন। একদিনের এই হাট থেকেই সারা বছরের জন্য ক্রেতাদের সঙ্গে তাঁদের যোগাযোগ তৈরি হচ্ছে, যা তাঁদের ব্যবসা ও আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এই উদ্যোগে সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে ভুটান আউটলেট।

আরও পড়ুন: বাইক-সরঞ্জাম ফেলেই চম্পট, অরণ্য সপ্তাহের মাঝেই ব্যবসায়ীর কুকর্ম! ‘রেগে লাল’ সংগঠনের সদস্যরাও

সেখানে ভুটানের অর্গানিক লাল চাল, মধু, ঘি, মসলা-সহ একাধিক ঐতিহ্যবাহী শুকনো খাদ্যপণ্য পাওয়া যাচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন স্থানীয় জৈব চাষিদের পণ্য জনপ্রিয় হচ্ছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষও ভুটানের অর্গানিক পণ্যের স্বাদ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। সানডে হাটের সদস্য সংযুক্তা বসু জানান, তাঁদের মূল লক্ষ্য জৈব চাষিদের জন্য একটি স্থায়ী প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা, যাতে তাঁরা তাঁদের উৎপাদিত পণ্যের সঠিক মূল্য পান এবং আরও বেশি মানুষ জৈব কৃষির সঙ্গে যুক্ত হতে উৎসাহিত হন। নতুন জৈব চাষি ও উদ্যোক্তাদেরও এই উদ্যোগে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

তাঁর কথায়, “জৈব কৃষিকে বাঁচাতে হলে আগে জৈব চাষিকে বাঁচাতে হবে, আর সেই লক্ষ্য নিয়েই এগিয়ে চলেছে সানডে হাট।” আজকের দিনে যখন রাসায়নিক নির্ভর কৃষির ভিড়ে জৈব চাষ ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে, তখন শিলিগুড়ির সানডে হাট শুধু একটি বাজার নয়, জৈব চাষিদের জন্য আশার আলো হয়ে উঠেছে। কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার পাশাপাশি নতুন উদ্যোক্তাদেরও একটি নির্ভরযোগ্য প্ল্যাটফর্ম দিচ্ছে এই উদ্যোগ। একই সঙ্গে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যের প্রতি সাধারণ মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে সানডে হাট, যা উত্তরবঙ্গে জৈব কৃষির ভবিষ্যৎকে আরও শক্তিশালী করে তুলছে।

বাংলা খবর/ খবর/ব্যবসা-বাণিজ্য/

Eco Friendly Food Business: সপ্তাহের একদিনেই বাজিমাত, ‘এই’ সুপারহিট আইডিয়া বদলে দিচ্ছে ব্যবসায়ীদের ভাগ্য! কীভাবে লাফিয়ে বাড়ছে আয়? আপনিও জানুন

Previous post

ভেঙেছে স্বাস্থ্য, গুরুতর অসুখে ভুগছেন সলমন খান? ছবি ভাইরাল হতেই প্রমাণ দিতে ‘ভাইজান’ যা করলেন..

Next post

‘ব্যাট দিয়েই সব সমালোচনার জবাব দিয়েছে’, রোহিতকে দরাজ সার্টিফিকেট প্রাক্তন পাক ক্রিকেটারের

Post Comment

You May Have Missed