স্কুল থেকে মিড-ডে মিলের চাল পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে কারা? নামখানার স্কুলে চাঞ্চল্য

স্কুল থেকে মিড-ডে মিলের চাল পাচারের অভিযোগ, নেপথ্যে কারা? নামখানার স্কুলে চাঞ্চল্য

দক্ষিণ ২৪ পরগনা : রাজ্যে পালা বদলের পর একের পর এক বিষয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। একাধিক ক্ষেত্রে কমিটি বদল হয়েছে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য, সর্বত্রই চলছে কড়া নজর। আর এমনই এক আবহে মিড-ডে মিল বিতর্কের আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার স্কুলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। 

আরও পড়ুন, বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপের আশঙ্কা, একটু পরেই ভারী বৃষ্টি এই জেলাগুলিতে, সতর্কতা জারি IMD-র

মিড-ডে মিল বিতর্কের আবহে দক্ষিণ ২৪ পরগনার নামখানার স্কুলে চাঞ্চল্য

মূলত, নামখানার দ্বারিকনগর স্কুল থেকে চাল পাচারের অভিযোগ উঠেছে। স্কুল থেকে ভ্যানে করে প্রায় ১৫ কুইন্টাল চাল পাচারের অভিযোগে তুমুল উত্তেজনা ছড়িয়েছে। চাল সুদ্ধ ভ্যান চালক ও রেশন ডিলারকে আটক করে নামখানা থানার পুলিশ। চাল পাচারের নেপথ্যে কারা? জানতে স্কুল কর্তৃপক্ষকে তলব করল এবার পুলিশ। 

একাধিক দুর্নীতির মধ্যে মিড মিল দুর্নীতি একটি অন্যতম

২৫ সালে পূর্বতন সরকারের সময় একাধিক দুর্নীতির মধ্যে মিড মিল দুর্নীতি একটি অন্যতম। বাস্তবে যত পড়ুয়া মিড ডে মিল খায়, তার চেয়ে সংখ্যা অনেক বেশি দেখিয়ে মিড ডে মিল খাতে বরাদ্দ সরকারি অর্থ তছরুপের অভিযোগ উঠেছিল বাঁকুড়ার গঙ্গাজলঘাটির লছমনপুর পরমহংস যোগানন্দ বিদ্যাপীঠে। অভিভাবকদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে মিড ডে মিল খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে নিয়েছিলেন প্রধান শিক্ষক। যদিও টাকা তছরুপের অভিযোগ মানতে চাননি তিনি।

মিড ডে মিল খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়

বেশি পড়ুয়া দেখিয়ে মিড ডে মিল খাতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের কথা স্বীকার করে নিলেও তছরুপের অভিযোগ মানতে চাননি প্রধান শিক্ষক প্রকাশচন্দ্র পণ্ডা। তাঁর দাবি ছিল, ‘তছরুপের কোনও অভিযোগ সত্য নয়। যেটা বাড়ানো হয়েছিল, বিভিন্ন খাতে খরচ করার জন্য বাড়ানো হয়েছিল। মিড ডে মিল বাবদ যে টাকা পাওয়া যায়, সেই টাকায় বাচ্চাদের খাওয়ানো যায় না। এই জন্য কিছুটা বাড়ানো হয়েছিল। সেটা বিভিন্ন খাতে কাজে লাগানো হয়েছে। যেমন সরস্বতী পুজোয় খিচুড়ি খাওয়ানো,  (স্কুলে প্রতিষ্ঠা দিবসে) খাওয়ানো, টিচার্স ডে-তে খাওয়ানো। নিয়ম নেই, কিন্তু আমাদের স্বার্থে করতে হয়।’

“..পুরোপুরি নিষিদ্ধ”

প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ, স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশের চাপে সকুলে ম্যানেজিং কমিটি তৈরি করা যায়নি। যদিও শাসক শিবিরের তরফে সেই অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দ্রুত টাকার হিসেব না পেলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন অভিভাবকরা। গঙ্গাজলঘাটি দক্ষিণ সার্কেলের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক মহাদেব মাইতি বলেছিলেন,”মিড ডে মিলের টাকা বাড়িয়ে কখনোই এগুলো করা যায় না। এগুলো পুরোপুরি নিষিদ্ধ। কত পেয়েছি আর কত খরচ করেছি, সেটা যদি মিলে যায়, তাহলে ভাল, যদি না মেলে উনি আর্থিক তছরুপের দায়ে অভিযুক্ত হবেন।”

Previous post

৪১ বছর বয়সে গোল রোনাল্ডোর, ক্রোয়েশিয়াকে হারিয়ে পর্তুগালের ইতিহাস গড়ার পথে নতুন রেকর্ড

Next post

IMD Weather Forecast: অবশেষে স্বস্তি উত্তরে, উত্তাল দক্ষিণ! এগোচ্ছে নিম্নচাপ, বেলা বাড়লেই তুমুল ঝড়জলের কড়া সতর্কতা

Post Comment

You May Have Missed