Actress Death: ৯ মাস আগেই মৃ*ত্যু পাক নায়িকার! পচাগলা দেহের গন্ধ কেউ টের পায়নি? ক্রমশ জমাট রহস্য…
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: করাচির ফ্ল্যাটে পচাগলা দেহ উদ্ধার অভিনেত্রীর। পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, অভিনেত্রী হুমায়রার মৃত্যু ন’মাস আগেই হয়ে গিয়েছে। ২০২৪-এর অক্টোবর মাসে তার মৃত্যু হয়। চলতি বছরের ৮ জুলাই তাঁর ফ্ল্যাট থেকে একেবারে পচাগলা অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিস।
ন’মাস আগেই মৃত্যু:
উদ্ধারের পর হুমায়রার দেহ এতটাই পচন ধরে গিয়েছিল যে, মৃতদেহ চিহ্নিত করা তদন্তকারীদের পক্ষে দুস্কর হয়ে দাঁড়িয়েছিল। ডিআইজি সৈয়দ আসাদ রেজা জানিয়েছেন, হুমায়রার কলরেকর্ডে তার শেষ ফোন কল ২০২৪-এর অক্টোবরে পাওয়া গিয়েছে। এমনকী তার প্রতিবেশীরা জানিয়েছে, অভিনেত্রীকে শেষবার গত বছর সেপ্টেম্বর বা অক্টোবর মাসে দেখা গিয়েছে। কয়েক মাস আগেই অভিনেত্রী পরিবার, সোশ্যাল মিডিয়া এবং বাইরের জগত থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিল।
পুলিস কর্মকর্তা আরও জানান, ২০১৮ সালে হুমায়রা ওই ফ্ল্যাটে ভাড়া এসেছিলেন। কিন্তু ২০২৪ সালে তিনি ভাড়া দেওয়া বন্ধ করে দেন। যার ফলে বাড়িওয়ালা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ক্লিফটনে (সিবিসি) অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এবং তাঁর ফ্ল্যাটের বিদ্যুত্ কেটে দেয়। এমনকী অভিনেত্রীর ঘরে কোনও মোমবাতি পর্যন্ত পাওয়া যায়নি। আরেক পুলিস কর্মকর্তা জানিয়েছেন, হুমায়রার ফ্ল্যাটের সমস্ত খাবার পচে গিয়েছিল এবং কৌটো গুলি মরচে ধরেছিল।
এত মাস কেন কেউ বুঝতে পারেনি?
জানা গিয়েছে, ওই ফ্লোরে অন্য একটি ফ্ল্যাট ছিল যা ফাঁকা ছিল। তাই প্রতিবেশীদের নাকে কোনও গন্ধ আসেনি। যদিও ফেব্রুয়ারি ওই ফাঁকা ফ্ল্যাটের বাসিন্দারা ফিরে এলে গন্ধ ততদিনে প্রায় চলে যায়। পুলিস জানিয়েছে, হুমায়রার ফ্ল্যাটের বারান্দার দরজা খোলা ছিল। এই কারণেই এত মাস ধরে কারোর নাকে কোনও গন্ধ আসেনি।
আরও পড়ুন:TMC Leader Murder: গু*লির পর অগুনতি কো*প, ভাঙড়ের মাটি এখনও রক্তে ভিজে! আটক ২, ফুঁসছেন শওকত…
মৃত্যুর খবর কীভাবে সামনে আসে?
দীর্ঘদিন ভাড়া না দেওয়ার কারণে হুমায়রার বাড়িওয়ালা তার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। যার তদন্তে পুলিস এসে হাজির হয় হুমায়রার ফ্ল্যাটে। দরজার কড়া নাড়লে, কেউ সাড়া না দেওয়ায় পুলিস দরজা ভেঙে ঢোকে। এবং অভিনেত্রীর পচাগলা দেহ উদ্ধার করে।
অভিনেত্রীর ভাই:
অভিনেত্রীর মৃত্যুর খবর পর তার বাবা ডাঃ আসগর আলির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি সাফ জানিয়ে দেন যে, মেয়ের সঙ্গে তারা অনেক আগেই সম্পর্ক ছিন্ন করেছেন। তাই তার মৃতদেহ নিয়ে তারা গ্রহম করবেন না। তবে এখন হুমায়রা ভাই নাভিদ আসগর করাচিতে এসে মৃতদেহ শনাক্ত করেছেন।
ভাই নাভিদ জানান, হুমায়রা প্রায় সাত বছর আগে লাহোর থেকে করাচি চলে আসেন এবং পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়। মাঝেমধ্যে দেখা করলেও, গত দেড় বছর ধরে তিনি একেবারেই বাড়ি আসেননি।
(দেশ, দুনিয়া, রাজ্য, কলকাতা, বিনোদন, খেলা, লাইফস্টাইল স্বাস্থ্য, প্রযুক্তির টাটকা খবর, আপডেট এবং ভিডিয়ো পেতে ডাউনলোড-লাইক-ফলো-সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের App, Facebook, Whatsapp Channel, X (Twitter), Youtube, Instagram পেজ-চ্যানেল)



Post Comment