৬০ পার করে স্বাস্থ্য বিমা করছেন? তবে শুধু প্রিমিয়াম নয়, খেয়াল রাখুন এই বিষয়গুলোও

কলকাতা: বয়স ৬০ পেরিয়ে গেলে স্বাস্থ্য বিমার প্রয়োজনীয়তা অনেকটা বেড়ে যায়। তবে এই বয়সে কেউ যদি স্বাস্থ্য বিমা কেনেন, তবে তার প্রিমিয়াম অনেকটা বেশি হতে পারে। তাই কম প্রিমিয়ামের পলিসি যদি কেউ বেশি বয়সে বেছে নেন, তবে সেই পলিসির সব শর্তগুলো ভাল ভাবে দেখে নেওয়া দরকার। কারণ, এমন হলে অনেক সময় হাসপাতালে ভর্তির ক্ষেত্রে দেখা যায় পলিসিতে এমন কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে, যার কারণে চিকিৎসার বড় একটা খরচ নিজের পকেট থেকে দিতে হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলেন স্বাস্থ্য বিমা কেনার আগে বেশ কিছু বিষয় দেখে নেওয়া দরকার।                   

আরও পড়ুন: “একজন জেলে চলে গিয়েছে, বড় চোর যাবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই”, মঞ্চ থেকে নাম না করে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

ডায়াবিটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের মতো প্রি এক্সিসটিং রোগ থাকলে ওই চিকিৎসার খরচ কভার হতে কতদিন অপেক্ষা করতে হবে, তা জেনে নিন। এই সময়সীমা পলিসিভেদে আলাদা হতে পারে। কোনও কোনও পলিসিতে হাসপাতালের ঘরের ভাড়ার উপর নির্দিষ্ট সীমা থাকে। সেই সীমার বেশি খরচের ঘর নিলে অতিরিক্ত টাকা নিজের পকেট থেকে দিতে হতে পারে।               

Co-payment থাকলে চিকিৎসার খরচের একটি নির্দিষ্ট অংশ গ্রাহককে দিতে হয়। যেমন, ২ লক্ষ টাকার বিলের উপর ২০ শতাংশ Co-payment থাকলে গ্রাহককে দিতে হবে ৪০ হাজার টাকা। ছানি অপারেশন বা হাঁটু প্রতিস্থাপনের মতো চিকিৎসায় আলাদা আর্থিক সীমা রয়েছে কি না, তা যাচাই করুন। বিমার মোট কভারেজ বেশি হলেও নির্দিষ্ট চিকিৎসায় অর্থপ্রদানের সীমা থাকতে পারে।               

আরও পড়ুন: “একজন জেলে চলে গিয়েছে, বড় চোর যাবে, চিন্তার কোনও কারণ নেই”, মঞ্চ থেকে নাম না করে আক্রমণ মুখ্যমন্ত্রীর

এ ছাড়াও কাছাকাছি কোন হাসপাতালগুলিতে Cashless চিকিৎসার সুবিধা রয়েছে, তা দেখে নিন। পাশাপাশি Pre-authorisation, Reimbursement এবং জরুরি পরিস্থিতিতে ক্লেম করার নিয়মও বুঝে নেওয়া প্রয়োজন। স্বাস্থ্যবিমা কেনার সময় শুধু প্রিমিয়াম নয়, পলিসির কভারেজ, শর্ত ও কোন কোন পরিষেবা বাদ পড়ছে, সেটাও তুলনা করুন।               

Post Comment

You May Have Missed