বৃষ্টির মধ্যেও তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে মোদির সভায় জনজোয়ার

বৃষ্টির মধ্যেও তারকেশ্বরে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের অনুষ্ঠানে মোদির সভায় জনজোয়ার

Last Updated:

পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী রাজ্যবাসীকে প্রশ্ন করেন, ‘পরিবর্তন কেমন লাগছে’। সেই সঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে বাম এবং তৃণমূলকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন। পাশাপাশি ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন মোদি।

মোদিকে দেখতে জনজোয়ার
মোদিকে দেখতে জনজোয়ার

রাজ্যবাসীকে পশ্চিমবঙ্গ দিবসের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলার হাওয়ায় এখন সতেজতা রয়েছে৷ বাংলার কোনা কোনা থেকে সুগন্ধ পাওয়া যাচ্ছে৷ মনে হচ্ছে বাংলা শৃঙ্খলা মুক্ত হয়েছে৷ বাংলার গৌরবময় দিন ফিরে আসতে শুরু হয়েছে৷ আজকের অনুষ্ঠান বাংলার নতুন ভবিষ্যতের পথে এগিয়ে যাওয়ার সাক্ষী৷ বাংলার গ্রামে গ্রামে মানুষের হাসিমুখ দেখা যাচ্ছে৷ আপনাদের এই আনন্দের ভাগীদার হতে আমি এসেছি৷’

পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে ভাষণে কংগ্রেসের সঙ্গে বাম এবং তৃণমূলকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন। ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “যে ভাবনা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানোর জন্য লড়াই হয় স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গ দিবস আর সেই ভাবনাকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে, তুষ্টি করণের রাজনীতি করার চেষ্টা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গ দিবস নিয়ে ভাষণে কংগ্রেসের সঙ্গে বাম এবং তৃণমূলকে একসঙ্গে আক্রমণ করেন। ইতিহাস ভুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ করেন প্রধানমন্ত্রী। মোদি বলেন, “যে ভাবনা থেকে পশ্চিমবঙ্গকে বাঁচানোর জন্য লড়াই হয় স্বাধীনতার পর পশ্চিমবঙ্গ দিবস আর সেই ভাবনাকে ভুলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ইতিহাসের বিকৃতি করা হয়েছে, তুষ্টি করণের রাজনীতি করার চেষ্টা হয়েছে।

সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বোঝানোর দরকার আছে । কংগ্রেস ষড়যন্ত্রকারীদের সামনে মাথা নিচু করেছিল কিন্তু শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন । তাই বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড তৈরির লড়াই শুরু হয়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, মেঘনাথ সাহা, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়-সহ বাংলার অনেক প্রসিদ্ধ মানুষ এই লড়াইয়ের সঙ্গী হয়। মতুয়া ঠাকুর, পিয়ার ঠাকুর এই আন্দোলনে সামিল হন”।

সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ দিবসের গুরুত্ব বোঝানোর দরকার আছে । কংগ্রেস ষড়যন্ত্রকারীদের সামনে মাথা নিচু করেছিল কিন্তু শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় সেই ঘটনার প্রতিবাদ করেছিলেন । তাই বাঙালি হিন্দুদের হোমল্যান্ড তৈরির লড়াই শুরু হয়। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, মেঘনাথ সাহা, সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায়-সহ বাংলার অনেক প্রসিদ্ধ মানুষ এই লড়াইয়ের সঙ্গী হয়। মতুয়া ঠাকুর, পিয়ার ঠাকুর এই আন্দোলনে সামিল হন”।

পশ্চিমবঙ্গের ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “যখন গোটা ভারত বলেছিল বাংলাকে আলাদা করে দাও তখন গোটা বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করেছে। সেই মাটি আজ পশ্চিমবঙ্গের রূপ নিয়েছে। সেকারণে পশ্চিমবঙ্গ দিবস এর নামে আমরা শুধু একটা তারিখ মনে রাখছি না আমরা স্মরণ করছি আমাদের ইতিহাস। বাংলার জন্য আত্ম বলিদান দেওয়া মানুষদের সম্মান জানাচ্ছি”।

পশ্চিমবঙ্গের ভারতের সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রসঙ্গে মোদি বলেন, “যখন গোটা ভারত বলেছিল বাংলাকে আলাদা করে দাও তখন গোটা বাংলার মানুষ প্রতিবাদ করেছে। সেই মাটি আজ পশ্চিমবঙ্গের রূপ নিয়েছে। সেকারণে পশ্চিমবঙ্গ দিবস এর নামে আমরা শুধু একটা তারিখ মনে রাখছি না আমরা স্মরণ করছি আমাদের ইতিহাস। বাংলার জন্য আত্ম বলিদান দেওয়া মানুষদের সম্মান জানাচ্ছি”।

সেই সঙ্গে মোদির ভাষণে এই দিন উঠে আসে রাজ্যের উন্নয়নের প্রসঙ্গও। রাজ্যের উন্নয়ন নিয়ে তিনি বলেন, “নতুন আর গৌরব শালী ইতিহাস রচনা হচ্ছে বাংলায়। বিকাশের নতুন অভিযান শুরু হয়েছে বাংলায়। প্রথম সিপিআইএম পরে তৃণমূল যেভাবে গর্ত বানিয়েছে সেটাকে ভরাট করার জন্য ডাবল ইঞ্জিন সরকার দ্বিগুণ গতিতে কাজ করছে। আজ এই মঞ্চ থেকে রেল কৃষি মাছ পালন নিয়ে ৮২০ কোটি টাকার প্রকল্প উদ্বোধন হলো আজ। এই বিকাশের শুভেচ্ছা জানাই বাংলার মানুষকে”।

Modi

Post Comment

You May Have Missed