“বক্তব্য শুনতে বাধ্য নই”, কেন রাজ্যের নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এলেন কুণাল ঘোষ ?

“বক্তব্য শুনতে বাধ্য নই”, কেন রাজ্যের নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে এলেন কুণাল ঘোষ ?

কলকাতা : নব নির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েনটেশন কর্মসূচি থেকে বেরিয়ে গেলেন কুণাল ঘোষ। লোকসভার অধ্যক্ষের ডাকা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি। কিন্তু আমি তার বক্তব্য শুনতে বাধ্য নই। কারণ তৃণমূলকে ভাঙানোর জন্য সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে ওম বিড়লা। বিধানসভার অধ্যক্ষ যেভাবে বহিষ্কৃত একজনকে বিরোধী দলনেতা করেছেন, সেটা সংসশোদীয় রীতিনীতির পরিপন্থী। তাই ব্যক্তিগতভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে বেরিয়ে এলাম, বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষ।

আরও পড়ুন, এবার অভিষেকের বিরুদ্ধে নতুন মামলা দায়ের, কোন গুরুতর অভিযোগ তাঁর বিরুদ্ধে ?

“বক্তব্য শুনতে বাধ্য নই”

কুণাল ঘোষ বলেন, ‘এখানে মাননীয় লোকসভার স্পিকার, তার প্রতি আমাদের যথেষ্ট সম্মান আছে। কিন্তু তৃণমূলকে ভাঙার জন্য, বিজেপি সরকারকে যেভাবে মিসইউজ করেছে, খুব দুভাগ্যজনকভাবে লোকসভার স্পিকার, ব্রেকওয়ে গ্রুপকে, তিনি তাঁদেরকে এন্টারটেন করেছেন। পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায়, স্পিকারকে খুব ভাল লাগছে। স্পিকারকে শ্রদ্ধা করি, তাঁর চেয়ারকে সম্মান করি। কিন্তু তিনি যেভাবে অনৈতিকভাবে একটা বিরোধী দলকে, স্বীকৃত দেওয়ার একটা পদ্ধতি করলেন, যেভাবে বিধানসভায় আমাকে বলতে দিলেন না, এবং সেটা একটা সরকার এবং ..মিলেমিশে একটা তালিকা তৈরি করে দিলেন। ফলে আমার মনে হয়েছে আসা আমার কর্তব্য। যতক্ষণ বন্দেমাতরম, জনগণমন,প্রদীপ প্রজ্জলন, আমি একশোবার থাকবো। কিন্তু আমি কার কার বক্তব্য শুনবো কি শুনবো না, সেটা আমার বিষয়। রাজ্যসভার সদস্য ছিলাম। এর আর্ধেক আমার জানা। আমার নেতা হিসেবে, বিমান বন্দ্যোপাধ্যায় প্রাক্তন স্পিকার, তাঁকে তো আমি বিধানসভায় সবসময় পাচ্ছি। আমি শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের মতো বর্ষীয়ান নেতাকে পাচ্ছি। ফলে আমার শেখার থাকলে… বা গাইড করার থাকলে, আমাকে বিমানদা সবসময় গাইড করছেন। ওনাদের কাছ থেকে গাইডেন্স নিতে হবে, সেটার কোনও মানে হয় না।’

“অনেক কিছু শিখতে হয়”

অপরদিকে, নবনির্বাচিত বিধায়কদের ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে এদিন উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী , বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-সহ অন্য়ান্য এমএলএ-রা। এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন,”প্রথমবার যাঁরা বিধায়ক পদে আসেন, তাঁদের অনেক কিছু শিখতে হয়। এই ওরিয়েন্টেশন কর্মসূচিতে সেগুলো শিখতে হবে। এরাজ্যের পরিস্থিতি আগে এতটা খারাপ ছিল না। আগে ৩৪ বছর সব কিছু পার্টি অফিস থেকে হত। গত ১৫ বছরে যা ঘটেছে, তা বদলানোর চেষ্টা চলছে। বিগত সরকারের জমানায় প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী দলের কাউকে ডাকা হত না। এবার কিন্তু প্রশাসনিক বৈঠকে বিরোধী বিধায়কদেরও ডাকা হয়েছে। ‘

Previous post

Cyclonic Circulation: ধেয়ে আসছে তুমুল ঝড়-বৃষ্টি, উথাল-পাথাল হবে সমুদ্র! কাঁপছে সুন্দরবন, মৎস্যজীবীদের ৪ দিনের চরম হুঁশিয়ারি

Next post

পার্লে-জি বিস্কুটের ‘G’-এর আসল অর্থ জানেন? শীঘ্রই শেয়ার বাজারে আসতে পারে কোম্পানির IPO

Post Comment

You May Have Missed