নোটিস পেয়েও হাজিরা দিলেন না ২ CJP নেতা সৌরভ ও আশুতোষ, কোন পথে দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ ?
নয়াদিল্লি: গতকালই ককরোচ জনতা পার্টির দুই নেতার জামিন হয়। ককরোচ জনতা পার্টির শীর্ষ নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে জামিন দেয় আদালত। দিল্লির তিহাড় জেল থেকে ছাড়া পান তাঁরা। এদিকে গতকাল তিহাড় জেল থেকে বেরনোর পর জেলের গেটেই, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে হাজিরার নোটিস ধরায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। কিন্তু দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চে, শেষ অবধি হাজিরা দিলেন না ওই ২ ককরোচ জনতা পার্টির নেতা।
আরও পড়ুন, চোরবাগান বিপর্যয়ে মৃত্যুমিছিল, ঘটনাস্থলে কলকাতা পুলিশ ও 3D স্ক্যানার নিয়ে ফরেন্সিক টিম
মূলত, যন্তরমন্তরকে বিক্ষোভস্থল থেকে বাদ দেওয়ার পর যন্তরমন্তরে ঢুকে পড়েন ২ CJP নেতা। ১৩ অক্টোবর জাতীয় পতাকা হাতে গেট টপকে ঢুকেছিলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা।এরপর ঠিক তার পরদিনেই, ১৪ অক্টোবর থেকে সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কার ঠাঁই হয় তিহাড় জেলে। পাঁচ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত শেষে ফের হেফাজতের মেয়াদ বাড়ানো হয়। অবশেষে গতকাল, ৯ দিন পর গতকাল তিহাড় জেল থেকে ছাড়া পান ককরোচ জনতা পার্টির ওই ২ নেতা। এদিকে গতকাল জেল থেকে বের হবার সঙ্গে সঙ্গেই তাঁদেরকে নোটিস ধরানো হয়েছিল দিল্লি পুলিশের তরফে। কিন্তু নোটিস দেওয়া সত্বেও শেষ অবধি সৌরভ এবং আশুতোষ হাজিরা দিতে যাননি।
জেল থেকে বেরতেই ফের পুলিশের ডাক। ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস ও সহ-আহ্বায়ক আশুতোষ রাঙ্কাকে তলব করল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। যন্তর মন্তরে ১৩ অক্টোবরের বিক্ষোভ ঘিরে তদন্তে নতুন করে তলব করা হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির ওই ২ নেতাকে। যদিও এদিন হাজিরা দেননি তাঁরা।বুধবার জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন, আর তিহাড় জেল থেকে বাইরে পা রাখার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশের ডাক পেলেন সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা। বৃহস্পতিবার রাজৌরি গার্ডেনে দিল্লি পুলিশের অপরাধদমন শাখার অফিসে হাজিরার নির্দেশ দিয়ে,ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র ও সহ-আহ্বায়ককে ধরানো হয় নোটিস।কিন্তু সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কা দুজনেই হাজির হননি।
মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, হেনস্থা করছে, হেনস্থা। যেহেতু এই ছেলেমেয়েগুলি প্রশ্ন তুলেছে, রাজা তোর কাপড় কোথায়? বিজেপিকে নির্বাচনে জেতাতে, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগে এবং মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে তাঁর পদত্য়াগের দাবিতে, গত কয়েক দিন ধরেই দিল্লিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছিল ককরোচ জনতা পার্টি! এরই মধ্যে আচমকা অমিত শাহের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীনস্থ দিল্লি পুলিশ, যন্তর মন্তরকে আন্দোলনস্থলের তালিকার বাইরে রাখার নির্দেশিকা জারি করে। তারপর ১৩ অক্টোবর, বন্ধ যন্তর মন্তরের গেট টপকে ঢুকে পড়েন ককরোচ জনতা পার্টির আশুতোষ রাঙ্কা ও সৌরভ দাসরা। সঙ্গে ছিলেন আরও কয়েকজন। গেটের ভিতরে ঢুকে জাতীয় পতাকা নিয়ে স্লোগান দিতেও দেখা যায় তাঁদের।
CJP Protest in Delhi | জামিনে জেলমুক্তির পরেই দুই CJP নেতাকে নোটিস পাঠাল দিল্লি পুলিশ
Post Comment