ভয়ঙ্কর মৃত্যু ইনফ্লুয়েন্সারের, সরানো হল লাইভস্ট্রিম, ১৪ বছর বয়সে Stick Run গেম বানিয়েছিলেন
নয়াদিল্লি: হঠাৎ দাউ দাউ করে আগুন বাড়িতে। ভিতর থেকে উদ্ধার ইনফ্লুয়েন্সারের দেহ। যে সে ইনফ্লুয়েন্সার নন, জনপ্রিয় Stick Run গেমের স্রষ্টার ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হল। বয়স হয়েছিল মাত্র ৩০ বছর। তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ Twitch-এ গোটা ঘটনাক্রম সরাসরি সম্প্রচারিত হয়। ভিডিওয় দেখা যায়, সোফায় শুয়ে নিজেই আগুন ধরাচ্ছেন। সেই অবস্থাতেও মুখে হাসি ছিল তাঁর। (Manuel Otto)
জার্মান নাগরিক, জনপ্রিয় ইনফ্লুয়েন্সার ম্যানুয়েল ওট্টোর ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হয়েছে। Stick Run গেমের মুখপাত্র তাঁর মৃত্যুর খবরে সিলমোহর দিয়েছেন। গোটা ঘটনাক্রম যে সরাসরি সম্প্রচারিত হয়েছে এবং আত্মহত্যার তত্ত্ব যে উঠে আসছে, সেব্যাপারে সংস্থা পুরোপুরি ওয়াকিবহাল বলে জানিয়েছেন ওই মুখপাত্র। (Stick Run)
জার্মানির দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত বাভেরিয়ার একটি বাড়ি থেকে ম্যানুয়েলের ঝলসে যাওয়া দেহ উদ্ধার হয়। প্রতিবেশীরা দাউদাউ করে আগুন জ্বলতে দেখেন বাড়িতে। তাঁরা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। খবর দেওয়া হয় পুলিশকে। যত ক্ষণে ভিতরে ঢোকা সম্ভব হয়, তত ক্ষণে সব শেষ হয়ে গিয়েছে। Stick Run-এর তদারকি সংস্থার তরফে ফেসবুকে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘ভারাক্রান্ত হৃদয়ে আমাদের ক্রিয়েটর, ডেভলপার, ফেলো স্টিক রানার মার্ক-ম্যানুয়েল আলেকজান্ডার ওট্টোর মৃত্যুর খবরে সিলমোহর দিচ্ছি আমরা’।
ওই বিবৃতিতে আরও লেখা হয়, ‘শুধুমাত্র স্রষ্টাকে হারিয়ে ব্যথিত নই আমরা, যাঁর সৃষ্টি আমাদের জীবনের অংশ হয়ে উঠেছিল, তাঁকে হারিয়ে মর্মাহত আমরা। উনি প্রত্যেকের স্মৃতিতে থেকে যাবেন। স্টিক রানার খেলে যাঁরা বড় হয়েছেন, ওঁকে মনে রাখবেন সকলে’। যে Twitch প্ল্যাটফর্ম থেকে ঘটনাক্রম সরাসরি সম্প্রচারিত হয়, তারা ম্যানুয়েলের চ্যানেল থেকে ভিডিওটি তুলে নিয়েছে।
১৯৯৬ সালে জার্মানিতে জন্ম ম্যানুয়েলের। ২০১০ সালে, মাত্র ১৪ বছর বয়সে Stick Run গেমটি তৈরি করেন তিনি। ফেসবুকে একেবারে বিনামূল্যে গেম খেলার সুযোগ ছিল। মানুষের মতো দেখতে কাঠির আকারের একটি চেহারা মূল চরিত্র গেমের। বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে অবিরাম দৌড়ে যায় সে। একটি করে বাধা পেরনোর সঙ্গে সঙ্গে কয়েন এবং পয়েন্ট জমতে থাকে।
২০১৩ সালে একটি সাক্ষাৎকারে ম্যানুয়েল জানান, তিনি অ্যানিমেটেড ছবি দেখতে ভালবাসেন। সেই থেকেই ছোট ছোট স্কেচ আঁকতে শুরু করেন। একটা সময় পর ওই স্কেচ থেকেই ভিডিও গেম তৈরির কথা মাথায় আসে তাঁর। সেই মতো কাজে নেমে পড়েন।
যে সময় Stick Run বাজারে আসে, সেই সময় ফেসবুকে FarmVille-এর দাপট। তার পরও সকলের কাছে জনপ্রিয়তা পায় গেমটি। সবমিলিয়ে প্রায় ৪ কোটি ৩০ লক্ষ মানুষ Stick Run গেম খেলেছেন। শুধু ডেস্কটপে নয়, মোবাইলেও ওই গেমের প্রতি আসক্তি জন্মায় অনেকের।
Rajarhat News | রাজারহাটে একদিনে CPM ও Congress পার্টি অফিসে ভাঙচুর
Post Comment