Chorbagan Stampede: “ফটোশুট কম করে, রাজধর্ম পালন করুন”, চোরবাগান কাণ্ডে মুখ্য়মন্ত্রীকে কটাক্ষ কুণালের
ব্রতদীপ ভট্টাচার্য, কলকাতা: চোরবাগান সর্বজনীনে মৃতদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্য়মন্ত্রী। স্বজনহারা পরিবারকে সব রকমের সাহায্য়ের প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। ফটোশুট কম করে, রাজধর্ম পালন করুন। পাল্টা কটাক্ষ করেছেন কুণাল ঘোষ।
আরও পড়ুন, “পুরো দেশ আপনাদের সঙ্গে আছে..”, CJP-র শীর্ষ নেতা সৌরভ ও আশুতোষের জামিনে শুভেচ্ছা কেজরিওয়ালের
মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘দেখা করেছি। দেখুন ফিরিয়ে দিতে তো পারব না। বাকি যা কর্তব্য় করব। পরিবারগুলো আমাদের খুবই আপনজন।’মমতা তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘আজ যেহেতু চোরবাগান কমিটিতে পুরো বিজেপির মাথারা ভর্তি, সেই কারণে আজ আপনাকে ছুটে ছুটে ছুটে ছুটে গিয়ে মুখ বন্ধ করাতে হচ্ছে কিনা, এই প্রশ্ন তো সাধারণ মানুষের মধ্যে আসবে।’ গত শনিবার চোরবাগান সর্বজনীনে মৃত্য়ুমিছিলের ঘটনা গোটা রাজ্য়কে নড়িয়ে দিয়েছে। কাদের জন্য় এতগুলো প্রাণ চলে গেল? মূল দায়ী কারা? পুজো কমিটির প্রধান মাথারা কে কে ছিলেন? কাউকে আড়াল করার চেষ্টা হচ্ছে কি না। এই নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, চাপানউতোর, দাবি পাল্টা দাবি শুরু হয়েছে। এই আবহে মঙ্গলবারের পর, বুধবারও স্বজনহারা পরিবারের সঙ্গে দেখা করলেন মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আশ্বাস দিলেন পাশে দাঁড়ানোর। সবসময় পাশে থাকার।
মুখ্য়মন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, অনেক দায়িত্ব দিয়ে গেছি। এমনিতেই তো আমরা আর্থিক সাহায্য়, বাড়ির লোকদের চাকরির ব্য়বস্থা সেগুলো তো আমরা করবই। এর বাইরেও, ধরুন এই পরিবারে ‘হেলথ কার্ড’ হয়নি। মানে এরা (স্বজনহারা পরিবার) আয়ুষ্মানের এর মধ্য়ে পড়ছে না। মুখ্য়মন্ত্রীর স্কিমের যাতে কার্ড হয়, সেইজন্য় DM ম্য়াডামকে, SDO ম্য়াডামকে বলে গেছি। আবাসের বাড়ি দেওয়ার জন্য় বলে এসেছি। ওই বাড়িতে ওর মা (সন্তানহারা) তো মানে অত্য়ন্ত পাথর হয়ে গেছে। চিকিৎসার দরকার আছে। SDO-কে বলেছি, স্বাস্থ্য়কর্মী বাড়িতে দিয়ে দিতে এবং ওর মাকে (সন্তানহারা) আমি বুঝিয়েছি, আপনাকে কোনও কাজের মধ্য়ে থাকতে হবে।
মমতা তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র ও বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, ‘প্রকৃত রাজধর্ম পালন করুন। ফটোশ্যুটটা কম করবেন। যা ঘটেছে চোরবাগানে যদি আপনাদের মানুষকে ন্যায় বিচার দিতে হয়, আগে দখলদারি রাজনীতি করা যারা কমিটি, এই কমিটির উপর দিক থেকে যারা যারা আছে, আগে তাদের গ্রেফতার করুন। আমরা এই পরিবারগুলিকে টাকা দেওয়ার বিরুদ্ধে নই। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যখন এই কর্তব্যগুলো করেছিলেন, তখন আপনি এবং আপনারা বলেছিলেন, মুখ বন্ধ করতে টাকা দেওয়া হচ্ছে। সেই যুক্তি, যেটা আপনার যুক্তি, আপনাদের যুক্তি সেই যুক্তিটা আজ আপনার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না কেন?’ এবারের মতো মা চলে যাচ্ছে বলে বাঙালির মন খারাপ।আর যাদের পরিবারের সদস্য় চিরতরে চলে গেল, তাদের বিষাদ কোনওদিন ঘুঁচবে না।
Post Comment