দেখা করতে দেওয়া হয়নি পরিবারের সঙ্গে! নেশামুক্তি কেন্দ্রে আবাসিকের রহস্যমৃত্যু, মারধরের অভিযোগ

দেখা করতে দেওয়া হয়নি পরিবারের সঙ্গে! নেশামুক্তি কেন্দ্রে আবাসিকের রহস্যমৃত্যু, মারধরের অভিযোগ

Last Updated:

ডোমকলের নেশামুক্তি কেন্দ্রে আবাসিক গজলু সেখের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড়। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে দেহ।

ডোমকলের নেশামুক্তি কেন্দ্রে আবাসিক গজলু সেখের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড়। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে দেহ।
ডোমকলের নেশামুক্তি কেন্দ্রে আবাসিক গজলু সেখের রহস্যমৃত্যু ঘিরে তোলপাড়। ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে দেহ।

ডোমকল: নেশামুক্তি কেন্দ্রে এক আবাসিককে মারধর করে হত্যার অভিযোগ। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের ডোমকলের এক নেশামুক্তি কেন্দ্রে। নিহতের নাম গজলু সেখ। ডোমকল থানার ভগীরথপুরের বাসিন্দা।

পরিবারের অভিযোগ গত শুক্রবার বাড়ি থেকেই গজলু সেখকে বিনা অপরাধেই গ্রেফতার করে নিয়ে যায় ডোমকল থানার পুলিশ। পরিবারের দাবি গজলু সেখ আগে হেরোইনের নেশা করলেও বর্তমানে নেশা ছেড়ে দিয়েছিল। এরপর ওই ব্যক্তিকে পুলিশ এক নেশামুক্তি কেন্দ্রে পাঠিয়ে দেয়। অভিযোগ ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে গজলুর সঙ্গে পরিবারের কাউকে দেখা করতে দেওয়া হতো না। সিসিটিভি ফুটেজে দেখানো হতো কিংবা মোবাইলে ভিডিও পাঠানো হতো। সোমবার সকালে পরিবারে ফোন করে জানানো হয় শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যার কারনে অসুস্থ হয়ে পড়ায় গজলু সেখকে হাসপাতালে ভর্তি করা হচ্ছে। পরিবারের লোককে প্রথমে একটি নার্সিংহোমে ভর্তির কথা বলা হলেও পরে জানানো হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। খবর পাওয়া মাত্র ছুটে আসে পরিবারের লোকজন এবং গজলু সেখকে নিহত অবস্থায় দেখতে পায়। অভিযোগ এরপরেই নেশামুক্তি কেন্দ্রের সদস্যরা হাসপাতাল থেকে চলে যায়। কাউকে দেখা যায়নি। পরিবারে অভিযোগ ওই নেশামুক্তি কেন্দ্রে মারধর করে হত্যা করা হয়েছে।

শরীরে একাধিক আঘাতের চিহ্ন রয়েছে বলেও অভিযোগ। পুলিশ দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়। কিভাবে গজলু সেখ মারা গেল তা তদন্ত করে খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছে পরিবারের লোকেরা।

Post Comment

You May Have Missed