দময়ন্তী সেন অবশেষে উদ্ধার! কোথায় পাওয়া গেল বাংলার শ্যুটারকে? হাওড়া থানায় চলছে জিজ্ঞাসাবাদ
Last Updated:
Damayanti Sen Missing: টানা তিনদিন নিখোঁজ থাকার পর। শনিবার সকালে উদ্ধার করা হল বাংলায় রাইফেল শ্যুটার দময়ন্তী সেনকে। গত দু’দিন কোথায় ছিলেন? কী হয়েছিল তাঁর? কী জানা গেল?
হাওড়া: প্রায় ৭২ ঘণ্টার মাথায় উদ্ধার করা হল দময়ন্তী সেনকে। সূত্রের খবর হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর ঘাট থেকে পাওয়া যায় দময়ন্তীকে। এই মুহূর্তের তাঁর বাবার সঙ্গে হাওড়া থানায় রয়েছেন দময়ন্তী। সেখানেই চলছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ। ঠিক কী হয়েছিল? গত আটচল্লিশ ঘণ্টা কোথায় ছিলেন তিনি? সব প্রশ্নের উত্তর খুঁটিয়ে জানার চেষ্টা করছে পুলিশ। সূত্রের খবর, আজ সকাল সাতটা নাগাদ খুঁজে পাওয়া যায় দময়ন্তী সেনকে। এরপরেই তাঁর বাবা নিজে মেয়েকে নিয়ে পৌঁছন হাওড়া থানায়।
গত বৃহস্পতিবার থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ ছিলেন হাওড়ার প্রতিভাবান রাইফেল শ্যুটার। দময়ন্তী সেন নামে হাওড়ার ওই শুটারের বয়স ১৫ বছর বলে জানা গিয়েছে। মধ্য হাওড়ার ৩০/২ উমাচরন ভট্টাচার্য লেনের বাসিন্দা দময়ন্তী। জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছিল দময়ন্তী। নিয়মিত অনুশীলনও করত। বৃহস্পতিবার থেকেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। দময়ন্তীর মোবাইল ফোনটিও বাড়িতেই রয়েছে বলে জানিয়েছিল তার পরিবার। হাওড়া স্টেশনে প্ল্যাটফর্মে থাকা সিসিটিভি ফুটেজে তাকে শেষ দেখা যায়। দময়ন্তীর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন জানান, তাঁর মেয়ে জাতীয় দলে ট্রায়ালের সুযোগ পেয়েছে। ভাল সাফল্য পেয়েছে। প্রতিদিন সকালে তার মেয়ের অনুশীলন থাকে। বুধবার রাতে তাই তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়েছিল৷
উল্লেখ্য, গতকাল রাতেই নিখোঁজ বাংলার রাইফেল শুটার দময়ন্তীর সন্ধানে তৎপরতা বাড়ায় রাজ্য পুলিশ। তদন্তে গতি আনতে চার সদস্যের একটি বিশেষ দল (SIT) গঠন করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায় হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এবং চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট যৌথভাবে এই তদন্ত চালায়। দুই কমিশনারেটের অভিজ্ঞ অফিসারদের নিয়ে গঠিত বিশেষ দল দময়ন্তী সেনের সম্ভাব্য অবস্থান, গতিবিধি এবং নিখোঁজ হওয়ার নেপথ্যের কারণ খতিয়ে দেখে। এর মধ্যেই তদন্তে উঠে আসে দময়ন্তীর ডায়েরি।
১৬ জুলাই বৃহস্পতিবার প্রি-স্টেট প্রেসিডেন্ট কাপে অংশগ্রহণের কথাও ছিল, সেই মতো চলছিল প্রস্তুতি। আগের দিন ভাল অনুশীলন হয়েছে বলেও দময়ন্তী জানিয়েছিল তাঁর বাবাকে, তারপর বাবার কাছে রাতে পড়তেও বসে সে। কিন্তু সকালে উঠে কি এমন ঘটল, কোথায় কী ভাবে গেল তা বিন্দুমাত্র আঁচ করতে পারেননি পরিবার।
Kolkata,West Bengal

Post Comment