তৃণমূলে ভোট দিতে চাপ, শিবপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীকে মারধরের

তৃণমূলে ভোট দিতে চাপ, শিবপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীকে মারধরের

শিবপুর: গতকাল ভোট দিতে যাওয়ার পথে সাগরের শিবপুর এলাকায় বিজেপি কর্মীকে মারধরের অভিযোগ। মারধরের অভিযোগ ধবলাট গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সজল বারিক ও তাঁর অনুগামীদের বিরুদ্ধে। তৃণমূল কংগ্রেসে ভোট দেওয়ার জন্য ওই বিজেপি কর্মীকে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ওই বিজেপি কর্মী না রাজি হওয়ায় তাঁকে বেধড়ক মারধর হয়, দাবি বিজেপির। আহত বিজেপি কর্মীকে সাগর গ্রামীণ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে ইতিমধ্যেই। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেও কীভাবে এমনটা হল তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে।

আরও পড়ুন: হাওড়ায় জওয়ানদের ধাক্কায় বৃদ্ধের মৃত্যুর অভিযোগ, শীতলকুচির উদাহরণ টেনে আক্রমণে অভিষেক

আবার অন্যদিকে, বেহালায় উত্তেজনা ছড়িয়েছে। এখানে আবার তৃণমূল কর্মীকে মার খেতে হল। EVM লুঠের প্রতিবাদ করায়, ৪ তৃণমূল কর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে। মাথা ফাটল তৃণমূল নেতা ও কাউন্সিলরের স্বামীর। নাম অঞ্জন দাস। তাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে SSKM-এর উডবার্ন ব্লকে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় পর্ণশ্রী থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তৃণমূলের অভিযোগ, গতকাল ভোটদানের পর EVM লুঠ করতে আসে বিজেপি। তারই প্রতিবাদ করায় তৃণমূল নেতা সহ ৪ তৃণমূল কর্মীকে বেধড়ক মারধর করা হয়। যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপির কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

এদিকে, দ্বিতীয় দফার ভোটে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হল ভোট কেন্দ্রে ভোট দিতে এসে। যার জন্য আঙুল উঠল কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের দিকে। ভোট দেওয়ার পরেই হাওড়ায় বৃদ্ধের মৃত্যু। উদয়নারায়ণপুরের বলরামপুরে ভোটারের মৃত্যু হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ধাক্কাতেই মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। উদনারায়ণপুরে ভোটারের মৃত্যুতে অভিযোগ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। কেন্দ্রীয় বাহিনীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের মৃতের পরিবারের। বৃদ্ধের অন্য কোনও শারীরিক অসুস্থতা ছিল না বলেই দাবি পরিবারের। এলাকার স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি যে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা না কি ‘খুন’ করেছেন সেই বৃদ্ধকে। 

উল্লেখ্য, প্রথম দফার মতো দ্বিতীয় দফাতেও উপচে পড়ল ইভিএম! ভোট পড়ল ৯২.৩৫ শতাংশ। দ্বিতীয় দফার ভোটে যে কেন্দ্রের দিকে সবার নজর ছিল, সেই ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৮৬ দশমিক ৬৩ শতাংশ। পূর্ব বর্ধমানে সবচেয়ে বেশি ভোট পড়েছে। সেখানে মোট ৯৪ শতাংশের মত ভোট পড়েছে। স্বাধীনতার পরে রাজ্যে ভোটের শতকরা হার এবারই সবচেয়ে বেশি।

Previous post

ভোট মিটতেই বেহালায় ধুন্ধুমার, EVM লুঠের চেষ্টা ! বাধা দিতেই তৃণমূলের কপালে জুটল বেধড়ক মার, ফাটল

Next post

Dilip Ghosh: বিজেপি রাজ্যে কটা আসন পাবে? কোন দফতরের মন্ত্রী হতে চান? সম্ভাব্য মন্ত্রীসভা নিয়ে অকপট দিলীপ ঘোষ

Post Comment

You May Have Missed