তৃণমূলের নির্দেশ উড়িয়ে শুভেন্দুর প্রশাসনিক বৈঠকে হাজির ছয় তৃণমূল বিধায়ক, কল্যাণীতে গেলেন কে কে…?
Last Updated:
TMC: তৃণমূলের বিধায়কদের উপস্থিতি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক সভায়। আর তাতেই বেড়েছে জল্পনা। কী বলছেন বিধায়করা?
কলকাতা: মৌখিক নির্দেশ উড়িয়েই মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক বৈঠকে তৃণমূলের বিধায়করা। প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দেওয়া বিধায়কদের কার্যত সমর্থন অন্যান্যদের একাংশের। সূত্রের খবর পরিষদীয় দলের তরফে বিধায়কদের কোনও লিখিত নির্দেশ সরাসরি দেওয়া হয়নি। এমনকি বিধায়কদের দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপেও নেই কোনও নির্দেশ।দলীয় সূত্রে খবর, যে বিধায়করা প্রশাসনিক বৈঠকে যোগ দিয়েছেন তাদের সঙ্গে কথা বলবেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
প্রসঙ্গত গত সপ্তাহেই দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বঙ্গভবনে দেখা হতে বৈঠকে আসার জন্য বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর আজ বুরহানুল মুকাদ্দিম (লিটন), বীণা মণ্ডল, আনিসুর রহমান (বিদেশ), সুরজিত মিত্র (বাদল)-সহ একাধিক তৃণমূল বিধায়ক পৌঁছেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর প্রশাসনিক বৈঠকে। উপস্থিত রয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারও।
‘জনপ্রতিনিধি হিসেবেই এসেছি, এলাকার মানুষের উন্নয়নের স্বার্থে এসেছি’ বলে জানিয়েছেন সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। সূত্রের খবর, অন্যদিকে ঘনিষ্ঠ মহলে একাধিক বিধায়ক জানিয়েছেন, “কার ভরসায় যাব না? মানুষ ভোট দিয়ে জিতিয়েছেন। এলাকায় মানুষের কাজ করতে হবে। উন্নয়নে রাজনীতি হয় না।”
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যে সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদারের সঙ্গে দূরত্ব বাড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার সাংগঠনিক সভাপতির পদ থেকে তাঁর ইস্তফাপত্রও গ্রহণ করা হয়েছে দলের তরফে। বারাসত সাংগঠনিক জেলার নতুন সভাপতি করা হয়েছে তাপস চট্টোপাধ্যায়কে।
বস্তুত, বিধানসভা নির্বাচনে ভরাডুবির পর টালমাটাল তৃণমূল। দলে দলে রংবদলের দিকে ঝুঁকছেন কর্মী-সমর্থকরা। আবার প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে শুরু করেছেন নেতারাও। সেই আবহে আজ একাধিক তৃণমূলের বিধায়কের মুখ্যমন্ত্রীর প্রশাসনিক সভায় উপস্থিতিকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।
Kolkata,West Bengal




Post Comment