‘চুল, দাড়ি, গোঁফ কামিয়ে বোলপুর শহরে ঘুরব!’ বিজেপি-কে কত আসন পাওয়ার শর্ত দিলেন অনুব্রত?

‘চুল, দাড়ি, গোঁফ কামিয়ে বোলপুর শহরে ঘুরব!’ বিজেপি-কে কত আসন পাওয়ার শর্ত দিলেন অনুব্রত?

Last Updated:

বৃহস্পতিবার কেষ্ট ধরা দিলেন সম্পূর্ণ অন্য অবতারে, মুখে নেই কোনও ডায়ালগ, নেই বিরোধীদের প্রতি হুঙ্কার। মৃদু গলায় হাসিমুখে শুধু কেষ্ট বলেছিলেন, ‘আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর যুবরাজ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেমন চেয়েছিলেন, বাংলায় তেমনই শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে।’

ফের স্বমহিমায় অনুব্রত!
ফের স্বমহিমায় অনুব্রত!

ইন্দ্রজি রুজ, বীরভূম: প্রথম দফা ভোটের পরেই বিস্ফোরক অনুব্রত মণ্ডল। বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত জানিয়েছেন, গতকাল তাঁর দেওয়া বক্তব্যকে ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাঁর মন্তব্যের প্রকৃত অর্থ বিকৃত করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “যদি বিজেপি ২০০টি আসন পায়, তাহলে আমি আমার চুল, দাড়ি ও গোঁফ এক দিক থেকে কামিয়ে গোটা  বোলপুর শহর ঘুরব।” পাশাপাশি তাঁর দাবি, সিপিএম এবারের নির্বাচনে একটিও আসন পাবে না এবং তারা শূন্যতেই থেমে যাবে। তাঁর কথায়, “রয় বেঙ্গল টাইগার ঝাঁপিয়ে পড়েছে, তাই সবাই ভয়ে দূরে সরে পালাচ্ছে,”—এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি রাজনৈতিক পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেন।

বীরভূমের দোর্দণ্ডপ্রতাপ নেতা অনুব্রত মণ্ডল ওরফে কেষ্ট। আজ থেকে কয়েক বছর পিছিয়ে গেলে অনুব্রত মণ্ডলের এক-একটা ডায়লগ এবং হুঙ্কারে কেঁপে উঠত বীরভূম  জেলার তৃণমূল নেতৃত্বরা। লোকসভা, পৌরসভা অথবা বিধানসভা নির্বাচনে অনুব্রত মণ্ডলকে দেখা যেত একদম ‘দাবাং’ রূপে।

সেই কারণেই অনুব্রত মণ্ডলকে ২০২১ সালে বিধানসভা নির্বাচনে নজরবন্দি করেছিল নির্বাচন কমিশন। তবে সেই সময় নির্বাচন কমিশনের নজর এড়িয়ে দেদার ভোট করেছিল কেষ্ট। তবে চলতি বছর বিধানসভা নির্বাচনে অনুব্রত মণ্ডলের উপর আর নজর ছিল না নির্বাচন কমিশনের। একদিকে যখন সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতৃত্বরা ভোট নিয়ে ব্যস্ত, তখন সারাদিন অন্তরালেই কাটালেন কেষ্ট। লোকচক্ষুর আড়ালে বোলপুরের সেই তৃণমূল কার্যালয়েই ‘বন্দি’ হয়ে রইলেন তিনি। গোটা সময় তাঁকে ঘিরে থাকলেন জনা পাঁচেক তাঁর অনুগামী এবং কর্মী-সমর্থকরা।

Post Comment

You May Have Missed