কালীঘাট তৃণমূলের আর্জি খারিজ হাইকোর্টের, ”রক্ষাকবচ দেওয়ার জায়গা নেই

সৌভিক মজুমদার, কলকাতা: ক্যামাক স্ট্রিটের সাইনবোর্ড-বিতর্কে কোর্টে স্বস্তি পেল না ‘কালীঘাট তৃণমূল’। ‘এই মুহূর্তে কোনও অন্তর্বর্তী নির্দেশ দেওয়ার জায়গা নেই। বোর্ড ভাঙা হয়ে গেছে তাই এই মুহূর্তে রক্ষাকবচ দেওয়ার জায়গা নেই। কালীঘাট তৃণমূল’-এর মামলায় জানিয়ে দিলেন বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরী।  

আরও পড়ুন, “এত সাহস ! আর্টস হস্টেলের দেওয়ালে কিষেণজিকে রেড স্যালুট দেবেন”, যাদবপুর নিয়ে কড়া বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

কালীঘাট তৃণমূলের (Kalighat TMC) প্রথমে যে আর্জি ছিল, তাঁদের যে সাইনবোর্ড গতকাল পুরসভার তরফ থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে, সেটাকে পুনরায় আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দিতে হবে, এটা ছিল প্রথম আর্জি। সেই আর্জি এদিন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) তরফে খারিজ করা হয়েছে। তার কারণ মাননীয় বিচারপতির বক্তব্য হচ্ছে, একটা বিধিবদ্ধ সংস্থা, তাঁদের যে নিয়ম রয়েছে, সেই নিয়ম মেনে একটা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন, তার বাস্তবায়নে এখন সম্পন্ন হয়েছে। ফলে সেই কাজকে আর আগের অবস্থায় ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। এটা একটা প্রিম্যাচিওর একটা স্টেজ। এই স্টেজে তাঁদের আবেদনকে মান্যতা দেওয়া কলকাতা হাইকোর্টের তরফে সম্ভব নয়। কালীঘাট তৃণমূলের দ্বিতীয় যে আবেদন ছিল, সেই আবেদনে, তাঁদের যে বক্তব্য ছিল,  যেনও কলকাতা পুরসভা এবং অন্যান্য পুরসভা, ভবিষ্যতে বা আগামী দিনে, তাঁরা যেনও এই ধরণের কোনও পদক্ষেপ গ্রহণ না করে, এই নির্দেশ কলকাতা হাইকোর্টের তরফে দেওয়া হোক।’ সেই আবেদন কলকাতা হাইকোর্টের মাননীয় বিচারপতিরা খারিজ করেছেন। তার কারণ কলকাতা হাইকোর্টের বক্তব্য হল যে, এই ধরণের সার্বিক নির্দেশ দেওয়া, যে ভবিষ্যতে কোনও কারণে একটা ঘটনা ঘটতে পারে, সেই আশঙ্কা থেকে আগাম নির্দেশ দেওয়া, এইমুহূর্তে আইনত ঠিক হবে না। তৃতীয়ত, এবং শেষ যে আবেদন কালীঘাট তৃণমূলের তরফ থেকে দেওয়া হয়েছিল, সেখানে তাঁদের বক্তব্য ছিল, গতকাল যখন এই ঘটনা ঘটে, সেই সময় কলকাতা পুরসভার যে আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন, সেই আধিকারিকদের নাম এবং যে পুলিশ আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন, সেই পুলিশ আধিকারিকদের নাম, কলকাতা হাইকোর্টের কাছে দেওয়া হোক। তাঁরা এই আধিকারিকদেরও এই মামলায় পার্টি করতে চান বা যুক্ত করতে চান। ফলে সেই আবেদনও কলকাতা হাইকোর্টের তরফ থেকে খারিজ করা হয়েছে।ফলে মূল মামলার ক্ষেত্রে যে তিনটি আবেদন , কালীঘাট তৃণমূলের তরফ থেকে, কলকাতা হাইকোর্টের কাছে করা হয়েছিল, সেই তিনটি আবেদন প্রাথমিক পর্যায়ে খারিজ করা হয়েছে।

 

Post Comment

You May Have Missed