‘আজ বিকাল থেকে রটিয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে অ্যালার্ট করলাম’, কী নিয়ে সতর্কবার্তা মমতার ?
কলকাতা : প্রথম দফার ভোট শেষ। এবার দ্বিতীয় দফা। সেই উপলক্ষে জোরদার ভোট সব রাজনৈতিক দলের। এদিন সন্ধেয় যাদবপুরের যুব সংঘ ময়দানের (বারো ভূত মেলার মাঠ) জনসভায় যাদবপুর ও টালিগঞ্জের প্রার্থী যথাক্রমে দেবব্রত মজুমদার ও অরূপ বিশ্বাসের সমর্থনে জনসভা করেন তৃণমূল নেত্রী। সেই সভা থেকে ফের একবার সরব হলেন তিনি। নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে তিনি বলেন, “আজ বিকাল থেকে রটিয়েছে। মানে, এই ভ্যানিশ ওয়াশিং কমিশনের অফিস থেকে…বেঙ্গলের। কী রটিয়েছে ? প্রেসের কাছে খাওয়াচ্ছে। ওরা তো খাওয়ায়। আর প্রেস আমাকে বলে দেয়। প্রেস আমাকে বলল, দিদি জানেন এরকম বলছে। ৪টের পর থেকে নাকি এত গণ্ডগোল হবে। বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদায় কেউ আর ভোট দিতে বেরোতে পারবেন না। আমি সঙ্গে সঙ্গে সবাইকে অ্যালার্ট করলাম। নিজেই বলছে অশান্তি হবে। কেন অশান্তি হবে ? ২ লক্ষ পুলিশ থাকার পরেও। আর আমাদের গুলোও তো আছে। কিন্তু, আমাদের লোক একটাকেও রাখেনি। মানে, যাদের দিয়ে আমি কাজ করাতাম। এখন যারা আছে তারা ওদের লোক। তাতে আমার কিছু যায় আসে না। কারণ, ভোটটা পুলিশ দেবে না, মিলিটারিও দেবে, ভোটটা মানুষ দেবে।” Mamata Banerjee
সকাল থেকে প্রাথমিকভাবে সেঅর্থে অশান্তি না হলেও, বেলা গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গন্ডগোলের খবর আসতে শুরু করে। তবে, খুব বড় কোনও ঘটনা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে বিকালের দিকে কমিশন সূত্রে খবর পাওয়া যায়, মুর্শিদাবাদ, কোচবিহার, বীরভূম- এই তিন জেলায়, বিকেল চারটের পর ঝামেলা হতে পারে। মনে করা হয়, এলাকার দুষ্কৃতীরা বুথ জ্যামিং করতে এলাকা দখল নিতে পারে। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে তৈরি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেয় কমিশন। ভোটের শেষ লগ্নে পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না-চলে যায়, বারবার সতর্ক করে কমিশন। যে কোনও রকম দৌরাত্ম্য আটকাতে তৈরি হয়ে পড়ে বাহিনীও। যদিও বড় কোনও গণ্ডগোলের খবর সামনে আসেনি। এর পাশাপাশি এদিন ভাল ভোটও পড়েছে। যার জেরে দ্বিতীয় দফার ভোটপর্বের দিকেও নজর থাকবে রাজ্যবাসীর। মোটের উপর প্রথম পর্বের ভোট অল্প-বিস্তর অশান্তি ছাড়া শান্তিতেই মেটায়, দ্বিতীয় দফায় কী হয় সেদিকেই তাকিয়ে সকলে।



Post Comment