West Medinipur News: সবাইকে চমকে দেয় এই পুতুল, চা বিক্রেতা অভিজিৎ যা করছেন…
Last Updated:
হাতে একটি পুতুল নিয়ে দুটো চরিত্রে কথা বলতে হয়। একটি মনে হয় যেন পুতুল কথা বলছে। অভিজিৎ অনলাইন মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও দেখে এবং কলকাতার এক পরিচিত বন্ধুর থেকেই শিখেছেন এই বিশেষ শিল্প প্রদর্শন।
বেলদা, পশ্চিম মেদিনীপুর, রঞ্জন চন্দ: নেহাতই এক শখ, তবে ছোট থেকে নয়। সোশ্যাল মিডিয়া দেখেই ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে ইচ্ছে। আর যেমন ইচ্ছে তেমন কাজ। অনলাইন থেকে অর্ডার দেওয়া এক পুতুল। যে পুতুল নাকি কথা বলে! হ্যাঁ কথা বলে। সবার সঙ্গে আর সাধারণের মত কথা বলে। সবাই নামও দিয়েছে আপদ বলে। শুধু আপদ একজন নয়, রয়েছে আপদের বন্ধু বান্ধব। তবে এক যুবকের এমন সব পুতুল বন্ধু চমকে দেয় সবাইকে। তবে নেপথ্যে রয়েছে এক সুন্দর গল্প। পুতুল কথা বললেও আসলে পুতুলের কথা নয়।
পশ্চিম মেদিনীপুরের বেলদার বাসিন্দা পেশায় চা বিক্রেতা অভিজিৎ মাইতি। করোনার পর থেকে শুরু ভ্যারাইটি চায়ের দোকান। নতুন নতুন চায়ের এক্সপেরিমেন্ট যেমন করেন, তেমন স্যোশাল মিডিয়া দেখে শেখা কথা বলা পুতুল তার অনন্য ভাবনা ও ট্যালেন্ট। অভিজিতের সঙ্গে থাকা পুতুল নাকি কথা বলে। আদতে তা নয়, এটি আসলে একটি শিল্প। বাংলায় যা পরিচিত স্বরক্ষেপণ নামে বা ইংরেজিতে ভেন্ট্রিলোকুইজম। চায়ের দোকান সামলে স্যোশাল মিডিয়াতে ভিডিও দেখে শেখা কথা বলা পুতুলের কৌশল। কী এই কথা বলা পুতুল বা ভেন্ট্রিলোকুইস্ট? হাতে একটি পুতুল নিয়ে দুটো চরিত্রে কথা বলতে হয়। একটি মনে হয় যেন পুতুল কথা বলছে। অভিজিৎ অনলাইন মাধ্যমে বিভিন্ন ভিডিও দেখে এবং কলকাতার এক পরিচিত বন্ধুর থেকেই শিখেছেন এই বিশেষ শিল্প প্রদর্শন।
এরপর ধীরে ধীরে তার পরিচিতি বাড়তে থাকে। শুধু আপদের সৌজন্যে বাড়তে থাকে পরিচিতি। ছোট ছোট ছেলেমেয়েদের পাশাপাশি বড়দের কাছেও বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠে তার এই শিল্প চর্চা। না কোনও প্রথাগত শিল্পীর থেকে মিলেছে তালিম। সংসার চালাতে ছোট চায়ের দোকান ভরসা। চা বানাতে বানাতে, কিংবা অবসরে চলে তার অনুশীলন। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অনুষ্ঠানে তার কথা বলা পুতুলের প্রোগ্রামও করে অভিজিৎ।
তবে তার এই প্রতিভা চমকে দিয়েছে সকলকে। বিদেশি শিল্পীদের ভিডিও দেখে অনুপ্রাণিত। নিজেকে প্রতিদিন একটু একটু করে তৈরি করছে অভিজিৎ। নিজের অদম্য জেদ আর সাহস নিয়ে প্রতিদিন নিজের শিল্পের বিকাশ ঘটাচ্ছে। তার ভাবনা ও প্রতিভাকে সাধুবাদ জানিয়েছে সকলে।
Kolkata,West Bengal



Post Comment