Jute Cultivation: পাটের রেকর্ড দাম, হাসি ফুটল চাষিদের মুখে! ভাল লাভের আশায় সময়ের আগেই যে কাজ শুরু মুর্শিদাবাদে

Jute Cultivation: পাটের রেকর্ড দাম, হাসি ফুটল চাষিদের মুখে! ভাল লাভের আশায় সময়ের আগেই যে কাজ শুরু মুর্শিদাবাদে

Last Updated:

Jute Cultivation: আবহাওয়া বদলের জেরে ফলন কম হওয়ার আশঙ্কা থাকলেও, বর্তমানে বাজারে পাটের দাম আকাশছোঁয়া। লোকসান এড়াতে এবং বাড়তি উপার্জনের আশায় মুর্শিদাবাদের বিস্তীর্ণ এলাকার চাষিরা নির্ধারিত সময়ের আগেই পাট কেটে জাক দিতে শুরু করেছেন।

+

মুর্শিদাবাদের হরিহরপাড়ায় চাষিরা মাঠ থেকে কাটা পাট এনে জলাশয়ে জাক দিচ্ছেন

মুর্শিদাবাদ, কৌশিক অধিকারী: পাটের বাজারদর বর্তমানে বেশ চড়া। প্রতি কুইন্টাল পাট ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সেই বাড়তি লাভের আশায় মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকার কৃষকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই পাট কেটে জাক দিতে শুরু করেছেন।

কৃষকদের দাবি, বর্তমানে ধীরে ধীরে বৃষ্টি শুরু হয়েছে। বর্ষা নামতেও শুরু করেছে। ফলে বর্তমানে পাট কাটলে বাজারে এত ভাল দাম নাও মিলতে পারে। তাই বর্তমান উচ্চমূল্যের সুযোগ কাজে লাগাতে আগে ভাগেই পাট কেটে জাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁরা। হরিহরপাড়া ব্লকের খিদিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের বারুইপাড়া এলাকায় দেখা যায়, একাধিক কৃষক মাঠ থেকে পাট কেটে এনে জাক দিচ্ছেন। ভাল দামের আশায় তাঁদের এই আগাম উদ্যোগ এলাকায় বিশেষভাবে নজর কেড়েছে। কৃষকদের আশা, বাজারে পাটের বর্তমান দর বজায় থাকলে এ বছর পাট চাষ থেকে ভাল লাভের মুখ দেখবেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: পকেটে মাত্র ২০০০ টাকা, সঙ্গী সাধারণ সাইকেল! অদম্য জেদে ভারত ভ্রমণে হাওড়ার বাউড়িয়ার জিৎ, উদ্দেশ্য মহৎ

চাষিদের কথায়, ‘‘আবহাওয়া ক্রমশ বদলে যাচ্ছে। এ বারে বৃষ্টির অভাবে পাট চাষ খারাপ হয়েছে। পাটের উৎপাদনও কমবে। তার উপরে এখনও বৃষ্টির ঘাটতি থাকায় পাট পচানো নিয়ে দুশ্চিন্তা থেকেই যাচ্ছে। তাই কুইন্টাল পাট ১৭ থেকে ১৮ হাজার টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। সেই বাড়তি লাভের আশায়  কৃষকরা নির্ধারিত সময়ের আগেই পাট কেটে জাক দিতে শুরু করেছেন। বর্ষাকালে পাট কেটে চাষিরা নদী, নালা, খাল, বিল, ডোবায় জাক দেন যা পাট পচানো হয়। এর জন্য দরকার হয় বিপুল পরিমাণ জল। বর্ষাকালে ভাল বৃষ্টি হলে তবেই সেটা সম্ভব। আর তাই টানা বৃষ্টিতে পুকুর, জলাশয়ে জল জমতেই মুখে হাসি পাট চাষিদের। যদিও চলতি বছর বর্ষার শুরুতে তেমন একটা বৃষ্টি না হ‌ওয়ায় আশঙ্কায় ভুগছিলেন চাষিরা। কিন্তু এবার পরিস্থিতি বদলানোয় তাঁরা খুশি। নবগ্রাম ব্লকের বিস্তীর্ণ গ্রামীণ এলাকাজুড়ে চাষিদের ব্যস্ততা এখন তুঙ্গে। সকলেই পাট গাছ কেটে তা চাষের মাঠে জমা জলে ডুবিয়ে পচানোর কাজে ব্যস্ত। হরিহরপাড়া থেকে নবগ্রাম বিভিন্ন জায়গায় দেখা গেল কৃষকরা পাট পচানোর পর আঁশ ছাড়াতে ব্যস্ত। পাট চাষ করতে বিঘায় ছয় থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হয়। সাধারণত ২৩-২৫ দিনের মতো সময় লাগে পাট পচতে। তারপর সেটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন জুট মিলে পাঠানো হয়।

Previous post

‘রেজোলিউশন বুক শোভনদেববাবুর বাড়িতে কেন? ওঁর বাড়িটা তো পার্টি অফিস নয়’, বিস্ফোরক সন্দীপন

Next post

West Bengal Weather Update: বজ্রপাতের মেগা আশঙ্কায় কাঁপছে দক্ষিণ, উত্তরে বৃষ্টির তোড়ে নাকাল জীবন, রইল ওয়েদার আপডেট

Post Comment

You May Have Missed