Indranil Sen: বাগানবাড়ি ‘মোহরে’ ১২ ঘণ্টা তল্লাশির পরে…‘দুর্গাপুজোর দুর্নীতি’ কাণ্ডে এবার তলব! নথিপত্র নিয়ে ইন্দ্রনীল সেনকে ডেকে পাঠাল ইডি
Last Updated:
Indranil Sen: একইসঙ্গে ইন্দ্রনীল সেনের কসবার বাড়ি, তার আত্মীয়দের বাড়িতেও অভিযান চালিয়েছে ইডি।প্রায় দীর্ঘ ১২ ঘন্টা তল্লাশি চালানোর পর বেরিয়ে গেল, ইডির আধিকারিকরা। বেরোনোর সময় গ্রামবাসী ও বেশ কিছু বিজেপি কর্মীরা বিক্ষোভ করে প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনকে গ্রেফতারের দাবিতে।
কলকাতা: ইউনেস্কোর (UNESCO) নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোর ভুয়ো পাস ও প্রিভিউ শো-এর টিকিট৷ আর সেই টিকিট বিক্রি করে কোটি কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন এবং তাঁর স্ত্রীর সংস্থা ‘মাস-আর্টে’র বিরুদ্ধে৷ মঙ্গলবার দিনভর এই কাণ্ডে তল্লাশি চলল ইন্দ্রনীল সেনের হুগলির বাগানবাড়ি সহ তাঁর আত্মীয়ের বাড়িতে৷ আর তারপরেই এল নোটিস৷ ইডি সূত্রের খবর, বুধবার সকাল দশটায় ইডি দফতরে ইন্দ্রনীল সেনকে তলব করল ইডি৷ বেশকিছু নথি নিয়ে তাঁকে যেতে বলা হয়েছে।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে কলকাতার কসবা সহ ১৫টি বিভিন্ন জায়গায় ইন্দ্রনীল সেনের বাড়ি, অফিস এবং তাঁর আত্মীয় ও এক ব্যবসায়ীর ঠিকানায় ম্যারাথন তল্লাশি চালায় ইডি। এমনকি হুগলির তাঁর ফার্মহাউস ‘মোহর’-এও কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ইডি আধিকারিকরা পৌঁছন।
সূত্রের খবর, ফার্মহাউস থেকে বেরোনোর সময় কিছু ব্যাগ নিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের বেরোতে দেখা যায়, কিন্তু তাদের জিজ্ঞাসা করলে তারা কিছু বলতে চাননি সেই ব্যাগের বিষয়ে৷
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কযেক বিঘা জমির উপর তৈরী এই বাগান বাড়ি। বাগানবাড়ির দরজা বন্ধ করে ভেতরে চলে টানা ম্যারাথন তল্লাশি করেন আধিকারিকরা। সূত্র মারফত জানা গেছে, ইউনেস্কোর নাম ভাঙিয়ে দুর্গাপুজোয় টিকিট বিক্রির নামে কোটি কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার তদন্তে আসে ইডির আধিকারিকরা।
তদন্তকারী সূত্রের খবর অনুযায়ী, কলকাতার দুর্গাপুজোকে ইউনেস্কোর হেরিটেজ স্বীকৃতি দেওয়ার পর ‘মাস-আর্ট’ নামক সংস্থা নিজেদের ইউনেস্কোর ‘অফিসিয়াল পার্টনার’ বলে দাবি করে। অভিযোগ, এই সংস্থার কর্তারা ইউনেস্কোর নাম ও লোগো ব্যবহার করে সাধারণ মানুষের থেকে প্রিভিউ শো-এর চড়া মূল্যের টিকিটের মাধ্যমে বিরাট অংকের অর্থ তুলেছেন এবং তা ব্যক্তিগত লাভে ব্যবহার করেন।
এই অভিযোগে গত জুন মাসে কলকাতা পুলিশের কাছে এ বিষয়ে একটি প্রতারণার অভিযোগ দায়ের হয়। সেই এফআইআরের ভিত্তিতে এবং আর্থিক তছরুপের তদন্ত করতে প্রিভেনশন অফ মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট (PMLA)-এর অধীনে ইডি এই মামলা ও তল্লাশি অভিযান শুরু করে।

Post Comment