I-PAC Director Vinesh Chandel: জামিনে মুক্তি পেলেন আই-প্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল

I-PAC Director Vinesh Chandel: জামিনে মুক্তি পেলেন আই-প্যাকের ডিরেক্টর ভিনেশ চান্ডেল

এই প্রসঙ্গে তদন্তকারী তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, চান্ডেল তদন্তে “স্বেচ্ছায় এবং উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে” সহযোগিতা করছেন এবং ইডি (ED)-র অধিকার ও অবস্থান ক্ষুণ্ণ না করেই তিনি এই সহযোগিতা করছেন। তবে ইডি আদালতের কাছে তাঁর ওপর কিছু শর্ত আরোপের আবেদন জানায়।

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তিনি কোনও প্রমাণ নষ্ট করতে পারবেন না এবং সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। পাশাপাশি তাঁকে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে, প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য দিতে হবে এবং তদন্তকারী সংস্থার নাগালের মধ্যে থাকতে হবে।

আরও পড়ুন: ১ মে থেকেই রাজ্যের স্কুলে স্কুলে ছুটিই…ছুটি! গরমের ছুটি পড়বে কবে? পড়ুয়াদের জন্য বড় খবর

আই-প্যাকের ভিনেশ চান্ডেল বৃহস্পতিবার দিল্লির পাতিয়ালা হাউজ কোর্ট থেকে আর্থিক তছরুপ কেলেঙ্কারি কাণ্ডের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে।

চান্ডেলের জামিনের ক্ষেত্রে কোনও আপত্তি জানায়নি ইডি।

এই প্রসঙ্গে তদন্তকারী তদন্তকারী আধিকারিক জানিয়েছেন, চান্ডেল তদন্তে “স্বেচ্ছায় এবং উদ্দেশ্যপূর্ণভাবে” সহযোগিতা করছেন এবং ইডি (ED)-র অধিকার ও অবস্থান ক্ষুণ্ণ না করেই তিনি এই সহযোগিতা করছেন। তবে ইডি আদালতের কাছে তাঁর ওপর কিছু শর্ত আরোপের আবেদন জানায়।

আদালত নির্দেশ দিয়েছে, তিনি কোনও প্রমাণ নষ্ট করতে পারবেন না এবং সাক্ষীদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করবেন না। পাশাপাশি তাঁকে তদন্তে সম্পূর্ণ সহযোগিতা করতে হবে, প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য দিতে হবে এবং তদন্তকারী সংস্থার নাগালের মধ্যে থাকতে হবে।

গত ২৩ এপ্রিল দিল্লির একটি আদালত চান্ডেলকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়। তার আগে ১৪ এপ্রিল আদালত ইডিকে ১০ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, একাধিক প্রমাণের ভিত্তিতে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, কোটি কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের সৃষ্টি, স্থানান্তর ও দখল সংক্রান্ত কার্যকলাপে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

ভোপালের ন্যাশনাল ল’ ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটি (NLIU)-র আইন স্নাতক চান্ডেলকে ১৩ এপ্রিল ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। তিনি আই-প্যাক (I-PAC)-এর ৩৩ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এবং পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থার ভূমিকা ছিল।

গত ২৩ এপ্রিল দিল্লির একটি আদালত চান্ডেলকে ১৪ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠায়। তার আগে ১৪ এপ্রিল আদালত ইডিকে ১০ দিনের জন্য নিজেদের হেফাজতে রেখে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছিল। আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল, একাধিক প্রমাণের ভিত্তিতে মনে করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, কোটি কোটি টাকার অপরাধলব্ধ অর্থের সৃষ্টি, স্থানান্তর ও দখল সংক্রান্ত কার্যকলাপে তিনি সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিলেন।

ভোপালের ন্যাশনাল ল’ ইনস্টিটিউট ইউনিভার্সিটি (NLIU)-র আইন স্নাতক চান্ডেলকে ১৩ এপ্রিল ইডির জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেফতার করা হয়। তিনি আই-প্যাক (I-PAC)-এর ৩৩ শতাংশ শেয়ারহোল্ডার এবং পশ্চিমবঙ্গের বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রচার ব্যবস্থাপনায় এই সংস্থার ভূমিকা ছিল।

Previous post

নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীতে বিধানগর কলেজ, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্রের স্ট্রংরুমে সুরক্ষিত EVM

Next post

ভোট গণনার আগেই কমিশনের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাইকাের্ট জোড়া মামলা দায়ের

Post Comment

You May Have Missed