East Bardhaman News: টানা দুই মাস নিখোঁজ, শেষমেশ বিহারের মন্দির চত্বর থেকে উদ্ধার নাবালিকা! কেতুগ্রাম থানার বড় সাফল্য

East Bardhaman News: টানা দুই মাস নিখোঁজ, শেষমেশ বিহারের মন্দির চত্বর থেকে উদ্ধার নাবালিকা! কেতুগ্রাম থানার বড় সাফল্য

Last Updated:

East Bardhaman News: দীর্ঘ দু’মাসের বেশি সময় নিখোঁজ থাকার পর বিহার থেকে এক নাবালিকাকে উদ্ধার করল কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। তদন্তে পাওয়া সূত্র ধরে অভিযান চালিয়ে তাকে নিরাপদে ফিরিয়ে আনা হয়। প্রাথমিকভাবে পারিবারিক ও পড়াশোনা সংক্রান্ত মতবিরোধের জেরেই সে বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিল বলে জানা গিয়েছে।

পুলিশের উদ্যোগে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে ওই নাবালিকাকে
পুলিশের উদ্যোগে উদ্ধার করে নিয়ে আসা হচ্ছে ওই নাবালিকাকে

কেতুগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: প্রায় দু’মাসেরও বেশি সময় ধরে নিখোঁজ থাকার পর এক নাবালিকাকে বিহার থেকে উদ্ধার করল কেতুগ্রাম থানার পুলিশ। উদ্ধার হওয়া ওই নাবালিকাকে কেতুগ্রাম থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, দীর্ঘ তদন্ত এবং বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই এই সাফল্য মিলেছে। জানা গিয়েছে, গত ১০ এপ্রিল কেতুগ্রাম থানার অন্তর্গত একটি গ্রাম থেকে ওই নাবালিকা নিখোঁজ হয়ে যায়। পরিবারের পক্ষ থেকে কেতুগ্রাম থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়।

অভিযোগ পাওয়ার পরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং নাবালিকার সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় খোঁজখবর চালানো হয়। তদন্ত চলাকালীন পুলিশ জানতে পারে যে নাবালিকার অবস্থান বিহারের পশ্চিম চম্পারণ জেলার একটি থানার এলাকায় থাকতে পারে। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেতুগ্রাম থানার একটি দল সেখানে পৌঁছে অনুসন্ধান চালায়। শেষ পর্যন্ত একটি মন্দিরের সামনে থেকে ওই নাবালিকাকে উদ্ধার করা হয়।

এরপর প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে তাকে পশ্চিমবঙ্গে ফিরিয়ে আনা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নাবালিকার পরিবার আর্থিকভাবে অনগ্রসর। বছরখানেক আগে তার বাবার মৃত্যু হয়। বর্তমানে পরিবারের দায়িত্ব বহন করছেন তার মা। প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, পারিবারিক ও পড়াশোনা সংক্রান্ত কিছু বিষয় নিয়ে মতবিরোধের জেরে কয়েক মাস আগে নাবালিকা বাড়ি ছেড়ে চলে যায়।

আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন

তবে নিখোঁজ থাকার পুরো সময়কালে সে কোথায় ছিল এবং কী পরিস্থিতিতে বিহারে পৌঁছেছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কেতুগ্রাম থানার আইসি-র নির্দেশে তদন্তকারী আধিকারিক খাইরুল আলমের তত্ত্বাবধানে উদ্ধার অভিযান পরিচালিত হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। উদ্ধার হওয়া নাবালিকার শারীরিক ও মানসিক অবস্থার খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি ঘটনার সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

Post Comment

You May Have Missed