Burdwan News: ছট পুজো পর্যন্ত হকারদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নয়, কোন স্টেশনের ক্ষেত্রে নেওয়া হল এমন পদক্ষেপ?
Last Updated:
বর্ধমান স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় অনেকেই অস্থায়ী কাঠামোতে ব্যবসা করে জীবিকা নির্বাহ করেন।
বর্ধমান রেল স্টেশনের হকারদের জন্য বিরাট স্বস্তির খবর। ছট পুজো পর্যন্ত বর্ধমান স্টেশনে হকারদের বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করবে না রেল।
অনেক আগেই বর্ধমান রেল স্টেশন ও তার লাগোয়া এলাকা থেকে হকার উচ্ছেদের পরিকল্পনা নিয়েছিল রেল। নতুন সরকার আসার পর তাদের কাছে এখনই উচ্ছেদ না করার আর্জি জানিয়েছিলেন হকাররা। রেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল পুজো পর্যন্ত হকার উচ্ছেদ হবে না। এখন পুজো শেষ। তাই ফের উচ্ছেদের আশঙ্কায় উদ্বেগে ছিলেন হকাররা।
এই পরিস্থিতিতে বর্ধমান স্টেশনের হকারদের জন্য স্বস্তির খবর নিয়ে এলেন বর্ধমান দক্ষিণের বিধায়ক তথা শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্র। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, বর্ধমানে রেলের চলন্ত ট্রেনে জীবিকা নির্বাহকারী হকারদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে, ছট পুজো পর্যন্ত তাঁদের জীবিকা নির্বাহের সুযোগ দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মাননীয় কেন্দ্রীয় রেলমন্ত্রী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এবং পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজারকে চিঠি দিয়েছিলাম। আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, রেল কর্তৃপক্ষ আমাদের এই আবেদনে সম্মতি জানিয়েছেন। এর ফলে বহু পরিবারের মুখে হাসি ফোটার পাশাপাশি ছটপুজোর আগে তাঁদের জীবিকা নির্বাহের পথ কিছুটা সুগম হবে। মানুষের পাশে থাকা, তাঁদের জীবিকার সুরক্ষায় আন্তরিকভাবে উদ্যোগী হওয়াই আমাদের অঙ্গীকার। মানবিকতার স্বার্থে, জীবিকার পাশে।
স্বাভাবিকভাবেই শিল্প প্রতিমন্ত্রী মৌমিতা বিশ্বাস মিশ্রের এই পদক্ষেপে খুশি হকাররা। তবে তাঁরা বলছেন, পুজোর পর জীবিকা নির্বাহ নিয়ে একটা প্রশ্ন ছিল। রেলের এই সিদ্ধান্তে তা থেকে কিছুটা স্বস্তি মিলল। তবে শিল্প প্রতিমন্ত্রী চলন্ত ট্রেনের হকারদের বিষয়ে বলেছেন।
রেলের জমিতে রয়েছে সবজি বাজার স্টেশন বাজার। সেই সব এলাকায় সমস্যা তৈরি হবে না তো। কারণ সেখানেও শত শত পরিবারের জীবন জীবিকা জড়িয়ে রয়েছে। পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করেই যাতে সেখানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়, সেই আর্জি জানাচ্ছেন তাঁরা।

Post Comment