‘ঋত আগে স্পষ্ট ভাবে বলুক…’, তৃণমূলের ‘ফ্রিজ’ অ্যাকাউন্টের টাকা কবে, কার ব্যাঙ্কে? বিস্ফোরক আক্রমণে কুণাল ঘোষ

‘ঋত আগে স্পষ্ট ভাবে বলুক…’, তৃণমূলের ‘ফ্রিজ’ অ্যাকাউন্টের টাকা কবে, কার ব্যাঙ্কে? বিস্ফোরক আক্রমণে কুণাল ঘোষ

অরূপ বিশ্বাসকে সমর্থন জানিয়ে তৃণমূলের অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করার দাবিতে সরব হয়ে বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “তৃণমূলের ওই অ্যাকাউন্টে কাটমানি, চুরির টাকাও থাকতে পারে৷ ফলে অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ করে রাজ্য সরকার এই অভিযোগের তদন্ত করে দেখুক৷” এবার তাঁর ও তাঁর সই-সঙ্গীদের লক্ষ্য করে বড় চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন কুণাল ঘোষ।

কী বললেন কুণাল?

১) “ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট নিয়ে আমার এক্তিয়ার নেই। যা যা নজরে রাখার তা শীর্ষ নেতৃত্ব দেখছে। আমাদের প্রশ্ন এখানকার টাকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে, সেই টাকা খারাপ হলে, দেড় দু’মাস আগে টাকা ট্রান্সফার হয়েছিল নাকি হয়নি, ওদের অ্যাকাউন্টে? নিজেদের ভোটের জন্য কেন নিলেন? বিতর্কিত হলে ভোট প্রচারে টাকা নিলেন কেন? জেতার জন্য টাকা লাগবে আর জেতার পরে টাকা খারাপ এটা হয় কী করে? অবিলম্বে টাকা ফেরত দিন।”

অভিষেকের বিমানের খরচ বিপুল:

২) “কোনও খাতের টাকা চোখে লাগার মতো বেশি হয়ে গেলে, তা দৃষ্টিজনক ভাবে খারাপ। মা মাটি মানুষের দল মানে অন্তরাত্মাকে প্রতিষ্ঠিত করে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যে রাজনীতি, যে ভাবে সংগ্রাম করেছেন, তিনি কিন্তু অনেক পরে তিনি হেলিকপ্টার পেয়েছেন। তার যা ধারাবাহিকতা। তাঁর যে সংগ্রাম, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার অবকাশ নেই। বাকিদের নিয়ে প্রশ্ন আছে।

ভবন থেকে পোস্টার সরানো :

৩) গ্লো সাইন বোর্ড সরিয়ে ঠিক কাজ করছেন না বাড়িওয়ালা। মমতা বন্দোপাধ্যায় ক্ষমতায় থাকলে তারা ১০৮ বার আসতেন। আরও কাছে ক্ষমতায় থাকার জন্য চেষ্টা করতেন যাতে কাজ পাওয়া যায় আরও।

বিধানসভায় না যাওয়া:

৪) বিধানসভায় না যাওয়া: বিধানসভা থেকে আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। পয়লা বৈশাখ আমরা মেনে নিয়েছিলাম।

পাঠ্যবইয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস:

৫) পাঠ্যবইয়ে পশ্চিমবঙ্গ দিবস কেন্দ্রের সরকার এতদিন পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে এত কথা বলেননি। এখন ওনারা ক্ষমতায় আছেন তাই এই সব বলছেন। কোনও নির্দিষ্ট দিন নেই জন্মদিন বলে।

অভিষেকের বিরুদ্ধে এফআইআর:

৬) অভিযোগ মানেই সত্য তা নয়। কেসের মেরিটে যাচ্ছি না। টাইমিং হচ্ছে. রাজনৈতিক বদলা নিচ্ছে।

পশ্চিমবঙ্গ দিবস:

৭) রাজনৈতিক ইভেন্ট হচ্ছে আজকের দিনটা। কেন্দ্রের তরফে টাকা দেওয়া হয়নি। একটা রাজনৈতিক ন্যারেটিভ করা হচ্ছে।

অনুপ্রবেশ ইস্যু:

৮) অনুপ্রবেশ রুখতে কেউ বারণ করেনি। দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। কে বারণ করেছিল। ত্রিপুরায় কী করে ঢুকল অনুপ্রবেশকারীরা। আসলে কথার জাগলারি করছেন। ১৫ কিমি জায়গায় ৫০ কিমি জায়গা নেয়। এর দায় কেন এখন আমাদের ঘাড়ে চাপাচ্ছেন?

Previous post

PM Fasal Bima Yojana: বড় সুখবর ! আজ থেকে বাংলায় শুরু আরও এক নতুন যোজনা, লাভবান হবেন লক্ষ লক্ষ মানুষ

Next post

Murshidabad News: চেয়ারম্যানের কুর্সি থেকে দেওয়াল, সর্বত্র গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ কর্মসূচি বিজেপির! কান্দি পৌরসভায় বাঁধভাঙা উল্লাস

Post Comment

You May Have Missed