সোমবার হাজরা থেকে এক্সাইড পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক শুভেন্দু অধিকারীর
ভবানীপুুর: দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে শেষ শনিবার। চরমে প্রচার যুদ্ধ! ভরকেন্দ্র ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়-শুভেন্দু অধিকারী ডুয়েল। ভোটপ্রচারের সুপার স্য়াটার ডে-তে শম্ভুনাথ পণ্ডিত স্ট্রিট থেকে কালীঘাট রোডের ক্রসিং পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের পদযাত্রা। অন্যদিকে ভবানীপুরে জনসংযোগে শুভেন্দু অধিকারী। আর তার মধ্যেই মাইক সংঘাত। একে অপরের দিকে আঙুল তুললেন ২ হেভিওয়েট প্রার্থী। আগামী ২৭ তারিখ হাজরা থেকে এক্সাইড মোড় পর্যন্ত মহামিছিলের ডাক দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন ভবানীপুরে তৃণমূল বিজেপির প্রচারে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। শুভেন্দু অধিকারীর সমর্থনে পূর্ণা সিনেমা হলের সামনে বিজেপির কর্মী সমর্থকরা যখন জড়ো হন, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের সমর্থনে সায়নী ঘোষের একটি মিছিল সেখান দিয়ে পেরোয়। তখন দু’পক্ষের স্লোগানযুদ্ধ শুরু হয়। এরপর, মিত্র ইন্সস্টিটিশনের সামনে তাঁর মিছিল আটকে দেওয়ার অভিযোগ তোলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরে মঞ্চ থেকে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিরোধী দলনেতা বলেন, ”আমার মাইক বাজছিল কেন? যতই কর হামলা…আবার জিতবে বাংলা? ৪ তারিখে শুনিয়ে দেব ভাল করে। ওই মুখ দিয়েই জয় জয় শ্রীরাম বলাব। আমি বলে গেলাম, আমি যদি সনাতনের বাচ্চা হয়ে থাকি, এদের মুখ দিয়ে চৌরাস্তায় দাঁড় করিয়ে জয় শ্রীরাম বলাব। একদম ভদ্র থাকবেন। আগামী ২৭ তারিখ হাজরা থেকে এক্সাইড পর্যন্ত মহামিছিল। টা টা…বাই বাই। টা টা…বাই বাই। হীরক রানি বাই বাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদায়ের শোভাযাত্রা।”
শুভেন্দু এদিন আরও বলেন, ‘এইটুকু অনুমতি দিয়েছে। ভবানীপুর থানার অংশটা অনুমতি দিয়েছে। কালীঘাট থানার অংশ অনুমতি দেয়নি। কিন্তু ওই রুটেও মাইক বাজিয়েছে। যেটা অনুমতি নেওয়া রুট। সেই রুটে ইতরের দল, নর্দমার কীট, মমতার দল তৃণমূল কংগ্রেস চোরের পার্টি তারা মাইক বাজিয়েছে। ভবানীপুর থানার বিরুদ্ধে অভিযোগ করব আর কালীঘাট থানার বিরুদ্ধেও অভিযোগ করব ইলেকশন কমিশনে।’
এদিকে, এদিন চক্রবেড়িয়ায় তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সভা ছিল। মঞ্চে বক্তব্য শুরু করতেই বিজেপির বিরুদ্ধে তারস্বরে মাইক বাজানোর অভিযোগে সরব হন তিনি। মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায় বলেন, ‘এটা পক্ষপাতিত্ব। যদি তারা এভাবে আচরণ করে আমি দুঃখিত আমাকে আইনি পদক্ষেপ নিতে হবে এবং আমি সেটা করব। তাহলে বুঝতে পারছেন পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া করার…এই দেখুন। সামনে চিৎকার করছে, যাতে আমি মিটিংটা করতে না পারি। এর প্রতিবাদে আপনাদের কিন্তু ভোটটা দিতে হবে। আমাকে মিটিং পর্যন্ত করতে দিচ্ছে না।’
সবমিলিয়ে, আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে জমজমাট শনিবাসরীয় প্রচার।



Post Comment