Share market crash: হঠাৎ কেন সপ্তাহের শেষ দিনে ধসে গেল শেয়ারবাজার! কোন কারণে এভাবে পড়ল মার্কেট?

Share market crash: হঠাৎ কেন সপ্তাহের শেষ দিনে ধসে গেল শেয়ারবাজার! কোন কারণে এভাবে পড়ল মার্কেট?

বাজারের বিস্তারও নেতিবাচক ছিল, কারণ বৃহত্তর সূচকগুলিতেও চাপ দেখা যায়। নিফটি ১০০ কমে ১.০৭ শতাংশ, নিফটি ২০০ পড়ে ১.০৫ শতাংশ এবং নিফটি ৫০০ হ্রাস পায় ১.০৬ শতাংশ, যা বড় শেয়ারের বাইরেও বিক্রির চাপকে নির্দেশ করে। মিডক্যাপ ও স্মলক্যাপ ক্ষেত্রেও পতন লক্ষ্য করা যায়—নিফটি মিডক্যাপ ১০০ কমে ০.৯৬ শতাংশ, নিফটি স্মলক্যাপ ১০০ হ্রাস পায় ০.৮৭ শতাংশ এবং নিফটি মাইক্রোক্যাপ ২৫০ তীব্রভাবে ১.৪০ শতাংশ পড়ে। এতে ছোট কোম্পানিগুলিতে ঝুঁকি এড়ানোর প্রবণতা স্পষ্ট হয়েছে। একই সঙ্গে অস্থিরতাও বেড়েছে; ইন্ডিয়া ভিক্স ৬.০৩ শতাংশ বেড়ে ১৯.৭১-এ পৌঁছেছে, যা বিনিয়োগকারীদের উদ্বেগ ও ভবিষ্যতে বড় ওঠানামার আশঙ্কা বাড়ার ইঙ্গিত দেয়।

সার্বিকভাবে বাজারে ঝুঁকি এড়ানোর মনোভাবই প্রাধান্য পেয়েছে, যার প্রধান কারণ আইটি খাতে তীব্র বিক্রি, বাড়তি অস্থিরতা এবং মিডক্যাপ-স্মলক্যাপ শেয়ারের দুর্বলতা।

আজকের বাজার পতনের কারণগুলো:

আইটি সেক্টরে ধাক্কা: বড় প্রযুক্তি সংস্থাগুলির দুর্বল ভবিষ্যৎ নির্দেশনার কারণে বাজারে নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। ইনফোসিস, এইচসিএল টেক, টাটা কনসালটেন্সি সার্ভিসেস ও টেক মহীন্দ্রার শেয়ারে ব্যাপক বিক্রি হয়, ফলে নিফটি আইটি সূচক প্রায় ৫ শতাংশ পড়ে গিয়ে সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করা খাতে পরিণত হয়।

বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিক্রি: বিদেশি প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা টানা চতুর্থ দিনের মতো বিক্রি চালিয়ে গেছেন, এদিনই তারা ৩,২০০ কোটির বেশি টাকার শেয়ার বিক্রি করেছেন। ভি কে বিজয়কুমারের মতে, এই ধারাবাহিক বিদেশি পুঁজি বহির্গমন, উচ্চ অপরিশোধিত তেলের দাম এবং রুপির দুর্বলতা বড় শেয়ারগুলির ওপর চাপ বাড়াতে পারে।

অপরিশোধিত তেলের দাম: মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা ও হরমুজ প্রণালী দিয়ে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কায় ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেল প্রতি প্রায় ১০৬ ডলারের কাছাকাছি থাকায় বাজারে উদ্বেগ বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনা নিয়ে অনিশ্চয়তাও স্বল্পমেয়াদে অস্থিরতা বাড়াচ্ছে।

বিশ্ববাজারের মিশ্র সংকেত: ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা ও মিশ্র আয়ের ফলাফলের কারণে মার্কিন বাজার আগের রাতে নিম্নমুখী ছিল। যদিও ইসরায়েল-লেবানন যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর খবরের পর কিছুটা ইতিবাচকতা আসে, তবুও তেলের উচ্চ দাম ও আঞ্চলিক অনিশ্চয়তা বিনিয়োগকারীদের সতর্ক রেখেছে।

অস্থিরতার বৃদ্ধি: ইন্ডিয়া ভিক্স ৬.০৩ শতাংশ বেড়ে ১৯.৭১ হওয়ায় বাজারে উদ্বেগ ও বড় ওঠানামার সম্ভাবনা বেড়েছে।

বিভিন্ন খাতে দুর্বলতা: খাতভিত্তিকভাবে আইটি শেয়ার সবচেয়ে বেশি চাপের মধ্যে ছিল; নিফটি আইটি সূচক ৫.২৯ শতাংশ পড়ে ২৮,৫৩০.৬০-এ নেমে আসে। নিফটি ফার্মা ১.৭৭ শতাংশ, নিফটি মিডিয়া ১.৮৭ শতাংশ, নিফটি রিয়েলটি ১.৩৫ শতাংশ এবং নিফটি অটো ০.৬৮ শতাংশ কমেছে।

তবে আর্থিক খাত তুলনামূলকভাবে স্থিতিশীল ছিল। নিফটি ব্যাংক মাত্র ০.৩৮ শতাংশ এবং নিফটি ফিনান্সিয়াল সার্ভিসেস ০.৪০ শতাংশ কমে, ফলে সূচকের বড় পতন কিছুটা সীমিত থাকে।

Post Comment

You May Have Missed