‘এই কেন্দ্রে জামাতিদের পরাজয় হবে’, জনসভা থেকে হুঙ্কার শুভেন্দুর! কাকে নিশানা?
কলকাতা: দোরগোড়ায় নির্বাচন (West Bengal Assembly ELection)। প্রথম দফা ভোটের আগে রবিবার, ভোটপ্রচারে ভবানীপুরের (Bhowanipore) কমিউনিটি বৈঠক থেকে বিজেপিকে (BJP) নিশানা করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। আর সেই ভবানীপুরে দাঁড়িয়েই পাল্টা জবাব দিলেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
২০২১-এ নন্দীগ্রামের পর, ছাব্বিশের বিধানসভা ভোটের ভরকেন্দ্র ভবানীপুর। মুখোমুখি লড়াইয়ে সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফায় এই কেন্দ্রে ভোট। তার আগে রবিবার, একইদিনে ভবানীপুরে বৈঠক ও পদযাত্রা করলেন দুই হেভিওয়েট প্রার্থী।
রবিবার বিকেলে ভবানীপুরের বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তৃণমূলনেত্রী। একই সময়ে ভবানীপুরেই জনসংযোগ যাত্রা করেন শুভেন্দু অধিকারী। তারপর নির্বাচনী জনসভা থেকে দেন হুঙ্কার। তিনি বলেন, ‘প্রথম দফার ভোট ২৩ তারিখ হতে দিন। ২৩ তারিখ রাত সাড়ে ৮টায় ভবানীপুরে ঢুকব। ৪ তারিখে গণনাকেন্দ্রে হারিয়ে, আপনাদের দেওয়া জয়ের সার্টিফিকেটটা নিয়ে সোজা মোদিজির কাছে চলে যাব। বিকাশবাদের জয় হবে আর জামাতিদের পরাজয় হবে।’
অন্যদিকে, সূত্রের খবর, বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আজ বাদে কাল, ক্ষমতা থেকে বিজেপি চলে যাবেই। যেতেই হবে তাদেরকে। এই ধরনের স্বৈরাচারী আচরণ চলতে পারে না।
তৃণমূল সূত্রে খবর, রবিবারের বৈঠক থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, ‘রাজ্য দখল করতে সারা দেশ থেকে সেনা নিয়ে আসা হয়েছে। তাদের নিয়ে বৈঠক করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে RSS, বজরং দলের মাফিয়া-গুন্ডাদেরও পাঠানো হয়েছে’।
ভবানীপুরের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘শুধু একটা কথা সবাই বলছে, দাদা ভোটটা দিতে পারব তো? কেন্দ্রীয় বাহিনী ম্যানেজ হয়ে যাবে না তো? ভারতবর্ষের এত রাজ্যে ভোট হয়। শান্ত। এ বাংলা অশান্ত’।
রবিবার, ফিরহাদ হাকিমের এলাকা ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে ‘জনসংযোগ যাত্রা’ করেন শুভেন্দু অধিকারী। ৮২ নম্বর ওয়ার্ডে সভাও করেন তিনি। সেখান থেকেই নিশানা করেন মুখ্যমন্ত্রীকে। অন্যদিকে, শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘উনি নিজের দমে মুখ্যমন্ত্রী হতে পারেননি। নন্দীগ্রামের লড়াইতে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। আর ওখানে শুভেন্দু অধিকারীর ভূমিকা কী ছিল, আমি বলব না। আপনি দিদি থেকে দিদিমা হয়ে যেতেন মাননীয়া, কোনওদিন মুখ্যমন্ত্রী হতে পারতেন না।’
অভিযোগ-পাল্টা অভিযোগ..হুমকি-হুঁশিয়ারিতে ঝাঁঝ বাড়ছে ক্রমশ.. কিন্তু, ভবানীপুরের দখল নেবে কে? মানুষ কী চাইছে?জানা যাবে – চৌঠা মে।



Post Comment