পতঞ্জলির সাফল্য, হৃদরোগ নিরাময়ে সাহায্য করছে যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদ

পতঞ্জলির সাফল্য, হৃদরোগ নিরাময়ে সাহায্য করছে যোগব্যায়াম ও আয়ুর্বেদ


 

 

Swami Ramdev : হৃদরোগ নিরাময়ে বড় সাফল্য পেয়েছে পতঞ্জলি আয়ুর্বেদ। সংস্থার দাবি, তাদের হেলথ সেন্টারগুলিতে যোগব্য়ায়ামআয়ুর্বেদ থেরাপির মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য সাফল্য এসেছে। সেই কারণে জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত রোগীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যস্থল হিসেবে উঠে এসেছে পতঞ্জলির হেলথ সেন্টালগুলির নাম।

কোম্পানির মতে, যারা তাদের প্রাকৃতিক চিকিৎসা পদ্ধতিতে বিশ্বাস করেছেন, তাদের অনেক রোগী উল্লেখযোগ্য নিরাময়ে অনুভব করেছেন। সংস্থার হেলথ সেন্টারগুলিতে কয়েক দিনের মধ্যে স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ফিরে পেয়েছেন, এমনকি দীর্ঘস্থায়ী জটিলতার ক্ষেত্রেও।

জটিল হার্ট ব্লকেজের চিকিৎসায় সাফল্য

সংস্থা দাবি করেছে, গুরুতর হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত একাধিক রোগীর তাদের সেন্টারগুলিতে চিকিৎসা থেকে উপকৃত হয়েছেন। কোম্পানি হরিয়ানার ভিওয়ানির ৪৭ বছর বয়সী বাসিন্দা হরি নারায়ণের ঘটনা উল্লেখ করেছে, যার ধমনীতে ছয়টি ব্লকেজ ছিল এবং তাকে বাইপাস সার্জারি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। পতঞ্জলি ওয়েলনেসে সাত দিন চিকিৎসার পর তিনি ৮০ শতাংশ স্বাস্থ্যের উন্নতির কথা রিপোর্ট করেছেন। যেখানে তাঁর ব্লকেজগুলি খুলে গিয়েছে

উল্লেখিত আরেকটি ঘটনা হল উত্তরাখণ্ডের কোটদ্বারের ৩১ বছর বয়সী মহিলা বীণা জখমোলার, যার হৃদপিণ্ডে ৯০ শতাংশ ব্লকেজ ছিল। “ডাক্তাররা স্টেন্ট ইমপ্লান্টেশনের পরামর্শ দিয়েছিলেন, কিন্তু পতঞ্জলিতে চিকিৎসা নেওয়ার পর, তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন এবং গত তিন বছর ধরে সুস্থ আছেন” এমনটাই জানিয়েছে পতঞ্জলি।

এখানেই থেমে থাকেনি পতঞ্জলির সাফল্য। এই বিষয়ে গুজরাতের আহমদাবাদের বাসিন্দা ৫২ বছর বয়সী জগদীশ প্রসাদ যাদবের কথাও উল্লেখ করো হয়েছে কেস স্টাডিতে। যার ২০২৩ সালে অ্যাঞ্জিওগ্রাফির সময় ৯৫ শতাংশ ব্লকেজ ধরা পড়েছিল। “ডাক্তাররা স্টেন্ট দেওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পরেও তিনি পতঞ্জলিতে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা বেছে নিয়েছিলেন। তিন বছর পরেও তিনি সুস্থ রয়েছেন।” এমনটাই জানিয়েছে পতঞ্জলি।

ন্যাচারাল থেরাপি ও জীবনযাত্রার মান পরিবর্তন

জীবনধারায় সংশোধন, যোগব্যায়ামপ্রাণায়ামের উপকারিতার কথা তুলে ধরে পতঞ্জলি বলেছে, সেখানে রোগীরা শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম, খাদ্যাভ্যাস ও প্রাকৃতিক থেরাপির ওপর জার দিয়ে উল্লেখযোগ্য উন্নতি অনুভব করেছে। এই প্রসঙ্গে পতঞ্জলি মহারাষ্ট্রের পুনের রত্নাকর রামদাসের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছে। যাকে হৃদরোগের অবস্থা খারাপ হওয়ার পরে অ্যাঞ্জিওগ্রাফি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। “পরীক্ষার পর পতঞ্জলির ডাক্তাররা অ্যাঞ্জিওগ্রাফির প্রয়োজনীয়তা নেই বলে দিয়েছিলেন এবং ২১ দিনের মধ্যে তিনি ফল পান। গত ১২ বছর ধরে তিনি সুস্থ রয়েছেন।”

একইভাবে, দিল্লির ৭১ বছর বয়সী মঙ্গল রামকে হৃদরোগের পর অস্ত্রোপচারের রিং স্থাপনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। তিনি অস্ত্রোপচার এড়িয়ে যান, পতঞ্জলিতে চিকিৎসা নেন এবং সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে ওঠেন। এমনটাই দাবি করেছে পতঞ্জলিমধ্যপ্রদেশের ভোপালের ৬৪ বছর বয়সী রঘু প্রসাদ গৌ, যিনি শ্বাসকষ্টডায়াবেটিসে ভুগছিলেনথেরাপির চার দিনের মধ্যে উপশম পেয়েছিলেন এবং তার শর্করার মাত্রা স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল।”

পতঞ্জলির মতে, সুস্থতা কেন্দ্রগুলি অনুলোম বিলোম ও কপালভাতির মতো প্রাণায়াম কৌশলগুলির সঙ্গে গরম পায়ের জন্য স্নান, হিপ বাথ এবং বিকল্প গরম ও ঠান্ডা কম্প্রেস সহ বিভিন্ন থেরাপির মিশ্রণ ব্যবহার করে। কোম্পানি জানিয়েছে, এই অনুশীলনগুলি রোগীদের স্বাভাবিকভাবে হৃদরোগের স্বাস্থ্য পুনরুদ্ধারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।

মনে রাখবেন : এটি একটি স্পনসর্ড প্রতিবেদন। ABP নেটওয়ার্ক প্রাইভেট লিমিটেড এবং/অথবা ABP লাইভের কনটেন্ট অথবা এখানে প্রকাশিত মতামত অনুমোদন/সাবস্ক্রাইব করে না। সমস্ত তথ্য যেমন আছে তেমন ভিত্তিতে সরবরাহ করা হয়েছেতথ্যটি কোনও চিকিৎসা পরামর্শ বা কিছু কেনার প্রস্তাব দেয় নাএই ধরনের কোনও পরিষেবা নেওয়ার আগে একজন বিশেষজ্ঞ উপদেষ্টা/ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। এই পরামর্শ পাঠকদের বিবেচনার জন্য দেওয়া হচ্ছে।

Previous post

কানাডায় ভারতী বংশোদ্ভূত শিল্পপতিকে গুলি করে খুন, দায় স্বীকার লরেন্স বিশনোই গ্যাংয়ের

Next post

Doctor’s Handwriting: ‘পায়ে কালি মেখে কাগজের উপর ইঁদুরের লাফালাফি!’ প্রেসক্রিপশনে ডাক্তারদের লেখা বিপদে ফেলছে রোগীদের, কী বলছেন ওষুধ বিক্রেতারা

Post Comment

You May Have Missed