মিড-ডে মিল খেয়ে অসুস্থ ৩০ জনেরও বেশি পড়ুয়া, নেওয়া হল হাসপাতালে, গুরুতর অভিযোগ সরকারি স্কুলে

নয়াদিল্লি: মিড-ডে মিল খাওয়ার পর অসুস্থ স্কুল পড়ুয়ারা, গুরুতর অভিযোগ মধ্যপ্রদেশে। স্কুলে দুপুরের খাবার খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে ৩০ জনেরও বেশি পড়ুয়া। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলার, সিনহানা গ্রামের একটি সরকারি স্কুলে।

আরও পড়ুন, “আমার দলের লোকেরাও যদি এই বিষয়টা করে, সমর্থন করি না..”, যাদবপুর কাণ্ডে অন্যসুর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রার

স্কুলে দুপুরের খাবার খেয়ে অসুস্থ ৩০ জনেরও বেশি পড়ুয়া, নেওয়া হল হাসপাতালে

সূত্রের খবর, শনিবার দুপুরের মেনুতে ছিল ‘কড়ি-চাওয়াল’ বা দই-বেসনের ঝোল ও ভাত। তা খাওয়ার পরই ছাত্রছাত্রীরা অসুস্থ বোধ করতে থাকে। পেট ব্যথা, মাথা ঘোরা ও বমি শুরু হয়। কোনও কোনও পড়ুয়ার জ্বরও আসে। অসুস্থদের ১৯ জনকে ইন্দোরের অরবিন্দ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনকে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আইসিইউ-তে রাখা হয়েছে। ঠিক কীভাবে এই ঘটনা ঘটল, খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। 

মিড ডে মিল খাওয়ার পরই, পেট ব্যাথা, বমি এবং জ্বর আসে পড়ুয়াদের 

প্রাথমিকভাবে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৯ জনকে ইন্দোরের অরবিন্দ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। যার মধ্য়ে ৪ জনকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়েছে। ৩০ জনের উপরে স্কুল পড়ুয়াদেরকে মেডিক্যাল অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।  একটি অফিশিয়াল সূত্রে দাবি করা হয়েছে, অভিযোগ, মিড ডে মিল খাওয়ার পরই, পেট ব্যাথা, বমি এবং জ্বর আসে পড়ুয়াদের একাংশের। এরপরেই স্কুলের তরফে প্রশাসন এবং পড়ুয়াদের অভিভাবকদের খবর দেওয়া হয়। বলার অপেক্ষা রাখে না, গোটা ঘটনা প্রকাশ্য়ে আসতেই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন পড়ুয়াদের মা-বাবা, বলে খবর।

“অসুস্থ হওয়া স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে কেউই ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে নেই “

তবে অরবিন্দ হাসপাতালের একজন সিনিয়র ডক্টর জানিয়েছেন, অসুস্থ হওয়া স্কুল পড়ুয়াদের মধ্যে কেউই ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে নেই। সংবাদ সংস্থা আইএএনএস -কে অপর এক ডক্টর জানিয়েছেন, ৪ জনকে সবসময় খেয়াল রাখার জন্য আইসিইউতে পাঠানো হয়েছে। বাকিদের ৬ ঘণ্টার জন্য অবজারভেশনে রাখা হয়েছে।

স্কুলপড়ুয়াদের দেওয়া মিড ডে মিল-র খাবারের স্যাম্পেল সংগ্রহ, পাঠানো হল ল্যাব টেস্টের জন্য

 জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই স্কুলপড়ুয়াদের দেওয়া মিড ডে মিল-র খাবারের স্যাম্পেল সংগ্রহ করা হয়েছে। এবং সেই স্যাম্পেল  ল্যাবরোটেরিতে পাঠানো হয়েছে।  ইতিমধ্য়েই ওই স্কুলে ইন্দোরের স্বাস্থ্য দফতরের একটি প্রতিনিধি দল, গোটা ঘটনাচটা খতিয়ে দেখতে গিয়েছে। তবে এই ঘটনায় ইতিমধ্য়েই পড়ুয়াদের অভিভাবকদের মধ্যে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। 

 

Previous post

Dilip Ghosh: ‘পুলিশ বাড়াবাড়ি করুক..হাত খোলা আছ,’ খড়্গপুরে দাঁড়িয়ে হঠাৎ কেন বারুইপুর মনে করিয়ে দিলেন দিলীপ, কড়া হুঁশিয়ারি

Next post

Petua Wushu Camp: পাড়ার খুদেদের ‘ফাইটার’ বানানোর ব্লু-প্রিন্ট! যৌথ উদ্যোগে পেটুয়ায় ধামাকাদার কমব্যাট ট্রেনিং

Post Comment

You May Have Missed