Sawan Somvar 2026: শিবভক্তদের সুরক্ষায় বড় চমক, রাতের যাত্রাও হবে ‘দিনের’ মতো সহজ! কষ্ট দূর করে আশীর্বাদ কুড়োলেন ব্যবসায়ী

Sawan Somvar 2026: শিবভক্তদের সুরক্ষায় বড় চমক, রাতের যাত্রাও হবে ‘দিনের’ মতো সহজ! কষ্ট দূর করে আশীর্বাদ কুড়োলেন ব্যবসায়ী

Last Updated:

Sawan Somvar 2026: শ্রাবণ মাস উপলক্ষে শুশুনিয়া পাহাড় থেকে জল নিয়ে চলা শিবভক্তদের সুরক্ষায় বড় উদ্যোগ। ছাতনার ব্যবসায়ী কৌশিক দাশগুপ্ত দেড় কিলোমিটার রাস্তা ৫০টি এলইডি আলোয় আলোকিত করলেন। শিবভক্ত সহ ওই রাস্তা দিয়ে যাতায়াতকারী সকল মানুষ এই উদ্যোগে উপকৃত হবেন।

+

শিবভক্তদের জন্য এই রাস্তায় আলোর ব্যবস্থা করেছেন ব্যবসায়ী

ছাতনা, বাঁকুড়া, নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায়: শ্রাবণ মাস এলেই শুশুনিয়া পাহাড়ের ঝরনার জল সংগ্রহ করে বিভিন্ন শৈবক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন হাজার হাজার শিবভক্ত। সেই দীর্ঘ পথের একটি অংশ এতদিন রাতের অন্ধকারে বিপজ্জনক হয়ে উঠত। যেখানে প্রশাসনের উদ্যোগের অপেক্ষা না করে এক সাধারণ মানুষ নিজের দায়িত্ববোধ থেকেই এগিয়ে এলেন। শুক্রবার সকালে ছাতনার কৌশিক এলাকার বাসিন্দা ও ব্যবসায়ী কৌশিক দাশগুপ্ত নিজের উদ্যোগে ছাতনা বিট অফিস থেকে প্রায় দেড় কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে ৫০টি এলইডি টিউব লাইট লাগিয়ে আলোকিত করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগে হাজার হাজার শিবভক্তের রাতের পথচলা অনেকটাই নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

জানা গিয়েছে, বিট অফিস সংলগ্ন এই রাস্তার বাঁকটি দীর্ঘদিন ধরেই দুর্ঘটনাপ্রবণ। পর্যাপ্ত আলোর অভাবে রাতে ছোটখাটো দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা থাকত। তাই নিজের অর্থায়নেই রাস্তার বিভিন্ন অংশে ৫০টি এলইডি টিউব লাইট বসানোর ব্যবস্থা করেন কৌশিক দাশগুপ্ত। ফলে শুধু শিবভক্তরাই নন, সাধারণ পথচারী, সাইকেল আরোহী এবং যানবাহন চালকরাও এই আলোকসজ্জার সুবিধা পাবেন। এলাকাবাসীর মতে, এই উদ্যোগ জনস্বার্থে এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

আরও পড়ুন: কাঠের দিন শেষ, নতুন জিনিস দিয়ে তৈরি ডিঙির চাহিদা তুঙ্গে! বর্ষায় কত দামে বিক্রি হচ্ছে জানেন?

কৌশিক দাশগুপ্ত বলেন, সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকেই তিনি এই কাজ করেছেন। শ্রাবণ মাসে অসংখ্য ভক্ত গভীর রাতেও শুশুনিয়া পাহাড় থেকে জল নিয়ে বিভিন্ন শিবমন্দিরের উদ্দেশ্যে হাঁটেন। তাঁদের নিরাপত্তার কথা ভেবেই এই আলোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি তিনি সকল গাড়িচালকদের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, এই সময় ভারী যানবাহন ও অন্যান্য গাড়ি যেন ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটারের কম গতিতে চলে। এতে শিবভক্তদের চলাচল আরও নিরাপদ হবে এবং দুর্ঘটনার আশঙ্কাও অনেকটাই কমবে।

আরও পড়ুন: জেলায় সেঞ্চুরি পার ডেঙ্গির, সুস্থ থাকতে মানুন এইসব ‘টিপস’! আর আশপাশে ঘেঁষবে না মশা

কৌশিক দাশগুপ্তের এই মানবিক উদ্যোগ ইতিমধ্যেই এলাকাজুড়ে প্রশংসিত হয়েছে। শিবভক্ত ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সাধারণ মানুষও যদি এভাবে এগিয়ে আসেন, তাহলে বহু সমস্যার সহজ সমাধান সম্ভব। নিজের উদ্যোগে দেড় কিলোমিটার রাস্তা আলোকিত করে কৌশিক দাশগুপ্ত শুধু আলোই জ্বালাননি, হাজার হাজার শিবভক্তের নিরাপদ যাত্রাপথেরও ব্যবস্থা করেছেন। তাঁর এই উদ্যোগ অন্যদের কাছেও সমাজসেবার এক অনুপ্রেরণা হয়ে উঠেছে।

Post Comment

You May Have Missed