নতুন করে মাথা তুলছে কোভিড? অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ২ জনের, আক্রান্ত কুমার শানুর ছেলেও

নতুন করে মাথা তুলছে কোভিড? অন্ধ্রপ্রদেশে মৃত্যু ২ জনের, আক্রান্ত কুমার শানুর ছেলেও

নয়াদিল্লি: নতুন করে মাথাচাড়া দিচ্ছে নোভেল করোনা ভাইরাস। এবার কোভিড ১৯-এ সংক্রমিত হলেন কুমার শানুর ছেলে জান কুমার শানু। সংক্রমণ এতটাই গুরুতর যে হাসপাতালে ভর্তি হতে হল তাঁকে। হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ায় বাতিল করতে হল তাঁর কনসার্টও। (Jaan Kumar Sanu Tests COVID Positive)

একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে অসুস্থতার কথা জানিয়েছেন জান। তিনি বলেন, “মুম্বইয়ে নিজের কনসার্টের প্রস্তুতিতে ব্যস্ত ছিলাম। অনেক কিছু চলছিল। একদিন সব সেরে জিমে গিয়েছিলাম। আর তখনই মনে হচ্ছিল ফ্লু যেন কাবু করে ফেলছে। এমনি ওষুধ খেয়ে ঘুমাতে গিয়েছিলাম। কিন্তু রাতে কাঁপুনি শুরু হল, ঠান্ডা লাগছিল, জ্বর ছিল ১০২-১০৩। পরিস্থিতির এত অবনতি হচ্ছিল যে আমাকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। একটা সময় পর অজ্ঞান হয়ে যাই।” (Jaan Kumar Sanu)

আরও পড়ুন: ‘মন্নত’ নিয়ে স্বস্তি শাহরুখ খানের, বাংলো আরও উঁচু করতে পারবেন ‘বাদশা’, আপত্তি খারিজ করে দিয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলল..

হাসপাতালে পরীক্ষা হয় জানের, আর সেখানেই কোভিড ১৯ ধরা পড়ে। জান বলেন, “ডাক্তারার বললেন, ‘আপনি কোভিড পজিটিভ’। আমি ভাবলাম, কী? খুব চমকে গিয়েছিলাম। মা, ডাক্তাররা যতটা ভয় পেয়েছিলেন, আমি বেশি ভয় পেয়েছিলাম। গোটা অতিমারিতে একবারও সংক্রমিত হইনি আমি।” 

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেও, এখনও পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠেননি বলে জানিয়েছেন জান। তাঁর কথায়, “আমি আইসোলেশনে ছিলাম না। দু’দিনে প্রচুর ওষুধ এবং ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছে। রবিবার বিকেলে ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু সেরে ওঠার লক্ষণ নেই। এখনও প্রচুর ওষুধ চলছে। আমাকে বেশি করে তরল পান করতে বলা হয়েছে অন্তত একমাস। বিশেষ করে মাস্ক পরতে বলা হয়েছে বার বার করে।  ইমিউনিটি একেবারে নেই। ফসফুসের উপর চাপ পড়ছে। বাইরে বেরোতে একেবারে নিষেধ করেছেন ডাক্তাররা। অন্তত এক সপ্তাহ গানও বারণ।”

আরও পড়ুন: ফের বিপাকে কমেডিয়ান সময় রায়না, জরিমানা করল সুপ্রিম কোর্ট, CJI সূর্যকান্ত বললেন…

সম্প্রতি নতুন করে করোনা আতঙ্ক মাথাচাড়া দিয়েছে। গত কয়েক দিনে অন্ধ্রপ্রদেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১০ জন, যার মধ্যে দু’জন মারাও গিয়েছেন। ৫২ বছরের এক ব্যক্তি হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরীক্ষা করলে দেখা যায় কোভিড। ৪৩ বছর বয়সি একজনের অবস্থা ক্রমশ জটিল হয়ে ওঠে। চিকিৎসা চলাকালীন মারা যান দু’জনই। 

এমন পরিস্থিতিতে ফের ঘরবন্দি হওয়ার দিন এল কি না, সেই নিয়ে উদ্বেগ ছড়াচ্ছে। যদিও ফরিদাবাদের ‘অমৃতা হসপিটালে’র চিকিৎসক প্রদীপ বজার এনডিটিভি-কে জানান, অতিমারির সময় যতটা শক্তিশালী ছিল কোভিড, এখন আর নেই। জ্বর, গলাব্যথা, কাশি, ক্লান্তি, গায়েহাতে ব্যথা, নাক দিয়ে জল পড়ার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। ধরা পড়ার পর বিশ্রাম জরুরি। পর্যাপ্ত জলপান, বাড়িতে রেখে চিকিৎসা হলেই ধাক্কা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব।



Previous post

চালু হল নতুন পোর্টাল, এবার খুব সহজেই দেখতে পাবেন নিজের প্রভিডেন্ট ফান্ড ক্লেমের স্টেটাস

Next post

প্রশান্ত কিশোরের শিক্ষাগত যোগ্যতা কত, সম্পত্তিই বা কত, গতানুগতিক পথে হাঁটেননি কখনও, নির্বাচনী হলফনামায় স্পষ্ট

Post Comment

You May Have Missed