Indian Railways New Bridge: দীর্ঘদিনের ভোগান্তি মেটাতে তৈরি হচ্ছে ব্লু-প্রিন্ট, শীঘ্রই নতুন রেল ব্রিজ পাবে ‘এই’ জায়গা! হাজার হাজার মানুষের মুখে হাসি
Last Updated:
Indian Railways New Bridge: দীর্ঘদিনের সেতু সমস্যার স্থায়ী সমাধানে বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। নওয়াদার পুরনো রেলসেতুকে অক্ষত রেখেই তার পাশে একটি নতুন আধুনিক সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা। প্রশাসন ও রেলের আধিকারিকরা যৌথভাবে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের পর সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নকশা ও জমি সংক্রান্ত কারিগরি দিকগুলি খতিয়ে দেখা হয়।
আউশগ্রাম, পূর্ব বর্ধমান, বনোয়ারীলাল চৌধুরী: দীর্ঘদিন ধরে এলাকার মানুষের দাবি ছিল নতুন একটি সেতুর। অবশেষে সেই দাবিপূরণের পথে বড় পদক্ষেপ নিল প্রশাসন। নওয়াদার পুরাতন রেলসেতুকে অক্ষত রেখেই তার পাশেই নতুন সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা নিয়ে শুরু হয়েছে প্রশাসনিক তৎপরতা। সম্ভাব্য সেতু নির্মাণের নকশা ও স্থান নির্ধারণের লক্ষ্যে সরেজমিনে এলাকা পরিদর্শন করেন সংশ্লিষ্ট দফতরের ইঞ্জিনিয়াররা।
তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আউশগ্রাম-১ ব্লকের বিডিও বিমান কর, ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার আধিকারিক বিভাষ কুমার দাস, মহকুমা প্রশাসনের প্রতিনিধি, বিদ্যুৎ দফতরের আধিকারিক এবং পুলিশ প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। দীর্ঘ সময় ধরে সম্ভাব্য সেতুর অবস্থান, নকশা, জমি সংক্রান্ত বিষয় এবং নির্মাণের বিভিন্ন কারিগরি দিক নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পুরনো রেলসেতুর ঐতিহ্য ও বর্তমান যোগাযোগ ব্যবস্থা বজায় রাখার স্বার্থেই সেটিকে ভেঙে ফেলা হবে না।
বরং তার পাশেই নির্মিত হবে আধুনিক নতুন সেতু। এই সেতু তৈরি হলে নওয়াদা, দেয়াসা, আলিগ্রাম-সহ আশপাশের একাধিক গ্রামের হাজার হাজার মানুষের যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও দ্রুত হবে। পাশাপাশি দীর্ঘদিনের ভোগান্তিরও অবসান ঘটবে বলে আশা করছেন এলাকাবাসী। এ প্রসঙ্গে আউশগ্রাম-১ ব্লকের বিডিও বিমান কর জানান, রেল দফতর-সহ সংশ্লিষ্ট সমস্ত বিভাগের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে এদিন প্রাথমিক পরিদর্শন সম্পন্ন হয়েছে। খুব শীঘ্রই সমস্ত তথ্য ও পর্যবেক্ষণ একত্রিত করে জেলা প্রশাসনের কাছে একটি বিস্তারিত রিপোর্ট পাঠানো হবে।
সেই রিপোর্টের ভিত্তিতেই পরবর্তী প্রশাসনিক ও নির্মাণ সংক্রান্ত প্রক্রিয়া এগোবে। এলাকাবাসীর আশা, দীর্ঘদিন ধরে যে সেতু সমস্যার কারণে নিত্যদিন দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে, এবার তার স্থায়ী সমাধান মিলবে। নতুন সেতু নির্মিত হলে শুধু যাতায়াতই নয়, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এখন জেলা প্রশাসনের চূড়ান্ত অনুমোদন ও প্রকল্পের কাজ শুরুর দিকেই তাকিয়ে রয়েছে গোটা এলাকা।
Barddhaman (Bardhaman),Barddhaman,West Bengal

Post Comment