‘৪ মে ফল বেরনোর পর…’, ‘যুবসাথী’ নিয়ে বড় বার্তা অভিষেকের
ঝাড়গ্রাম : আরও একবার ভোট প্রচারে যুবসাথী ও লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের প্রসঙ্গ। এদিন ঝাড়গ্রামের লালগড় সজীব সংঘ মাঠের জনসভা থেকে বড় বার্তা দিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক বলেন, “যারা যুবসাথীতে ফর্ম ফিলআপ করেছিলেন, এখনও টাকা পাননি, তার কারণ ১৬ তারিখ ভোট ঘোষণা হয়ে গেছিল। ৪ মে ফল বেরোবে, তারপর সবাই যুবসাথীতে…যদি দু-চারজন-দশজন বাকি থাকেন, সবাই টাকা পাবেন। কেউ বঞ্চিত হবেন না। আমরা আপনাদের কথা দিচ্ছি…মায়েরা, কোনও ফাঁদে পা দেবেন না। যতদিন তৃণমূল আছে, আজীবন আপনারা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন। আমাদের প্রতিজ্ঞা। যতদিন তৃণমূল এই বাংলায় থাকবে, ততদিন মায়েরা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাবেন।” Bengal Election 2026
অধিকাংশ সভার মতোই এদিনও সভামঞ্চ থেকে আগাগোড়া বিজেপিকে নিশানা করে গেলেন অভিষেক। তিনি বলেন, “এর মানুষকে কোনও দিন এক পয়সার উন্নয়নমূলক পরিষেবা পৌঁছে দেয়নি। SIR হয়েছে, লাইনে দাঁড়িয়েছেন, কোনও দিন বিজেপির কোনও কর্মী-সমর্থককে আপনি আপনার পাশে দাঁড়িয়ে আপনাকে সাহায্য করার বা সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার কোনও ঘটনা গত ৫ বছরে দেখেননি। এরা মানুষকে বিভ্রান্ত করছে।”
এর পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের খতিয়ান তুলে ধরেন তিনি। অভিষেক বলেন, “এখানে গত দুই বছরে, শুধু ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে…গত দু’বছরে…আমি ১২ বা ১৫ বছরের পরিসংখ্যান দিচ্ছি না। প্রায় ১২ হাজার গরিব মানুষ মা-মাটি-মানুষ সরকারের বাড়ি পেয়েছেন। যার মধ্যে ১০ পয়সা নরেন্দ্র মোদির অবদান নেই। ২০২১-এর নির্বাচনে ঘোষণা হওয়ার পর …গত ৫ বছরে খালি ঝাড়গ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের…যে ১৮ টা ওয়ার্ড আছে ঝাড়গ্রাম টাউনে, এদিকে ঝাড়গ্রাম গ্রামীণের চারটি জিপি, বিনপুর ১-এর ১০টা জিপি সব মিলিয়ে প্রায় ৭২ হাজার মায়ের প্রতি মাসে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পাচ্ছেন। আমার চ্যালেঞ্জ বিজেপিকে, ১৬টা রাজ্যে নরেন্দ্র মোদির সরকার ক্ষমতায়, নরেন্দ্র মোদির দল ক্ষমতায়…একটা রাজ্যে বিজেপি করে দেখাতে পারলে…বাংলায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার দিয়েছেন…সেরকম করে দেখাতে পারলে আমি রাজনীতি করব না। রাজনীতি ছেড়ে দেব। আমি চ্যালেঞ্জ দিয়ে গেলাম। বলেছিল, ১৫ লক্ষ টাকা দেব। কেউ পেয়েছেন ? কিন্তু, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পেয়েছেন ? উত্তর হচ্ছে, ‘হ্যাঁ।’ ২ কোটি চাকরি দেব বলেছিল। পেয়েছেন ? উত্তর, ‘না।’ কৃষক বন্ধু, স্বাস্থ্যসাথী পেয়েছেন ? উত্তর, ‘হ্যাঁ।”



Post Comment