‘৩৭ বছর আমার কেরিয়ার, আমি দেখিনি কোনও মুখ্যমন্ত্রী…’, চোরবাগান প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল

Last Updated:

Manoj Agarwal On Suvendu: দুর্গোৎসবের পর এবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনী। এই উপলক্ষে আজ মিলনমেলা প্রাঙ্গণে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। একইসঙ্গে এই অনুষ্ঠানের মঞ্চ থেকেই করা হয় চোরবাগানের ঘটনায় নিহতদের স্মরণ।

চোরবাগান প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল
চোরবাগান প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল

কলকাতা: দুর্গোৎসবের পর এবার রাজ্য সরকারের উদ্যোগে বিজয়া সম্মেলনী। আজ মিলনমেলা প্রাঙ্গণে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে রাজ্য সরকার। বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়ের পাশাপাশি চোরবাগানের মণ্ডপ দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণ উপলক্ষে মিলন মেলা প্রাঙ্গনে বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় আজ রাজ্য সরকারের উদ্যোগে।

চোরবাগানের পুজোমণ্ডপে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে। পাশাপাশি ছিল পুজো উদ্যোক্তা ও বিশিষ্টজনদের সঙ্গে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়। কলকাতা ও শহরতলির বিভিন্ন পুজো কমিটির উদ্যোক্তাদের আমন্ত্রণ জানানো হয় এই অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানে প্রায় পাঁচ হাজার বিশিষ্টজনকে আমন্ত্রণ করা হয় রাজ্য সরকারের তরফে।

এই অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকে চোরবাগান প্রসঙ্গে মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল বলেন, “৩৭ বছর আমার কেরিয়ার হয়েছে আমি দেখিনি কোনও মুখ্যমন্ত্রী সবার বাড়িতে বাড়িতে গিয়েছেন, আগে এক জায়গায় করে ক্ষতিপূরণ দিয়ে দেওয়া হত। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সবার বাড়িতে গিয়ে বলেছেন প্রশাসন পাশে আছে।”

একইসঙ্গে এদিনের অনুষ্ঠান থেকে মুখ্যসচিব জানান, “আমাদের সোশ্যাল মিডিয়াতে ৩০ মিলিয়ন ভিউ হয়েছে এর মাধ্যমে দুর্গাপুজো গোটা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। ৩০০০ এর বেশি ঢাক এর অনুষ্ঠান ইডেন গার্ডেনসে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস এনে দিয়েছে। কলকাতায় ৩১৫২টি কমিটি, রাজ্যে ৫৭২৮০ পুজো কমিটিগুলিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। রাজ্যে মোট ৬০৪৩২ পুজো কমিটিকে অনুদান দেওয়া হয়েছে। এই খাতে সরকারের তরফে ৬০০ কোটি টাকারও বেশি টাকা খরচ করা হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, এ বছর মহালয়ার দিন থেকেই রাজ্য জুড়ে দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে একাধিক বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করেছিল রাজ্য সরকার। কলকাতার পাশাপাশি জেলায় জেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুজো উদ্বোধনের আয়োজন করা হয়। মহালয়ার দিন রেড রোডে বাংলার লোকসংস্কৃতি ও ঐতিহ্যকে তুলে ধরে আয়োজন করা হয় বিশেষ শোভাযাত্রার। ইডেন গার্ডেন্সে আলোকসজ্জা, ড্রোন প্রদর্শনী ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দুর্গোৎসবের শুভ সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

দুর্গাপুর, শিলিগুড়ি, কোচবিহার, বিষ্ণুপুর, মালদহ, বহরমপুর ও দিঘা-সহ বিভিন্ন জেলায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। পাশাপাশি কলকাতার গঙ্গার ঘাটগুলিতেও বিশেষ আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করেছিল রাজ্য সরকার। দুর্গোৎসব উপলক্ষে রাজ্যের সেরা পুজো কমিটিগুলিকে ‘দেবী দুর্গা সম্মান’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।

Post Comment

You May Have Missed