বিনামূল্যে মিলবে জমির রেকর্ড, জমি মালিক ও কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

বিনামূল্যে মিলবে জমির রেকর্ড, জমি মালিক ও কৃষকদের জন্য বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর

কলকাতা: রাজ্যের নাগরিক পরিষেবা আরও স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য করতে এক নয়া পদক্ষেপ নিল বিজেপি সরকার। এখন থেকে জমির খতিয়ান (Record-of-Rights) এবং দাগের তথ্য (Plot Information) পাওয়ার জন্য আর কোনও টাকা খরচ করতে হবে না সাধারণ মানুষকে। এই সংক্রান্ত সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন ফি বা এনকোয়ারি চার্জ (Enquiry charges) আনুষ্ঠানিকভাবে মকুব করার ঘোষণা করলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)

আজ এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী এই বড় সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট ভাষায় লেখেন, “নাগরিক পরিষেবা যাতে স্বচ্ছ, ঝামেলামুক্ত এবং সহজলভ্য হয়, তা নিশ্চিত করতে আমাদের সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” পূর্ববর্তী সরকারের আমলের নিয়মের দিকে আঙুল তুলে তিনি পোস্টে আরও যোগ করেন, “আজ অত্যন্ত আনন্দের সাথে ঘোষণা করছি যে, খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্য পাওয়ার জন্য পূর্ববর্তী সরকার যে অ্যাপ্লিকেশন ফি আদায় করতো, তা আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে মকুব করেছি।”

কী কী সুবিধা পাবেন সাধারণ মানুষ ও কৃষকরা?

সরকারি এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে সাধারণ নাগরিক, বিশেষ করে রাজ্যের কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী:

সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ডাউনলোড: এখন থেকে খতিয়ান এবং জমির দাগের তথ্যের ডিজিটালি স্বাক্ষরিত (Digitally Signed) কপি সম্পূর্ণ ‘বিনামূল্যে’ অনলাইন থেকে ডাউনলোড করা যাবে।

কোনও অতিরিক্ত ফি নয়: এই ডিজিটাল জমির রেকর্ডগুলি পাওয়ার জন্য নাগরিকদের কোনো রকম আবেদন ফি বা প্রমাণীকরণ ফি (Authentication fees) দিতে হবে না।

এক ক্লিকেই তথ্য: দালালি চক্রের দাপট বা সরকারি দপ্তরে চক্কর কাটার দিন শেষ। ঘরের কোণায় বসেই মাত্র এক ক্লিকে নিজের জমির যাবতীয় রেকর্ড হাতে পেয়ে যাবেন মালিকরা।

এই জনমুখী প্রকল্প প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী তাঁর পোস্টে লেখেন, “এই পদক্ষেপের ফলে রাজ্যজুড়ে সমস্ত জমির মালিক বিশেষত কৃষকরা সরাসরি উপকৃত হবেন। আপনার জমি, আপনার অধিকার,আপনার তথ্য এখন থেকে মাত্র এক ক্লিকের আওতায়।।”

ডিজিটাল প্রযুক্তির হাত ধরে আমজনতার বাড়ি বাড়ি সরকারি পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হতে চলেছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। এর ফলে জমি কেনাবেচা থেকে শুরু করে চাষের কাজের জন্য প্রয়োজনীয় নথি জোগাড়ের প্রক্রিয়া যেমন গতি পাবে, তেমনই কমবে সাধারণ মানুষেরর হয়রানিও।



Post Comment

You May Have Missed