প্রায় ৯ ঘণ্টা পর, সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হলেন সুজিত বসু, কোন পথে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ?
প্রকাশ সিনহা, কলকাতা: প্রায় ৯ ঘণ্টা পর সিজিও কমপ্লেক্স থেকে বের হলেন সুজিত বসু। মূলত এদিন পুর-দুর্নীতি মামলায় দমকলমন্ত্রীকে ম্যারাথন জিজ্ঞাসাবাদ চালায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
দফায় দফায় সুজিতকে জিজ্ঞাসাবাদ, প্রায় সাড়ে ৯ ঘণ্টা পর CGO কমপ্লেক্সে থেকে বেরলেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। এদিন সকাল ১০ টা ২৬ মিনিটে পুর নিয়োগ দুর্নীতি তদন্তে হাজিরা দিতে, CGO কমপ্লেক্সে পৌঁছন সুজিত বসু। ছেলে সমুদ্র বসু ও আইনজীবীদের নিয়ে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন তিনি।এর আগে তাঁকে ৩ বার নোটিস পাঠালেও, প্রচারে ব্যস্ত থাকার কারণ দেখিয়ে হাজিরা দেননি দমকলমন্ত্রী।ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা আগেও যেমন সক্রিয় ভূমিকায় দেখতে পাওয়া গিয়েছল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থগুলিকে। ভোটের দিন ঘোষণার পরেও সেই তলব অটুট থাকে। প্রচারের মাঝেই তলব পড়ে সিজিও কমপ্লেক্সে। মূলত পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলায়, তৃণমূল প্রার্থী রথিন ঘোষ এবং সুজিত বসুকে তলব করেছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। যদিও সেই সময় ভোট প্রচারের যুক্তি দেখিয়ে হাজিরা দেননি।
২০২৩ সালে পুর নিয়োগ দুর্নীতির তদন্তে, সুজিত বসুর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি। ১০ অক্টোবার লেকটাউনে, সুজিত বসুর রেস্তরা এং সল্টলেকের অফিস, গোলাঘাটায় ছেলেসর রেস্তোরায়, লাউঞ্জবারেও তল্লাশি চালিয়েছিল ইডি। সুজিত বসুর স্ত্রী, পুত্র, কন্যা এবং জামাইকেও জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়েছিল এনফোর্সনমেন্ট ডিরোক্টরেট। এদিকে ছাব্বিশের ভোটের প্রার্থী ঘোষণার পরেও, ফের তলবের মুখে পড়েন সুজিত বসু। নমিনেশন জমা দিতে যাওয়ার সময়, বলেছিলেন, যে মামলায় তলব, সেই মামলায় ইতিমধ্যেই সিবিআই চার্জশিট দিয়েছে। চার্জশিটে আমার নাম নেই। ভোটের আগে আমায় হেনস্থা করা হচ্ছে। ভোটে না পেরে অন্যভাবে হেনস্থা করা হচ্ছে। …এই যে কাগজ এর মধ্যে অভিযুক্তদের নাম, এর মধ্যে সুজিত বসুর নাম নেই। এটা একটা ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। …কত হিংসাপরায়ন হলে আজকের দিনে নোটিস পাঠায়।’
পুর-নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় CBI যে চার্জশিট দিয়েছিল, তার ১১ নম্বর পাতায় দাবি করা হয়, বেআইনিভাবে সবচেয়ে বেশি চাকরি দেওয়া হয়েছে দক্ষিণ দমদম পুরসভায়। ২০১৪ সালের পর সেখানে ৩২৯ জনের নিয়োগ হয়েছে টাকার বিনিময়ে।



Post Comment